Bread Pvt. ltd

Bread Pvt. ltd infrastructure and small scale industries APEX INFRACAP LIMITED was conceptualised in the month of April 2012, and comes into existence in July 2012.

With presence in States like Bihar, Jharkhand, West Bengal, Orissa, Assam, Gujarat, Maharashtra and Rajasthan we are planning to have our presence across the country by the End of 2013. The Head office is in Bhagalpur as most of the Board Members reside in the same city. The Company believes in Team Work hence the main target of the organisation is getting and adding as many number of people as we can in our esteemed organisation.

14/10/2024

*একটি খোলা চিঠি*

আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীরা মনে করি আর জি করের নৃশংস ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিকারে সুবিচার চেয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত। তাঁদের তোলা দশ দফা দাবির সঙ্গে আমরা একমত এবং আমাদের মতে রাজ্যে একটি দুর্নীতিমুক্ত ভয় মুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি এই দাবিগুলির পূরণের মধ্য দিয়েই একমাত্র তৈরি হতে পারে।

এই বিষয়ে রাজ্য সরকার ও প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের টালবাহানার এবং সত্য গোপন করার প্রচেষ্টার আমরা তীব্র নিন্দা করছি। শুধু তাই নয়, জুনিয়র ডাক্তাররা যখন সরকারের কথায় আস্থা দেখাতে কাজে ফিরেছেন তার পরেও আন্দোলনের ন্যায্য দাবি পূরণ করার চাইতে আন্দোলনকে ভাঙতেই যেন সরকার বেশি তৎপর বলে আমাদের মনে হচ্ছে। বিশেষত আমরণ অনশনের কর্মসূচি গ্রহণের পরেও ডাক্তারদের প্রতি যে অমানবিক অবহেলা দেখানো হচ্ছে আমরা তারও কঠোর নিন্দা করছি। অনশনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সমস্ত নাগরিকদের সঙ্গে আমরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।আমরা অবিলম্বে সরকারকে, বিশেষত স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য বিভাগকে অনশন স্থলে গিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ন্যায্য দাবি পূরণের বাস্তব পথ দ্রুত গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে আমরা এই বার্তা পাঠাতে চাইছি যে তাঁদের আন্দোলন গোটা নাগরিক সমাজেরও আন্দোলন। এ আন্দোলন এক দফায় শেষ হবার নয়। যে আন্দোলন তাঁরা শুরু করেছেন আমরা চাই সুস্থ দেহে তাঁরা সবাই তাতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে আমাদের আরো এগিয়ে নিয়ে চলুন। তাঁদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি নিজেদের গুরু দায়িত্ব সম্বন্ধে সচেতন থেকে তাঁরা একটি সুস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য এই লড়াইকে দিশা দেখাবেন।

ধন্যবাদান্তে-

শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
অর্ধেন্দু সেন
অশোক কুমার গাঙ্গুলি
ডাঃ বারীন রায়চৌধুরী
ডাঃ অপূর্ব মুখার্জী
পবিত্র সরকার
অরুণ মুখোপাধ্যায়
অশোক নাথ বসু
মালিনী ভট্টাচার্য
চন্দন সেন (নাট্যকার)
শুভেন্দু মাইতি
রত্নাবলী চট্টোপাধ্যায়
অলকনন্দা রায় ব্যানার্জি
অনীক দত্ত
সব্যসাচী চক্রবর্তী

21/09/2024

একটি রামছাগলিকে মুখ্য মন্ত্রী করলে কি হয় সেটা হাতে কলমে দেখিয়ে দিচ্ছেন আমাদের মাননীয়া। টানা ১৩ বছর ধরে উনি দেখিয়ে চলেছেন।
সেই সঙ্গে ততোধিক রাম পাঁঠা পশ্চিম বঙ্গের ভোটার বৃন্দ ওনার মিথ্যা ও ন্যাকামো দেখেও প্রতিবাদ করছে না।

ডিভিসি, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের আইএএস অফিসার ও পাঠকদের প্রতি গলার শিরা ফুলিয়ে আমি রাণাপ্রতাপ সেন চেঁচিয়ে বলছি৷
(১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
[লেখক কর্মসূত্রে DVC-র সাথে যুক্ত]

আপনারা হয়তো জানেন ...

১) মেজিয়া থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ২৩৩০ মেগাওয়াট
২) দুর্গাপুর স্টীল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ১০০০ মেগাওয়াট
৩) রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ১২০০ মেগাওয়াট
৪) মাইথন হাইডেল স্টেশন - ৬৩.২ মেগাওয়াট

ওপরের এই চারটে থার্মাল+হাইডেল পাওয়ার প্ল্যাণ্টের ইলেকট্রিসিটি উৎপাদন ক্ষমতা মোট ৪৫৯৩.২ মেগাওয়াট৷

এর সাথে রয়েছে ---

১) মেজিয়া সোলার পিভি প্রোজেক্ট - ১.০৬১ মেগাওয়াট
২) ডিএসটিপিএস সোলার পিভি প্রোজেক্ট - ০.৪২৮ মেগাওয়াট
৩) আরটিপিএস সোলার পিভি প্রোজেক্ট - ১.১১৭ মেগাওয়াট
৪) ডিভিসি হেড কোয়ার্টার - ০.০৫৩ মেগাওয়াট

ওপরের এই চারটে সোলার পাওয়ার প্ল্যাণ্টের ইলেকট্রিসিটি উৎপাদন ক্ষমতা মোট ২.৬৫৯ মেগাওয়াট৷

তার মানে, ওপরের এই সব কয়টা, মানে ৮ টি পাওয়ার জেনারেটিং প্ল্যাণ্ট পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত৷ এবং সবাই জেনে অবাক হবেন এগুলোর সবকটাই দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন বা ডিভিসি-র অধীনে৷ এদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, যোগ করে দেখুন, ৪৫৯৫.৮৫৯ মেগাওয়াট৷

তার মানে ডিভিসি মানে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন, তাদের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত মোট ৮ টি জলবিদ্যুৎ, তাপবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যাণ্টের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে প্রায় ৪৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে৷ অসংখ্য সরকারী-অসরকারী-সংগঠিত-অসংগঠিত শ্রমিক-কর্মচারী এই ডিভিসির নানান সংস্থায় প্রোডাকশনের সাথে যুক্ত৷
.....................

বিপরীতে, ঝাড়খণ্ড রাজ্য এই ডিভিসি -র হয়ে কতো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জানেন? মোটে ২০৯৫.২৬৪ মেগাওয়াট৷

ডিটেইলস দিই নি? নিন দিচ্ছি৷

১) বোকারো থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ৫০০ মেগাওয়াট
২) চন্দ্রপুরা থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ৫০০ মেগাওয়াট
৩) কোডারমা থার্মাল পাওয়ার স্টেশন - ১০০০ মেগাওয়াট
৪) পাঞ্চেত হাইডেল স্টেশন - ৮০ মেগাওয়াট
৫) তিলাইয়া হাইডেল স্টেশন - ৪ মেগাওয়াট
৬) কেটিপিএস সোলার পিভি প্রোজেক্ট - ১১.১৬২ মেগাওয়াট
৭) মাইথন সোলার পিভি প্রোজেক্ট - ০.১০২ মেগাওয়াট

মোট - ২০৯৫.২৬৪ মেগাওয়াট৷

মানে, ডিভিসি-র মোট ইলেকট্রিসিটি উৎপাদনের ৪৫.৫৯% উৎপাদন করে ঝাড়খণ্ডের মোট ৭ টি সংস্থা মিলে৷ আর ৫৪.৪১% ইলেকট্রিসিটি উৎপাদন করে পশ্চিমবঙ্গের ৮ টি সংস্থা মিলে৷

নির্বোধ এর মতো উনি ঘোষণা করেছেন উনি ডিভিসির সাথে সব সম্পর্ক ছেদ করবেন৷
আমাদের রাজ্য সরকার চালাতে বেশ কিছু আইএএস অফিসার রয়েছেন৷ এঁদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা আপনাদের পূর্বপুরুষদের জীন থেকে প্রাপ্ত, মস্তিস্ক ও শিরদাঁড়াকে কাজে লাগিয়ে,এই সব তথ্যগুলো দেখিয়ে বোঝান৷ কান কামড়ে বোঝান৷

গাধা দিয়ে তাও চাষাবাদ করা সম্ভব, কিন্তু ছাগল দিয়ে তা একেবারেই সম্ভব নয়, এটা আপনারা জানেন৷

তাই এই রাজ্যের প্রায় ১০ কোটি নাগরিকের স্বার্থে এই নির্বোধ, অ্যারোগ্যাণ্ট, মেগালোম্যানিয়্যাক, গাম্বাট ও প্যাথলজিক্যাল লায়ার কে বোঝান৷ ওর কথায় নাচা বন্ধ করুন৷
______________
রাণাপ্রতাপ সেন
(১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
[লেখক কর্মসূত্রে DVC-র সাথে যুক্ত]

পশ্চিমবাংলায় হেলথকেয়ার মাফিয়ার মার্কেট সাইজ, মানে টাকার দিক থেকে, কত হতে পারে তার একটা ছোট্ট স্নিপেট বা আন্দাজ কিছুদি...
01/09/2024

পশ্চিমবাংলায় হেলথকেয়ার মাফিয়ার মার্কেট সাইজ, মানে টাকার দিক থেকে, কত হতে পারে তার একটা ছোট্ট স্নিপেট বা আন্দাজ কিছুদিন আগে পেলাম। আমি প্রথমে ঘটনাটা বলছি আর তারপর সেটার পেছনের অঙ্ক বা সমীকরণটা বোঝানোর চেষ্টা করছি।

মাসখানেক আগে। আমাদের অফিসে একজন বন্ধুর এক আত্মীয়কে হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি করার দরকার হয়ে পড়ে। তিনি SSKM এ যোগাযোগ করেন এবং যথারীতি তাকে পত্রপাঠ বলে দেওয়া হয় যে হাসপাতালে বেড খালি নেই। তখন সেই বন্ধু আমাদের অফিসেরই আরেকজন দাদা, যার ছেলে সেখানে ডাক্তারি পড়ছে, তাকে ধরেন, যদি ছেলের সূত্রে একটা বেড জোগাড় করা যায়। ছেলে তার লেভেলে চেষ্টা করে, কিন্তু কিছু লাভ হয় না। বেড পাওয়া যায় না। তারপর পরের দিন অফিসে যখন সেই বন্ধুকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, শেষমেশ তাহলে ভর্তি করানোর কি হলো? তিনি জানান যে, হ্যাঁ, অবশেষে বেড পাওয়া গেছে। ওই হাসপাতাল চত্বরেই এক দালাল, ক্যাশ 35,000 টাকা নিয়ে খুব সহজেই নাকি সব ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এবং এটাও বলেছে যে এর পর আর কিছু দরকার হলে তাকে ফোন করলেই সে যাবতীয় ব্যাবস্থাপাতি করে দেবে।

এই হচ্ছে ঘটনা। খুব নতুন কিছু না, আমরা সবাই-ই এসব জিনিষ আগে, কোথাও না কোথাও দেখেইছি, কিন্তু এসবের পেছনের বৃহত্তর সমীকরণটা অত খতিয়ে দেখি নি। ভেবে দেখি নি। যেটা এখন দেখার সময় এসেছে।

SSKM হাসপাতালে এমার্জেন্সী নিয়ে মোট বেডের সংখ্যা 1775*। যদি ধরে নেওয়া হয় যে এই 1775 টা বেডের 10% হাসপাতাল মাফিয়াদের হাতে রয়েছে, তাহলে হয় 178 টা বেড। এবার একটা বেডে, একজন পেশেন্ট, গড়ে তিনদিন করে থাকলে, মাসে একেকটা বেড থেকে দশবার (30÷3 =10) করে টাকা তোলা যায়। একবারের তোলাবাজি 35,000 টাকা। তাহলে একমাসে, এই বেড কালোবাজারি থেকে মোট আয় দাঁড়াচ্ছে;

Rs. 35,000 x 170 x 10 = 6.21 কোটি টাকা। অর্থাৎ, বছরে 74.55 কোটি টাকা!... এটা শুধু SSKM হাসপাতালে। প্রসঙ্গত বলে রাখি, সরকারী হিসেব অনুসারে, SSKM এর এক বছরের এন্ডাওমেন্ট বাজেট, অর্থাৎ চালানোর খরচ 720.36 কোটি টাকা।

আচ্ছা, এবার একটু জুম-আউট করে পুরো রাজ্যের বৃহত্তর দৃশ্যটা দেখলে সেটা কিরকম দাঁড়ায়? পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে, ছোট-বড় মিলিয়ে মোট সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা 1510*। এর মধ্যে কলকাতায় রয়েছে 44* টা, যার মোট বেড সংখ্যা 9,160*। এবার এই 44 টা হাসপাতালের সবকটাই যেহেতু সেরকম বড় বা ব্যাস্ত নয়, তাই বেডের রেটও সবজায়গায় নিশ্চয় এক হবে না। কোথাও বেশী হবে আবার কোথাও কম। গড়ে ধরে নেওয়া যাক, 20,000 টাকা। তাহলে খালি কলকাতা শহরে, সরকারী হাসপাতালে, শুধুমাত্র বেডমাফিয়া সেক্টরের ভ্যালু দাঁড়াচ্ছে,

Rs. 20,000 x (9,160 X 10%) x 10 = 18.32 কোটি টাকা মাসে। অর্থাৎ, বছরে 219.84 কোটি টাকা!

দুশো কুড়ি কোটি টাকা।

এবার এই অঙ্কটাকে মোটামুটিভাবে আনুপাতিক ধরে, এর সঙ্গে ওষুধ, স্যালাইন, রক্ত, অ্যাম্বুলেন্স, মর্গ, পোস্ট-মর্টেম, কনজিউমেবল্স থেকে শুরু করে বাংলাদেশী পেশেন্ট পার্টির পকেট কাটা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার -টেন্ডার স্ক্যাম, মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল র‍্যাকেট এবং সর্বোপরি সবচেয়ে বেশী পয়সা যাতে, চোরা অর্গান ট্রাফিকিং যোগ করলে, খালি কলকাতা শহরে হেলথ কেয়ার মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রির সাইজ অন্তত 1,200 থেকে 1,500 কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকবে বলে আমার ধারণা। বছরে। খালি 44 টা হাসপাতালের। এখন কলকাতার বাইরে হাসপাতালগুলোর, মানে বাকি 1466 টা হাসপাতালের, মাফিয়া বিজনেস পোটেনশিয়াল যদি কলকাতার 30% ও ধরা যায়, তাহলে রাজ্যস্তরে এই অঙ্কটা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে 20,590 হাজার কোটি টাকায়।

আমার কাছে এক্ষুনি তেমন সেরকম কোনো ডেটা নেই, কিন্তু ধারণা করা যায় যে, আজকের দিনে আমাদের রাজ্যে, বিভিন্ন সেক্টর মিলিয়ে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সরকার অনুশাসিত অর্গানাইজড ক্রাইম বা মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রির সাইজ কিছু না হলেও 60,000 থেকে 75,000 কোটি টাকার কাছাকাছি হবে। এখানে একটা আইডিয়া দেওয়ার জন্যে বলে রাখি যে, আজ থেকে তিন বছর আগে, যখন অনুপ মাঝি আর অভিষেক কয়লাকান্ডে ধরা পড়ে, তখন পশ্চিমবঙ্গে খালি কয়লা মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রিরই এস্টিমেটেড ভ্যালু ছিলো 20,000* হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়াও বালি, শিক্ষা, জমি, বন্দর বা কন্সট্রাকশন সিন্ডিকেটের মতো আরও একশোখানা মাফিয়া চক্র রয়েছে যার খবর আমার আপনার মতো লোক অবধি পৌঁছয়ই না...আর এই পুরো মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রি, পশ্চিমবঙ্গের ইকোনমির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, নাহলে পশ্চিমবাংলার মতো একটা রাজ্য, যার চলতি বছরে বাজেট ঘাটতি হচ্ছে 68,250 কোটি টাকা...যে রাজ্যের গড় মাথাপিছু আয়, ন্যাশনাল অ্যাভারেজের চেয়ে 30,000 টাকা কম...যে রাজ্যের আনএমপ্লয়মেন্ট রেট ন্যাশনাল অ্যাভারেজের চেয়ে 6% ওপরে...যে রাজ্যের ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের গ্রোথ, ন্যাশনাল অ্যাভারেজের আদ্ধেক...মাথা পিছু জিডিপির হিসেবে যে রাজ্য দেশের 24 নাম্বারে আসে...পভার্টি ইনডেক্সের নিরিখে যে রাজ্য, দেশের প্রথম 15 টা রাজ্যের মধ্যে পড়ে...NSO রিপোর্টের হিসেবে, গত সাত বছরে যে রাজ্য থেকে তিরিশ লাখ চাকরী অন্য রাজ্যে চলে গেছে... সে রাজ্য কি করে দিনের পর দিনের ধরে লক্ষীর ভান্ডারের মত, যার কিনা একারই 2024-25 সালের বাজেট 14,400 কোটি, খরচসাপেক্ষ সব স্কীম চালিয়ে যেতে পারে!? সে রাজ্য কোথা থেকে এত এত দুর্গাপুজোর ক্লাবঅনুদান দেয়?! কোথা থেকে আসে ইমামভাতার 700 কোটি? বা তপশীলি বন্ধু আর জয় জহর প্রকল্পের 7,000 কোটি? বা ঐক্যশ্রীর 600 কোটি টাকা?

কোথা থেকে আসে দিদিভাই, আসে কোথা থেকে!?

কি? চোখের সামনে একটা নকশা ভেসে ভেসে উঠছে, আবার মিলিয়ে যাচ্ছে? আর ক'দিন দাঁড়ান, এরপর পুরোটা একদম পরিষ্কার দেখতে পাবেন। কেঁচো খুঁড়তে কালনাগিনী বেরোলো বলে, তার ফণার ওপরটা নীল রঙের আর ল্যাজের কাছটা সাদা!

_______________________

*তথ্যঋণ :

https://www.wbhealth.gov.in
https://www.ceicdata.com/en/india
https://www.moneycontrol.com/news/business/coal-blooded-dons-the-rise-and-fall-of-anup-majhi-and-joydeb-mondal-6156701.html
Https:// Wikipedia.org
https://prsindia.org/budgets/states/west-bengal-budget-analysis-2024-25

16/08/2024

*আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের বিচার চাই
*শাসকদলের গুণ্ডাবাহিনীর পুলিশি সহযোগিতায় হাসপাতাল ভাঙচুর ও গণআন্দোলন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রকে ধিক্কার জানাই
*পুলিশ কমিশনার, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই
*প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে রেখে জেরা করতে হবে
*সিবিআই তদন্তে বাধা দেওয়ার চক্রান্ত চলবেনা
*রাজ্য সরকারকে নারী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে

বামপন্থী দলসমূহ ও জাতীয় কংগ্রেসের আহ্বানে
কলকাতায় গণজমায়েত ও মিছিল
১৭ আগস্ট, শনিবার
বিকেল- ৫ টা
রাসবিহারী মোড় থেকে রবীন্দ্রসদন (অ্যাকাডেমি)

07/08/2024

“রাশিয়া সংকেত আগেই দিয়েছিলো

যুক্তরাষ্ট্রের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে বর্তমান প্রজন্ম
। আমি নিশ্চিত আপনারা ভুলে গেছেন ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বরের কথা ।
এই দিনে আচমকাই রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র 'মারিয়া যাখারোভা' এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বললেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে যদি শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবে শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের জন্য

যুক্তরাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা বলতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বললেন, যুক্তরাষ্ট্র 'এরাব স্প্রিং' অর্থাৎ 'আরব বসন্তে'র মতো একটি সিনারি তৈরি করবে
। যে 'আরব বসন্ত' আনতে ব্যাবহার করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের, কলেজ, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ।

'ডোনাল্ড লু' ও 'পিটার ডি হাস' তাদের বন্ধুত্বের সময়কাল প্রায় ৩১ বছর
। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ছিলেন 'পিটার ডি হাস' ।
আপনারা নিশ্চই সেটা ভুলে যাননি
। এই পিটার হাসকে যখন বাংলাদেশে নিয়োগ দেয়া হয় তখন তার উপর স্পেশাল এসাইনমেন্ট ছিলো ইন্দো প্যাসিফিক রিজিয়নে চায়নার প্রভাবকে হ্রাস করা এবং বাংলাদেশকে সদস্য কিংবা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত করা ।
কিন্তু পিটার ডি হাস কোন সাফল্য ঘরে তুলতে পারেননি
। এরপর বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে কয়েকবার এসেছিলেন ডোনাল্ড লু ।
নানাবিধ চেষ্টা চরিত্র করেছিলেন ইলেকশন নিয়ে
। সাফল্য পাননি. ।
যুক্তরাষ্ট্র সব সইতে পারে কিন্তু ফরেন পলিসিতে অপমান মনে রাখে হাজার বছর

যুক্তরাষ্ট্র ফরেন পলিসিতে বাংলাদেশের নিকট মারাত্মক ভাবে পরাজিত হয়
। এই অপমান তারা সহ্য করে নেবে এটা ভাবা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয় ।
পিটার হাস ও ডোনাল্ড লু অর্থাৎ মার্কিন প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশ একটি পরাজয়ের নাম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই পরোক্ষভাবে তাঁর মৃত্যুর কথা বলেন
। কারন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধ স্পৃহার কথা জানেন. ।
তিনি বলেন মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না
। কেন বলেন, আমরা এখন তা বুঝতে পারি ।

রাশিয়া ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলো যে নির্বাচনের পর বাংলাদেশে ছাত্র-বিক্ষোভ হবে এবং আরব বসন্তের মত অবস্থা তৈরী হবে
। চলমান জুলাইতে এসে এই বিক্ষোভের দেখা আমরা পেলাম ।
এর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা 'সি আই এ' তাদের সমস্ত সহযোগীদের মাঠে নামাবার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দিয়েছিলো
। এই সহযোগীরা কেউ কেউ প্রতিষ্ঠান, কেউ কেউ ব্যাক্তি ।

লক্ষ্য করার বিষয় হলো, ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনা
। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কিভাবে কোটার বিষয়টিকে নজরে রেখেছিলো ।
কিভাবে আদালতে দায়ের করা রিটের দিকে নজর রেখেছিলো
। কিভাবে হাইকোর্টের দিকে নজর রেখেছিলো ।
কিভাবে এই বিষয়টিকে একটি ক্ষোভের কন্টেন্ট হতে পারে, তা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলো

রাষ্ট্র নিশ্চই এই রিট দায়ের, রিটের পরে রায়, হাইকোর্ট সমস্ত কিছুই ক্রনোলজিকালী মিলিয়ে ও খতিয়ে দেখবেন এবং প্রতিটি যায়গায় তথ্য সংগ্রহ করবেন

মার্কিনিদের ষড়যন্ত্রে এই প্রজন্মের সন্তানেরা পা দিয়েছেন কোন কিছু না বুঝেই
। আসলে এই গভীর ডিপ্লোম্যাসি তাদের বোঝার কথাও নয় এবং কোনো হিম্মতও নেই ।

আমাদের তরুনেরা "মুক্তিযুদ্ধ" দেখেনি, মুক্তিযুদ্ধের পরের সময় দেখেনি
। মার্কিন-পাকিস্তান ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড এবং তার পরবর্তী ঘটনাও খুব জানে বলে আমার অন্তত মনে হয়না ।
একটা সময় মানুষ বুঝতে পেরেছিলো যে, "বঙ্গবন্ধু"র হত্যাকান্ড কি কি হিসেব you নিকেশের মধ্যে হয়েছিলো এবং মার্কিন-পাকিস্তানি সংস্থাগুলো আসলে কি চেয়েছিলো
। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হবার এই দেশের হয়ে গিয়েছিলো ।

এবারো তারা এখন যা বুঝতে পারছেনা, বুঝবে কুড়ি বছর পরে
। তখন মাথা চাপড়াবে আর কাঁদবে কিন্তু কিছু করার থাকবে না ।

তারা বিলাপ করবে, আক্রান্তবোধ করবে এবং বলতে থাকবে আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে
। কিন্তু কেউ তাদের বাঁচাতে আসবে না ।

প্রজন্ম আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারে, কই আমরা তো মিছিলে গিয়েছি, সভাতে গিয়েছি রায় জেনে
। এখানে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা আসবে কিভাবে ?

এই যায়গাতেই তো অংক
। ভাবতে হবে এখানেই ।

কেন রিট হয়েছে ?
হাইকোর্টের রায় কেন এমন হলো ?
কারা রাস্তায় নেমেছিলো আগে. ?
কেন নেমেছিলো আপীলেট ডিভিশানের রায়ের আগে ?

কারা পানি দিলো. ?
কারা নেট দিলো ?
কারা এত সাহায্য করলো নেপথ্যে. ?
কারা কাছে এসে উষ্কে দিলো. ?
সমন্বয়কদের গত ৫ বছরের হিসেব নিকেশ কি ?
কারা এরা ?

কোন পত্রিকা এত কাভারেজ দিলো শুরুতে ?
কেন দিলো ?
কারা ফোন করে বার বার খোঁজ নিয়েছে ?
কারা সব ধরনের সাহায্য দেয়ার জন্য উন্মুখ হয়েছিলো ?
কেন ছিলো ?

'শেখ হাসিনা'কে প্রজন্ম ভুল ভাবে অনুবাদ করলে সেটার একটা লম্বা দায় এই অস্থির জেনারেশনকেই চুকোতে হবে পরবর্তীতে

আমাদের কৈশোরে আমাদের বাবা ছিলো আমাদের অন্যতম প্রধান শত্রু
। বন্ধুদের সাথে মিশতে দেয়না, কনসার্টে যেতে দেয়না, বন্ধুদের সাথে ট্যুরে যেতে দেয়না, একা ঘর থেকে বের হতে দেয়না
। কত অভিযোগ ...

আজ সব বুঝি
। সব অনুধাবন করি ।
কিন্তু আব্বার হাত ধরে দেখি তাঁর বয়স ৮৩ ।
সময় গিয়েছে চলে স্রোতের মতন ...

আমার এই লেখাটা সংরক্ষন করে রাখুন
। কাজে লাগবে ।
আমি এই প্রজন্মের সাথে এই মুহুর্তে দ্বিমত পোষন করছি বলে তাদের অনেকেই আমার বিরুদ্ধে
। কিন্তু তারা জেনে রাখুক, আমি স্পস্টবাদী একজন মানুষ ।
আমাকে এখন খারাপ লাগবে
। কিন্তু এক সময় আমাকে এরা অনুতপ্ত হবে ।
আমি আর যাই করি, এই প্রজন্মকে অন্তত মিসগাইড করবোনা ।

'বাংলাদেশ' কে অশান্ত করে, ক্রিকেটের মাধ্যমে ভারত বিদ্বেষী তৈরী করে একটা পুরো প্রজন্ম কে তৈরী করে ফেলেছে
। অপেক্ষা শুধু শেখ হাসিনা কবে মারা যাবে তার ।
তারপরেই শুরু হবে এই দক্ষিণ পশ্চিম মহাদেশে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আরো বেশ কয়েকটা মুসলিম দেশ এককাট্টা হয়ে, পুরোন সেই ব্রিটিশ দের তৈরী করা খেলা *"DIVID* *.&.* *RULE"*
। যা ভারত কে মারাত্মক ভাবে আঘাত করবে ।
ভুলে যেওনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারকে ঠেকাতে ব্রিটিশ দের সবচেয়ে বড় বন্ধুর নাম ছিলো আমেরিকা
। দীর্ঘ শেষ চার বছর ধরে "মোদীজি" রাশিয়ার দিকে অনেকটা ঝুঁকে আছে ।
আমেরিকা ভালো ভাবে নিচ্ছেনা

সুযোগ পেলেই ভারতেও মোক্ষম আঘাত হ্যনবে

তাই বন্ধুরা
খুব সাবধানে থাকবেন
আশা করি আপনার অবস্থা আমার বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশ 'শ্রীলঙ্কা' ও 'পাকিস্তানে'র মতো হবেনা

অনুগ্রহ করে বন্ধুরা এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজটি আপনার সমস্ত বন্ধু এবং আত্মীয়দের মধ্যে যতটা সম্ভব প্রচার করুন
,, অন্তত তারা বুঝতে পারবে আপনার প্রকৃত শত্রু কে ,,
সত্যই এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি এবং আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

*"চঞ্চল* *চৌধুরী"*
*(* একজন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র কর্মী এবং বাংলাদেশী বন্ধুজিবি *)*

24/05/2024

দ্বিমেরু রাজনীতির যুগ শেষ হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে
রতন খাসনবিশ

পাঁচ দফা নির্বাচনের পর এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, এরাজ্যে প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে উত্থান ঘটছে একটি তৃতীয় শক্তির, বামপন্থীরা যে রাজনীতিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন। তৃতীয়ঞ শক্তির উত্থানের ফলে ভোট লুটের প্রবণতা ক্রমশ কমছে। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় নয়, মানুষ সক্রিয় প্রতিরোধ গড়ার সাহস পাচ্ছেন তৃণমূল- বিজেপির দ্বিমেরু রাজনীতির অবসানের ইঙ্গিত পেয়ে। কেন দ্বিমেরু রাজনীতির যুগ শেষ হচ্ছে সেটা, মোদী মিডিয়া কিংবা দিদি মিডিয়া যতই অপ্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করুক না কেন, গ্রামে-গঞ্জে, নগরে-বন্দরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও বিপুল মিছিল এই বাস্তবকে আর আড়ালে রাখতে পারছে না যে, এরাজ্যের রাজনৈতিক রঙ্গমঞ্চ তার প্রকৃত কুশীলবদের জয়ের অপেক্ষায় উদগ্রীব হয়ে রয়েছে।

মোদী ও দিদি রাজনীতির ভিন্নতা নিয়ে এরাজ্যের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি ছিল। এই বিভ্রান্তি সযত্নে লালন-পোষণ করছিল ‘বিদ্বৎসমাজ’ কিংবা ‘প্রকৃত বাম’-এর ঝান্ডাধারীরা। এরাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের মত, পথ ও দর্শন যে এক ও অভিন্ন, এই দুই শাসকের গুণগত কোনও ফারাক যে নেই, নিয়ন্ত্রণের রাজনীতিতে উভয়পক্ষই যে সমান সিদ্ধহস্ত, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা এবং স্বৈরাচারের মাপকাঠিতে উভয়েই যে উভয়ের দৃষ্টান্ত মাত্র, এবং সর্বোপরি দুর্নীতিতে একই বৃন্তে ফোটা দুই ফুলের মতোই যে রয়েছে তাদের অবস্থানগত পার্থক্য, এই স্পষ্ট, সত্য কথাটি স্বীকার করতে এঁদের কষ্ট হয়। অস্ত্রটির মূলে আছে অন্ধ বাম বিরোধিতা। আছে দলত্যাগের যন্ত্রণা। আর আছে আখের গোছানোর জান্তব প্রবৃত্তি। নন্দীগ্রামে গণহত্যা কারা ঘটিয়েছিল কিংবা তাপসী মালিকের প্রকৃত খুনি কে, এসব প্রশ্ন যত সামনে চলে আসছে, ততই এই ‘বুদ্ধিজীবীরা’ এবং ‘প্রকৃত বাম’রা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। সত্য উদঘাটনে এঁদের কী সমস্যা আছে? সমস্যা গভীর।

বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে জনমত তীব্র হয়ে ওঠার সুযোগে এরাজ্যে যা ঘটে, এককথায় সেটি হল প্রতিবিপ্লবী অভ্যুত্থান। যে অভ্যুত্থানের সাফল্যে আহ্লাদিত হয়ে মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেটস হিলারি ক্লিন্টন স্বয়ং কলকাতায় এসে প্রতিবিপ্লবের মহানেত্রীকে অভিনন্দন জানাতে মহাকরণে হাজির হয়েছিলেন। বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ এবং বামফ্রন্ট বিরোধী বামপন্থীদের অপিরণামদর্শী নেতৃত্বের অবিমৃষ্যকারিতায় এই প্রতিবিপ্লব দ্রুত সামাজিক মান্যতা অর্জন করে। ইস্ট জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল ডিগ্রিধারী এক উচ্ছৃঙ্খল যুবনেত্রী ১৯৯৩ থেকে যাবতীয় নুইসেন্স আশ্রয় করেও যা ঘটাতে পারেননি, ২০০৭-০৮ সালে সেটাই ঘটল। এই উচ্ছৃঙ্খল, আগাগোড়া মিথ্যায় ভরা রাজনীতি, বিজেপি-র প্রশ্রয়ে ফুলেফেঁপে ওঠা এই ধোঁকাবাজির রাজনীতি, ক্রমশ জনমানসে একটা ন্যায্যতা অর্জন করল। এই রাজনীতির অভিঘাত রাজ্য রাজনীতির এতটাই গভীরে তার বিস্তার ঘটাতে পারল যে, এই নেত্রী যদি হাম্বা হাম্বা কবিতা লেখেন, নজরুলকে দিয়ে মহাভারত লিখিয়ে নেন, কিংবা সিধু-কানহু ডহরে গিয়ে ডহরবাবুর খোঁজ করেন, রাজ্যের মানুষ মুগ্ধদৃষ্টিতে তা তাকিয়ে দেখেন। ২০১১-র পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছিল যে, মানুষ জব কার্ড ভাড়া খাটিয়ে পয়সা উপার্জন করেন, একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থায় মিড ডে মিলের চাল তছরূপ করার শিক্ষা পান এবং গ্রামে গ্রামে এজেন্সি খোলেন যা দিয়ে শিক্ষকের কাজ জুটিয়ে দিয়ে রীতিমতো ভাল কমিশন আদায় করতে পারেন। ‘প্রকৃত বাম’রা সমাজের এই অধঃপতন উদাস দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করলেন। মোদী আসবার জুজু দেখিয়ে এক উদ্ধত ভাইপোকে এসকালেটর কেনার পয়সা জুটিয়ে দিলেন। এবং ১২০০ টাকার ভিক্ষা নিয়ে মানুষ যখন ধেই নৃত্য করে, তখন তাঁদের মার্কসবাদ জুটিয়ে দিল জনবাদী রাজনীতি-র নতুন ব্যাখ্যা।

দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে ওঠা লালঝাণ্ডার মিছিল আসলে এই ন্যারেটিভ বা ভাষ্যকেই ভাঙতে চায়। এই ন্যারেটিভ-কে না ভাঙলে পশ্চিমবঙ্গে যে কোনও সুস্থ রাজনীতি করা যাবে না, এটা বোঝা দরকার। এই ন্যারেটিভ ভাঙার জন্য মোদী-মমতার দ্বিমেরু রাজনীতি বর্জন করার স্পর্ধা দেখানোর দরকার ছিল। দীর্ঘতর হয়ে ওঠা লালঝাণ্ডার মিছিল ইঙ্গিত রাখছে, বাংলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ এই ন্যারেটিভ থেকে মুক্তি চান। পঞ্চায়েত, পৌরসভার ভোট থেকেই বোঝা যাচ্ছিল বিকল্প ভাষ্যের চিন্তা শ্রমজীবী মানুষের মনে ক্রমশ তার জায়গা করে নিচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ঘটে যাওয়া পাঁচ দফা নির্বাচনে যেভাবে মানুষ ভোটযন্ত্রের ওপর লুম্পেনের অধিকার আটকে দিতে সক্ষম হয়েছেন, তাতে বোঝা যায় দ্বিমেরু রাজনীতির ন্যারেটিভ এরাজ্যে ক্রমশ তার গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে। রাজনীতির রঙ্গমঞ্চ তার প্রকৃত নায়ক-নায়িকার উপস্থিতির জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

‘বুদ্ধিজীবী’রা কষ্ট পাবেন। ‘প্রকৃত বাম’রা মোদী বিরোধী লড়াইয়ের ধার কমিয়ে আনার অপরাধে ডিমিট্রভ খুলে মীনাক্ষি মুখার্জিদের গালমন্দ করবেন। কিন্তু হাম্বা হাম্বার সঙ্গে এই ‘বাম’ আর এই ‘বুদ্ধিজীবী’রা বাংলার রাজনীতিতে ক্রমশ পিছু হঠবেন। এক যুদ্ধে দ্বিমেরু রাজনীতির অবসান ঘটবে। আরেক যুদ্ধ প্রয়োজন হবে দুই বিষবৃক্ষই সমূলে উৎপাটন করে বাংলার রাজনীতি থেকে বিসর্জন দেওয়ার। ‘প্রকৃত বাম’-এর ক্ষতি হবে। অসুবিধায় পড়বেন সেই বুদ্ধিজীবী।

15/05/2024

দীপ্সিতারা হল পাশের বাড়ির মেয়ে।
আপদে বিপদে সবসময়।
বয়েস মাত্র তিরিশ। এই বয়েসে চমকে দেওয়ার মতো লেখাপড়া শিখেছে। কৃতী ছাত্রী।
মধ্যবিত্ত পরিবার। এককথায় কমুনিস্ট পরিবার।
দাদু ছিলেন তিনবারের বিধায়ক বামফ্রন্টের আমলে।
পার্টি করতে এসে শিক্ষকতার চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছিলেন। এই হল ঘরানা।

দীপ্সিতা ধর কেমন মেয়ে একটু বলি।
জে এন ইউ থেকে পি এইচ ডি করেছে।
দারুণ বক্তা।
দেশ বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঐটুকু মেয়েকে লেকচার দেওয়ার জন্য ডাকে।
লন্ডন, প্যারিস,ইটালি, জাপান কোথায় না লেকচার দিতে গেছে। এমন মেয়ে দেশের গর্ব নয়?
দামী চাকরি, স্বচ্ছল জীবনের সুখ ছেড়ে মরতে
সিপিআই(এম) পার্টির হোলটাইমারের জীবন কেউ বেছে নেয়?
ঐ যে কি বলে মানুষের সুখে দু:খে থাকবো। পাশে থাকবো। পুলিশের মারও খেয়েছে বিস্তর।
তবু অনড়।

বুদ্ধিদীপ্ত সারল্যে ভরা মুখটি দেখলে ভরসা জাগে।
পারবে ওরাই পারবে।
পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে ওরা কখনও সেলফি তুলবে না।
অর্থনীতি, শ্রমিক কৃষক মহিলা, ছাত্র যুবদের কথা তুলে ধরতে গেলে পড়তে হয়। জানতে হয়।

একবারও কি ভাববো না যাদের পার্লামেন্টে পাঠাবো তাদের যোগ্যতা কী? নাকি তারা শুধু সেজেগুজে পার্লামেন্টের সামনে সেলফি তুলবে।
আর মাস গেলে মোটা টাকা, সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে।
বিদেশ ভ্রমণ করবে।
অবসর জীবনে ভাল পেনশন ভোগ করবে।
হেরে গেলে ক্ষতি নেই।
আবার পুরনো পেশার জগতে ফিরে যাবে।
দুটো অপশনই খোলা।
একবার সাংসদ হলে নিশ্চিন্ত জীবন।
জনগনকে সেবা করার প্রতিদান।
আহা! কী জীবন!

তাই ভাবতে হবে পরিযায়ী পাখিদের সংসদে পাঠিয়ে কী লাভ? ওদের পাঠাবো না দীপ্সিতাদের সংসদে পাঠাবো?
অন্তত সংসদে কথা বলার মত যোগ্য যারা তাদের?
দু'মাসের পরিশ্রমের বিনিময়ে সারাজীবন আয়েশ করে যারা জীবন কাটাতে আসছে তাদের ভোট দেবো কিনা ভাবতে হবে।

কিছু মানুষ বলেন কিছুই হচ্ছে না আমাদের?
দুটো কি চলতে পারে?
যে কোন একটা বেছে নেওয়ার সময় এসে গেছে আমাদের।
আসুন ভাবি, ভাবা প্র্যাকটিস করি।
দীপ্সিতারা না বসন্তের কোকিলরা?
আসুন সবাই একটু ভাবি।
ভাবলে পথ নিশ্চয় পাওয়া যাবে।

বসন্ত চলে গেলে কোকিলেরা আর গান গায় না।
কিন্তু দীপ্সিতারা হল সেই পাখি
বসত করে সারাজীবন হৃদমাঝারে।

তাই এই গ্রীষ্মে একটা ছাতা সঙ্গে রাখা ভাল।
সেই যে বলে না?
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা
কে সি পালই ভরসা।

মীনাক্ষী ও নতুন ছেলেমেয়েরা হলো এক ঝাঁক সেই ছাতা। আমাদের ভরসা।

15/05/2024

তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা ততটাই বাড়ে যতটা সে সহজ এবং বাইনারি -

বন্ধু না শত্রু
খাদ্য না বিষ
লড়ব না পালাব
আমাদের না ওদের
তৃণমূল না বিজেপি

সোশ্যাল মিডিয়ার আবর্তে তথ্যের জটিলতা বাড়লে সেটা উপেক্ষা করার প্রবণতা বাড়ে

আমাদের তাই সচেতনভাবে প্রচারে নতুন বাইনারি আনতে হবে

সৃজন না অবক্ষয়
সুজন না দুর্জন
সুকৃতি না দুষ্কৃতি
প্রতিকুর না অভিষেক
নিরাপদ না শাজাহান
বিজেমূল না বাম-কংগ্রেস

22/04/2024

২৬০০০ চাকরি। সবাই নিশ্চই টাকা দিয়ে চাকরি কেনেন নি। অনেকে সৎ ভাবে পেয়েছিলেন । কিন্তু তৃনমূল নেতাদের চাকরি বিক্রির কারনে, তাদের ভবিষ্যত আজ অনিশ্চিত ।

এই বাজারে চাকরি চলে যাওয়া ? চাকরি চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল কুন্তল । কুন্তল এর সাথে গভীর যোগাযোগ ছিল যাদবপুরের তৃনমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষের । E D সায়নী কে চাকরি চুরি মামলায় তলব করেছিল । টালিগঞ্জের বিশাল বাড়ি রেজিস্ট্রেশনের সময় পাশে ছিল কুন্তল । মানুষের ভবিষ্যত ধ্বংশ করা সায়নী ঘোষদের সামাজিক বয়কট করা উচিত, ভোট ফোট তো পরের কথা।

যারা টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু চাকরি পেলেন না। তৃনমূলের যে নেতাদের টাকা দিয়েছিলেন, তাদের ঘেরাও করুন - টাকা ফেরত চান । সি পি আই এম ,আপনাদের সাথে আছে । যেখানে ডাকবেন সেখানে পাবেন।

কোন ছাড়াছড়ি নেই।

@ অবিন দাশগুপ্ত

20/04/2024

ধরা যাক, প্রেসিডেন্সি কলেজে ফিজিক্সের শিক্ষক নেওয়া হবে। যদি ইন্দ্রাণী হালদার বা সোহমকে নেওয়া হয়, কেমন হবে?‌ ওঁরা বলতেই পারেন, ছাত্রদের জন্য কাজ করতে চাই। তাই, প্রেসিডেন্সিতে অধ্যাপনা করতে চাই।

ধরা যাক, বাংলা রনজি দলে বা কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে একজন অলরাউন্ডার দরকার। কাকে নেওয়া যায়?‌ধরা যাক, কবি জয় গোস্বামী বা পরিচালক অরিন্দমশীলকে নেওয়া হল। কেমন হবে?‌ ওঁরা তো বলতেই পারেন,আমি বাংলাকে ভালবাসি। বাংলাকে জেতাতে চাই।

ধরা যাক, আপনার কোনও নিকট আত্মীয় বা বন্ধু গুরুতর অসুস্থ। কোনও নার্সিংহোমে ভর্তি করেছেন। সিরিয়াস একটা অপারেশন করতে হবে। অমনি আপনি দেখলেন, ডাক্তারের পোশাক পরে দীপক অধিকারী(দেব) বা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন। কেমন হবে?‌ ওঁরা তো বলতেই পারেন, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, তাই এই অপারেশন আমিই করব।

নিশ্চয় আপনি মনে মনে ভাবছেন, ফাজলামি হচ্ছে?‌ যাকে তাকে প্রেসিডেন্সিতে পাঠিয়ে দিলেই হল!? যাকে তাকে বাংলার হয়ে ইডেনে নামিয়ে দিলেই হল? যাকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকিয়ে দিলেই হল!‌

কেন মশাই, অসুবিধা কী আছে?‌ দেবশ্রী রায় অপারেশন করতে পারবেন না?‌ জয় গোস্বামী ক্রিকেট খেলতে পারবেন না?‌ নাকি ইন্দ্রাণী হালদার প্রেসিডেন্সিতে ফিজিক্সের ক্লাস নিতে পারবেন না?‌ নিশ্চয় পারবেন।

আর এঁরা যদি ফিজিক্স পড়াতে পারেন, অপারেশন করতে পারেন, ক্রিকেট খেলতে পারেন, তাহলে মিমি–‌নুসরতরাও পার্লামেন্টে যেতে পারবেন। আসলে, যে কোনও জায়গায় কাজ করতে গেলে, সেই কাজটা শিখে আসতে হয়। শুধু রাজনীতি করতে গেলে কিছু শেখার দরকার নেই, কিছু জানার দরকার নেই। যাঁকে খুশি নামিয়ে দিলেই হল। স্কুল–‌কলেজে নাকি যাকে–‌তাকে নেওয়া যায় না। কিন্তু পার্লামেন্টে যাকে খুশি পাঠানোই যায়।

মুনমুন সেন বা সন্ধ্যা রায় পাঁচ বছর সাংসদ ছিলেন। কী কাজ করেছেন, সেই প্রশ্ন না হয় নাই বা করলেন। কারণ, একজন এমপি–‌র কী কাজ, সেটা তাঁরা বুঝে উঠতেই পারলেন না। জিজ্ঞেস করুন তো, বাঁকুড়া বা মেদিনীপুর লোকসভার মধ্যে কোন কোন বিধানসভা পড়ে?‌ নিশ্চিতভাবেই হোঁচট খাবেন। একটা বিধানসভার কতটা আয়তন, সে সম্পর্কে এঁদের ন্যূনতম ধারনাটুকুও নেই। আগেও ছিল না। এম পি হওয়ার পরেও ন্যূনতম শিক্ষিত হওয়ার চেষ্টা করেননি। হ্যাঁ, যিনি নিজের সাতটা কেন্দ্রের নাম জানেন না, তাঁর ডিগ্রি যতই থাক, তাঁকে মূর্খ ছাড়া কী বলবেন?‌

সুতরাং, দোষটা মিমি বা নুসরতের নয়। লোকসভার গুরুত্ব যে কী, তাঁরা না জানতেই পারেন, কিন্তু যিনি তাঁদের লোকসভায় পাঠাতে চাইছেন, তিনি বোঝেন তো?‌ একটা গল্প আছে। একটি গ্রামে একটি অনুষ্ঠান। বাইরে থেকেকোনও এক শিল্পী এসে গেয়েই যাচ্ছেন, থামার কোনও লক্ষণ নেই। এদিকে দর্শকরা একে একে সবাই বাড়ি চলে যাচ্ছেন। গায়ক তবু গেয়েই চলেছেন। দেখা গেল, একজন লাঠি হাতে মঞ্চের সামনে এসে কাকে যেন খুঁজছেন। এবার গায়ক ভয় পেয়ে গেলেন। গান থামিয়ে দিলেন। তখন লাঠিহাতে সেই ভদ্রলোক তাঁকে আশ্বস্ত করে বললেন, ‘‌ আরে, আপনি থামলেন কেন?‌ আপনি গ্রামের অতিথি, আমি আপনাকে কিছু করব না। আমি তাকে খুঁজছি যে আপনাকে নিয়ে এসেছেন।

লেখা - শৌর্য্য ব্যানার্জী

13/04/2024

নমস্কার,

আশা করি ভাল আছেন। নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই। বড়দের প্রণাম, ছোটদের ভালবাসা। বন্ধু স্বজনদের জন্যও শুভেচ্ছা রইল।

বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী হিসেবে যাদবপুরে লোকসভা ভোটে লড়তে নেমেছি। সাধারণ মানুষের রুজি-রুটির প্রশ্নগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি আমাদের প্রচারে। বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দাঙ্গাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলছি নিরন্তর।

এ লড়াইয়ে আপনার পরামর্শ ও স্নেহ চাই। আমাদের কাছে বেআইনি পথে জোটানো টাকার পাহাড় নেই। আমাদের আছেন আপনি, আপনারা। বামপন্থীদের প্রচার ও কাজে কোন বিষয়গুলি উঠে এলে ভাল হয়, সে সম্বন্ধে আপনার পরামর্শ আমাদের সমৃদ্ধ করবে।

ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
দেখা হবে।

-আপনাদের সৃজন।

01/04/2024

একদিন বাঘকে গাধা বলল, " ঘাসের রঙ নীল"।
বাঘ বলল, "না, ঘাসের রঙ সবুজ"।
দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি লেগে গেল। দুজনেই নিজেদের অবস্থান থেকে নড়তে নারাজ। শেষে বিতর্কের নিষ্পত্তি করতে তারা দুজনে গেল অরণ্যের রাজা, সিংহের দরবারে।

গিয়েই গাধা চিৎকার করতে শুরু করে দিল। বাঘকে কথা বলার সুযোগই দিল না। শেষে গাধা বলল, "মহারাজ, ঘাসের রঙ নীল। তাই নয় কি"? সিংহ বললেন, "হ্যাঁ, ঘাসের রঙ অবশ্যই নীল"।

গাধা বলল, "এই সত্যটা বাঘ মানতে নারাজ মহারাজ। ওকে উচিত শাস্তি দেয়া হোক"। রাজা ঘোষণা করলেন, "বাঘকে এক বৎসরের কারাদণ্ড দেয়া হল"।

গাধা আনন্দে আত্মহারা হয়ে সারা অরণ্য জুড়ে বলে বেড়াতে লাগল যে তার জন্যই বাঘের কারাদণ্ড হয়েছে"।

ওদিকে বাঘ সিংহের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করল, "মহারাজ, ঘাসের রঙ তো সবুজ, তাই নয় কি"? রাজা বললেন, "হ্যাঁ, ঘাসের রঙ সবুজ"। বাঘ জানতে চাইল, "তবে আমার কারাদণ্ডের আদেশ দিলেন কেন"?

রাজা বললেন, "ঘাসের রঙ নীল না সবুজ তা বলার জন্য তোমার শাস্তি হয়নি। তোমার শাস্তি হয়েছে গাধার সঙ্গে তর্ক করে আমার মহামূল্য সময় নষ্ট করার জন্য। তোমার মতো বুদ্ধিমান প্রাণী যদি এমন কাজ করে তবে বাকিরা কি শিখবে"?

গল্পের নীতি শিক্ষা: এটা ২০২৪, একবিংশ শতাব্দী। কোনো গাধার সঙ্গে তর্কে না জড়িয়ে, নিজের বুদ্ধি বিবেচনা প্রয়োগ করে, সঠিক প্রার্থীকে ভোট দিন। নচেৎ আগামী ৫ বছরের জন্য আপনার আমার কারাবাস অবশ্যম্ভাবী।

Address

Bhagalpur
881234

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bread Pvt. ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bread Pvt. ltd:

Share