26/06/2024
এই যে আপনারা যারা হোমমেড কেকের দাম শুনেই ভৌ দৌড় দেন আর বেকারির কেকের সাথে তুলনা করেন
এবং বলেন, বেকারি কেকের দাম তো কম আপনাদের দাম বেশি 😒এই টুকু কেকে কি এমন দেই? তাদের বলি আমরা স্পেশাল অনেক কিছুই দেই যা বেকারির কেক গুলোতে দেয় না।
আমরা সবার প্রথম যা দেই তা হচ্ছে ফ্রেশ কেক আলহামদুলিল্লাহ 🥰🥰 যার ভেতর কোনো পিঁপড়ার বাসা বা কোনো পোকামাকড় পাওয়ার চান্স নেই ইনশাআল্লাহ। 🤲
এরপর আসি স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই, আমাদের কাছে থেকে কেক নিতে পারেন নিশ্চিন্তে ❤️ আমরা বিভিন্ন ফুডগ্রেড কালার ব্যবহার করি তেমন স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই বললেই চলে।
আমাদের কেক ৬ মাসের শিশু থেকে ৬০ বছরের বয়স্কদের জন্য খাওয়ার যোগ্য ইনশাআল্লাহ।
যা আপনারা যেকোনো নামি দামি বেকারির কেকেও পাবেন না।
আমি এমন এক আপুকে চিনি যিনি নিজেও একজন বেকার তিনি এক কেক শপ থেকে কেক খেতে গিয়ে প্রথম বাইট দেওয়ার পরেই কেকের ভিতর থেকে মরা পিঁপড়ার🤮🤮 বাসা বেড় হয়ে এসেছে। তখন এটা কর্তৃপহ্মেকে জানানোর পরে এরা বলছে প্রিমিক্স দিয়ে কেক বানানো তাই এমন। আসলে সত্যি কথা বলতে উনারা জানেই না কবে কেক ডেকোরেশন করে রেখেছে।
দোকানের কেক গুলোতে নিজেরা নিজেদের ইচ্ছে মতো ডেট বসাতে পারে। এটা কিন্তু একজন মাজিস্ট্রেট কিছুদিন আগে ধরেছেন,এই ভিডিও ভারাল হয়েছিল।
কারণ এইসব কেকশপ গুলোতে নিম্নমানের কমদামি কেক কিনে এনে এরপর নিজেদের ট্যাগ লাগিয়ে চড়া দামে সেল করে।কিন্তু আপনারা তো নাছোড়বান্দা দাম দিয়ে হোমমেড খাবেন না, আপনারা সেই পঁচা বাসি কেক গুলো খাবেন কমদামি কেক বলে কথা।
আমি শুধু ছবি দিলাম আপনারা চাইলে Cakey Bakey পেইজে দেখে আসতে পারেন ঘটনা কতটুকু সত্যি।
এখন পছন্দ আপনাদের আপনারা কি খাবেন, আমাদের দ্বায়িত্ব একজন সুনাগরিক হিসেবে আপনাদের সচেতন করা আমরা তাই চেষ্টা করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্টটি পড়ার জন্য।