Mohd Jewel Hossain

Mohd Jewel Hossain I BEAR WITNESS THAT THERE IS NO GOD BUT ALLAH AND MUHAMMAD (SW) IS THE MESSENGER OF ALLAH

25/09/2025
আপনার সামর্থ্য থাকলে গ্রামে জায়গা কিনুন। শহরে তেমন কাজ না থাকলে গ্রামে চলে যান। সেখানে গোনাহ কম হয়। উদাহরণ স্বরূপ,, "আপন...
11/11/2024

আপনার সামর্থ্য থাকলে গ্রামে জায়গা কিনুন।
শহরে তেমন কাজ না থাকলে গ্রামে চলে যান।
সেখানে গোনাহ কম হয়। উদাহরণ স্বরূপ,,
"আপনার রিক্সায় অপরিচিত কাউকে নিয়ে ঘুরতে পারবেন না। আপনার খালি বাসায় আপনার প্রেমিক প্রেমিকাকে নিয়ে আসতে পারবেন না। আপনি চাইলেই অশালীন ড্রেস পড়ে বাইরে যেতে পারবেন না।"

গ্রামে কোনো পতিতালয় নেই। পার্টি করার বার নেই। বৃদ্ধাশ্রম নেই। সাউন্ড বক্সে গান চালিয়ে আপনার কানে গান পৌঁছানোরও কেউ নেই। গ্রামে মুরুব্বিদের কে মানে। একতা আছে সবার মাঝে। এক গ্রামের কাউকে কিছু বললে পুরো গ্রাম তার পক্ষে থাকে।
গ্রামের মানুষ বেকার থাকে তাই তারা অন্যের খেয়াল রাখতে পারে। যেইটাকে আমরা টক্সিক আর গীবত সমালোচনা কারী বলি।
শহরে আপনি কয়জনকে চিনেন আর আপনাকে কয়জন চিনে,আপনাকে নিয়ে কে গীবত করবে আপনি কাকে নিয়ে গীবত করবেন! চেনা জানাই তো নেই।

গ্রামে আপনাকে কেউ ছুরি নিয়ে দৌড়ালে আপনাকে বাঁচানোর অনেক মানুষ এগিয়ে আসবে। কারণ তারা আপনাকে ফলো করছিলো। শহরে দিনে দুপুরে রাস্তায় দৌড়িয়ে প্রকাশ্যে খু'ন হয়।
আপনি অসুখে ঘরে পড়ে থাকলে তারা আপনার খোঁজ নিবে চা স্টলে অন্যদের কাছে। আপনার বাড়ি যাবে। তারা জানে আপনি দুইদিন ধরে বের হোন না। কারণ তারা আপনাকে ফলো করছিলো।
আপনি খালি ঘরে মরে থাকলে তারা এসে আপনাকে উদ্ধার করে আপনার আত্মীয়দেরকে খবর দিবে। জানাজার কেউ না থাকলে আপনাকে তারাই কাফন জানাজা পড়িয়ে দাফন করিবে।
আর শহরে আপনি না খেয়ে থাকলেও কেউ দেখবে না। লাশ পঁচে গন্ধ বের হলে তখন সামনের ইউনিটের মানুষ আপনার খোঁজ পাবে।
গ্রামে আজও ইফতার,ঈদ,মেহমান আসলে পাশের বাড়িতে খাবার পাঠায়। শহরে বিয়েতে নিজের ভাড়াটিয়াকেও দাওয়াত দেয় না।
গ্রামের মানুষ সমালোচনা করে বলেই আজও গ্রামে অনেক ধরনের পাপ হয়না। আপনিও মানুষের মতো মানুষ হতে পেরেছেন এরপর শহরে এসে ফুটানি করতে পারছেন।
আপনি উকিল,ইঞ্জিনিয়ার, বিসি এস ক্যাডার,পাইলট,ক্যাপ্টেন এসবের যা কিছুই হোন না কেন, কোনো দাম শহরের রাস্তায় এমনকি পাশের ফ্ল্যাটের কেউ ই দিবে না। জ্যামের রাস্তায় কেউ আপনার ঘর্মাক্ত মুখ টা দেখে চিনবেই না।
গ্রামের মানুষ ঠিকই আপনাকে মহামূল্যবান রত্ন মনে করবে,নিজের গ্রামের ছেলে মনে করে আনন্দিত হয়। গর্বে বুক ভরে।

শহরে আপনি অবসরে গেলে আপনার সন্তান রা আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে দিবে। খালি ঘরে পড়ে মরে থাকলেও ভাববে বাবা ঢং করতেছে,দরজা খুলে না। কিন্তু গ্রামে আপনাকে এসবের শিকার হতে হবে না।

সুতরাং আপনি শহরে বাড়ি বানিয়ে স্টাবলিস্ট থাকলেও গ্রামে কয়েক কাঠা জমি কিনুন।
শহরের বাসা বাড়ি ছেলেমেয়েদেরকে দিয়ে শেষ বয়সে গ্রামে গিয়ে একটা এক তলার বাড়ি করুন। উঠানে ফুলের গাছ লাগান,উঠানের সাথে লাগুয়া খালি জায়গায় সবজি চাষ করুন। ছোট্ট একটা পুকুর বানিয়ে মাছ ছাড়ুন। ফসলি জমি গুলোতে ধান লাগান। দ্রব্যমূল্যের যখন ঊর্ধ্বগতি তখন নিজের ঘরে বসে নিজের ক্ষেতের ধানের চাল,পুকুরের মাছ আর উঠানের সবজি দিয়ে খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলুন।
শেষ বয়সে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিন। বুড়ো বুড়ি মিলে বিকেলে বারান্দায় বসে চা পান করুন। কলকারখানার দূষিত ধোঁয়া হীন মেঘাচ্ছন্ন খোলা আকাশ দেখুন। এরপর আপনার মৃত্যুর পর কবর টা নিরব জায়গায় থাকবে যেখানে কোনো গানের আওয়াজ আসবে না। যার পাশ দিয়ে অশালীন ড্রেস পড়ে কেউ অতিক্রম করবে না। যে কবর অতিক্রম করবে সে সালাম দিয়ে আপনাকে স্মরণ করবে। উনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন,উনার সন্তানেরা মানুষ হয়েছে। আল্লাহ উনাকে জান্নাত দান করুন। শহরে কিছুদিন পরপর কবর পরিবর্তন হয়। আপনি একদিন হারিয়ে যাবেন আপনার সন্তানের চোখ থেকেও।
(সংগৃহিত)

27/03/2024

দাজ্জালের জন্য প্রস্তুত ইসরায়েল, থার্ড টেম্পলে উঠছে লাল গাভী!

ফিলিস্তিনের উপর ইতিহাসের অন্যতম বর্বরচিত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তবে এই হামলা কি শুধুই রাজনৈতিক কারণে? কেনই বা তারা আল আকসার দখল নিতে চাচ্ছে? আর এইসব ঘটনার সাথে দাজ্জালের সম্পর্কই বা কি? এই সব নিয়েই আলোচনা হবে এই পর্বে।

এই বিষয়ে আলোচনা করার আগে ইহুদী তথা বনি ইসরাইলিদের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। আল্লাহর প্রেরিত কিতাব তাওরাত ও যাবুর যাকে বাইবেলে ওল্ড টেস্টিমেন্ট বলা হয়েছে, সেখানে ইসা (আ.) বা মাসীহ এর আগমণের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। ইসা (আ.) এর জন্মের আগে যখন বণি ইসরাইলরা রোমান সভ্যতার অত্যাচারের শিকার হচ্ছিলো তারা তখন সেই মাসীহ’র আগমণের জন্য অপেক্ষা করছিলো।

কিন্তু যখন ইসা (আ.) আসেন এবং আল্লাহর বাণি প্রচার করেন, তখন তারা তাঁকে অস্বীকার করে কারণ তারা আশা করছিলো তাদের মাসীহ হবে একজন রাজনৈতিক নেতা। কিন্তু ইসা (আ.) রাজনৈতিক নয় বরং ধর্মীয় নেতা ছিলেন। তাই বাইবেলে বর্ণিত মাসীহ’র সব বিবরণ ইসা (আ.) এর সাথে মিলে যাওয়ার পরেও তারা তাঁকে অস্বীকার করে আর রোমান রাজার কাছে তারা নালিশ দেয় যেন ইসা (আ.) কে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। কারণ হিসেবে তারা বলে তিনি রোমান রাজাকে পরাজিত করতে এসেছেন।

চোখের সামনে সত্যকে দেখার পরেও তারা সে সত্য অস্বীকার করে তাই আল্লাহ বণি ইসরাইলকে অভিশপ্ত জাতি বলেন আর ইসা (আ.) এর পর বণি ইসরাইলদের কাছে আর কোন নবী পাঠাননি। আল্লাহ কোরআনে বলেন, “বণি ইসরাইলদের মধ্যে যারা অবিশ্বাস করেছিলো তারা দাউদ ও মরিয়ম পূত্র ইসা কর্তৃক অভিশপ্ত হয়েছিল, কারণ তা ছিলো অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী” [সুরা মায়িদাহ, আয়াত ৭৮]

তারা ইসা (আ.) কে অবিশ্বাস করলেও তাদের বিশ্বাস যে মাসীহ আসবেন। কিন্তু সেই মাসীহ আসার আগে তাদের ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে। ১. সব ইহুদীদের তাদের প্রমিসড ল্যান্ড বা প্রতিশ্রুত ভূমিতে একত্রিত হতে হবে। তাদের বিশ্বাস ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর সব ইহুদী ইসরাইলে এসে ইসরাইলকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করার মাধ্যমে তারা এই শর্ত পূরণ করেছে। ২. তাদের টেম্পল অফ সোলেমান বা সোলেমানী মন্দির ৩য় বার নির্মাণ করতে হবে আর ৩. জাবালে জায়তুন বা জলপাইর পাহাড়ে তাদের একটি বিশেষ বৈশিষ্টসহ লাল গাভী কোরবানি করতে হবে। এই তিনটি শর্ত পূরণ হলেই আসবে তাদের মাসীহ।

তাদের মতে ১টি শর্ত পুরণ হলেও আরও দুটি শর্ত পুরণ এখনও বাকি। যার একটি হচ্ছে ৩য় সোলেমানী মন্দির নির্মাণ। সোলেমানী মন্দির হচ্ছে হযরত সোলাইমান (আ.) এর প্রাসাদ। যা তিনি জ্বিনদের মাধ্যমে তৈরি করেছিলেন। প্রথমবার এটি নির্মাণ করা হয় খৃষ্টপূর্ব ৯৫৭ অব্দে এবং খৃষ্টপূর্ব ৫৮০ অব্দে ব্যাবিলন সভ্যতার আক্রমণে সেটি ধ্বংশ হয়ে যায় তবে সেই প্রাসাদের পশ্চিম পাশের দেয়ালটি অবশিষ্ট রয়ে যায়। যাকে বর্তমানে ওয়েটার্ন ওয়াল বলা হয়। পরবর্তীতে ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে সেটি আবার নির্মাণ করা হয় যেটি বর্তমাণে আল-আকরা মসজিদ প্রাঙ্গণ হিসেবে পরিচিত।

ইসরাইলিরা এখন চাচ্ছে এই আল-আকসা মসজিদ ধ্বংশ করে সেখানে ৩য় সোলেমানী মন্দির নির্মাণ করতে। শুধু তাই না, বলা হচ্ছে তারা আল আকসার পাশে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে সুরঙ্গ তৈরি করছে। এর ২টি সম্ভাব্য কারণের কথা বলছেন আলেমরা। ১. সোলাইমান (আ.) তার রাজত্বের সব কালো জাদুর বই ও এতে ব্যবহৃত জিনিসপত্র তার প্রাশাদের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন যেন এগুলো আর কেউ ব্যবহার না করতে পারে। ইসরাইলিরা এখন সেই বই খুঁজতে আল আকসার পাশে গর্ত খুঁড়ছে। আর ২য় সম্ভাব্য কারণটি হচ্ছে এই গর্তের কারণে আল-আকসার ভিত্তি দূর্বল হয়ে যাবে আর তা আপনা-আপনিই ধ্বসে যাবে, ফলে বিশ্বের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হবে না।

আর তৃতীয় শর্ত হিসেবে তারা এখন হন্নে হয়ে সারা পৃথিবীজুড়ে লাল গাভী খুঁজছে এবং বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লাল গাভী সংগ্রহ করে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। ২০১৫ সালে যুক্তরায্যের পত্রিকা ‘দ্যা গার্ডিয়ান’ এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে ইহুদীরা গবেষণার জন্য টাকা বিনিয়োগ করছে যেন একটি নিখুঁত লাল গাভী তারা উৎপাদন করতে পারে। কেউ কেউ দাবি করছে তারা সেই লাল গাভীটি পেয়েও গেছে। এখন বাকি শুধু আল-আকসা ধ্বংশ করে ৩য় মন্দির নির্মাণ, তবেই চলে আসবে তাদের মাসীহ। কিন্তু কে তাদের মাসীহ?

রাসুলুল্লাহ (স.) এর হাদিস অনুযায়ী ইহুদীদের মধ্য থেকে রাজনৈতিক ও অলৌকিক ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তি যে নিজেকে মাসীহ বা ইসা (আ.) দাবি করবে সে হবে দাজ্জাল! অর্থাৎ ইসরাইলিরা হয়ত নিজেদের অজান্তেই দাজ্জালের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে এবং তার কাছেই নিজেদের আনুগত্য প্রকাশ করবে। ঠিক যেমনটা রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন।[Copy-post]

Broga Hill is located in the town of Semenyih, Seremban District, It is only 400 metres high (1312 feet) and can easily ...
28/01/2024

Broga Hill is located in the town of Semenyih, Seremban District, It is only 400 metres high (1312 feet) and can easily be climbed in an hour but it is steep and challenging enough to get the heart pumping and lungs puffing.

11/01/2024

ছোট একটা বাচ্চা #কুকুর আঁচড় দিয়েছিলো---!আঁচড়টা নরমাল ছিলো তাই তিনি এতোটা পাত্তা দেয় নাই বিষয়টা---!!
#রেবিস হওয়ার পর ডাক্তাররা ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছিলো কিন্তু তিনি তার আগেই মারা গেছেন---!তার মৃত্যু আমি সরাসরি দেখেছি কি ভয়ানক মৃত্যু---! #রেবিস রোগী মৃত্যুর আগে #পাগলের মত আচরণ করে তখন ডাক্তাররা বুজে যায়---! সেদিন এই ইমাম সাহেব যখন শেষ পর্যায়ে তখন দেখলাম নার্সরা রুম থেকে সবাইকে বের করে দিয়েছে --!
আর রুমকে তালা মেরে দিয়েছে ,কারণ শেষ মুহূর্তে তারা #পাগল হয়ে যায় সামনে যাকে পাবে তাকে #কামড় বা আঁচড় দিবে ---! এই রোগী যাকে #কামড় দিবে তারও #মৃত্যু ১০০০% নিশ্চিত হয়ে যাবে..! দরজা তালা মেরে দেওয়ার পর বাঁচার জন্য কি করলো,কত চাইলো রুম থেকে বের হতে ---!রুমের ভিতর দৌড়াদৌড়ি করতে লাগলো আর শুধু ধাক্কা খাচ্ছিলো দেওয়াল আর চৌকির সাথে----!! এটা দেখে তাদের আত্নীয়রা নার্সদের থেকে অনুমতি চাইলো দরজা খুলে তাকে একটু ধরে রাখবে যাতে ধাক্কা না খায়..!
কিন্তু নার্সরা অনুমতি দিলো না,তারা বললো তিনি আর ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে #মারা যাবে অপেক্ষা করুন,ওনার জন্য তো আমরা আপনাদের #মৃত্যুর মুখে ফেলে দিতে পারিনা---!! একটা দেশি মুরগী জবাই দেওয়ার পর মুরগী যেভাবে চটপট চটপট করে #মৃত্যু হয় জলাতঙ্ক রোগীর #মৃত্যু একদম সেইম ভাবে হয়....!!
১৪০০শ বছর আগে আমাদের প্রিয় নবী বলে গিয়েছেন কুকুর নাপাক প্রাণী---!! ১৪০০ বছর পর মেডিকেল সায়েন্স বলছে #জলাতঙ্ক ভেকসিন করা নাই ঐ ধরনের কুকুরকে আপনি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে আপনারও হয়ে যেথে পারে জলাতঙ্ক , #কুকুর স্পর্শ করে আমরা যদি আমাদের শরীর চুলকাই বা আমাদের শরীরের কোন ক্ষত স্থানে সে হাত লেগে যায় তাহলেও রিক্স থাকে #জলাতঙ্কের---!
#রেবিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যম আমাদের শরীরে প্রবেশ করে না,রেবিস ভাইরাস আমাদের চামড়ার নিচে যে সাদা একটা চর্বির আস্তর থাকে সেই চর্বি থেকে মাথায় চলে যায় ,প্রথমে আমাদের ব্রেন আক্রমন করে ব্রেন ইনজুরি করে দেয়,পরে আস্তে আস্তে আমাদের গলাতে নামতে শুরু করে..!

আমাদের গলার যে নার্ভ থাকে সে #নার্ভকে ধ্বংস করে দেয়,গলার নার্ভের মাধ্যমে আমরা পানি খেয়ে থাকি বা অন্যন্য খাবার খেয়ে থাকি---!! নার্ভ যখন পুরাপুরি বিকল হয়ে যায় তখন এই রোগী গলা দিয়ে কোন পানি বা খাবার খেতে পারবে না---!!
গলাতে কিছু গেলেই তার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে কারন যেই #নার্ভ খাবার গিলতে সাহায্য করে তা আর কাজ করছে না...! তাই সে পানির পিপাসায় একটা সময় মারা যায় --! তারা পানি দেখলেই ভয় পায় কারণ পানি গলায় গেলে সে আর শ্বাস নিতে পারে না, যদি আপনি জলাতঙ্ক #ভেকসিন না নিয়ে থাকেন----!
আমাদের একটা ভুল ধারনা আছে,আমরা মনে করি #কুকুর কামড়ালে বা আছড় দিলে রেবিস ভেকসিন দিতে হয়,মেডিকেল সায়েন্স বলছে, #কুকুরের লালাতে সবচেয়ে বেশি জলাতঙ্ক ভাইরাস রেবিস থাকে---! #কুকুর তার জিহবা দিয়ে তার শরীর চাটে,এই চাটার কারনে কুকুরের পুরা শরীরে রেবিস জীবানু থাকার রিক্স থাকে--! মনে রাখবেন যদি দেখেন কুকুরের শরীর পানি ধারা ভেজা সেই ভেজা #কুকুর আপনার হাত স্পর্শ হয় বা পায়ে স্পর্শ হয় তাহলে সাথে সাথে এই স্থান কাপড় কাঁচা সাবান নিয়ে ১৫ মিনিট ওয়াশ করবেন---!!তাই সকলে কুকুর থেকে সাবধানে থাকবেন। #কুকুর আপনার শরীল স্পর্শ করলে সাথে সাথে ১৫ মিনিট #কাপড়কাচার সাবান দিয়ে পরিষ্কার করবেন---!!
তারপর বেরিস ভেকসিন দিয়ে দিবেন,আর রেবিস ভেকসিন কখনো সরকারি মেডিকেল ছাড়া অন্য যায়গায় দিবেন না ,যে কোনো টিকা সরকারি মেডিকেল ছাড়া অন্য যায়গায় দিবেন না---!!
আমরা অনেকে ফার্মেসিতে ভেকসিন বা টিকা দিয়ে থাকি এটা উচিত না,একজন #ফার্মাসিস্টের কাজ ঔষধ বিক্রি করা টিকা দেওয়া না ,ভেকসিন দেওয়ার নিয়মই তারা জানে না---!! #রেবিস ভেকসিন নিদিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা লাগে না হয় সেই ভেকসিন কাজ করবে না ,।

মেডিকেল সায়েন্স বলছে ৯৯ % #জলাতঙ্ক রোগ ছড়ায় কুকুর---!!বিড়ালেরও জলাতঙ্ক হয় যদি সেই বিড়াল কুকুরের কামড় খায় বা #কুকুর যে যায়গায় খাবার খায় একই যায়গায় বিড়াল মুখ দেয় তাহলে সে বিড়ালও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয় ! তাই বিড়ালের কামড় বা বিড়ালের আচড় বা #বিড়াল আপনার পা চেটে দিয়েছে তাহলেও আপনাকে ভেকসিন দিতে হবে ! একবার আপনার শরীরে রেবিস ভাইরাস ঢুকে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু , কারণ জলাতঙ্ক রোগের কোন চিকিৎসা নাই।আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুক.....!!
জলাতঙ্ক রোগীর মৃত্যু হয় অনেক কষ্টদায়ক ভাবে---!২/৩ টা জলাতঙ্ক রোগীর মৃত্যু নিজ চোখে দেখার পর আমি শপথ নিয়েছি এই বিষয়ে আমি সবাইকে সতর্ক করবো...!!!
আমার পোষ্টটা সবাই শেয়ার করবেন যাথে সবাই একটু সতর্ক হয় ! রেবিস ভেকসিন সকল টপিক্যাল সরকারি হাসপাতালে সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়া হয়---!কেউ যদি কখনো কুকুরের আক্রমণে আক্রান্ত হন আমার সাথে যোগাযোগ করবেন,ইনশাআল্লাহ আমি আমৃত্যু সবাইকে সাহায্য করবো,আমি চাইনা এই করুণ মৃত্যু আর কোন ব্যক্তির হোক...!
কুকুরের আক্রমণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভেকসিন দিতেই হবে---!আপনারা ইউটিউবে জলাতঙ্ক রোগী দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন এই রোগ কতটা ভয়াবহ...!আমরা রাস্তার কুকুরকে পাত্তাই দেইনা সবাই দয়া করে একটু সচেতন হোন.....!!!
( কপি পোস্ট )

22/01/2023

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.

16/10/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

Address

Jalan Besi 1/1
Semenyih
43500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohd Jewel Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category