Sylhet Vally

Sylhet Vally আপনাকে ধন্যবাদ

ওরেঞ্জ এসেন্স (ফ্লেভার) কেক খেতে বাচ্চারা খুব ভালোবাসে। চলুন জেনে নিই এমন একটি কেক রেসিপি যা কেবল বাচ্চারা নয়, বড়দেরও ভা...
21/12/2021

ওরেঞ্জ এসেন্স (ফ্লেভার)
কেক খেতে বাচ্চারা খুব ভালোবাসে। চলুন জেনে নিই এমন একটি কেক রেসিপি যা কেবল বাচ্চারা নয়, বড়দেরও ভালো লাগবে।

উপকরণ
(১) ময়দা -পৌনে ২ কাপ
বেইকিং পাউডার - দেড় চা চামচ
নরম মাখন- ১২৫ গ্রাম
চিনি - ১ কাপ (গুঁড়ো করা )
ডিম -৩ টি
ভ্যানিলা এসেন্স - ১ চা চামচ
কমলার রস -আধা কাপ
কমলার খোসা গ্রেট করা - ১ চা চামচ
অরেঞ্জ ফুড কালার - ১ চিমটি

(২) বাটার ক্রিম
নরম মাখন -১০০ গ্রাম
আইসিং সুগার -দেড় কাপ (চেলে নেয়া )
অরেঞ্জ এসেন্স - আধা চা চামচ থেকেও কম (ভ্যানিলা এসেন্স ও দেয়া যাবে )
ঠান্ডা তরল দুধ - ২ টেবিল চামচ (দুধ এর পরিবর্তে কমলার রসও ব্যবহার করা যাবে )

প্রণালী

-ইলেকট্রিক ওভেন ১৮০ ডিগ্রীতে প্রি হিট করতে হবে। কাপ কেকের প্যানে প্রতিটা কাপের মধ্যে কাগজের কাপকেক লাইনার/কাপকেক পেপার রাখতে হবে।
-ময়দা ও বেকিং পাউডার একসাথে চেলে নিতে হবে।
-একটা বড় বাটিতে মাখন ও চিনি দিয়ে বিট করতে হবে ৩-৪ মিনিট ,মাখন এর মিশ্রন কিছুটা ক্রীমি হয়ে আসলে ,একটা করে ডিম দিতে হবে আর বিট করতে হবে। ৩ টি ডিম দেয়া শেষ হলে ভ্যানিলা এসেন্স, অরেঞ্জ ফুড কালার ও কমলার খোসা দিয়ে ১ মিনিট বিট করে মিশাতে হবে। এখন বিটার সরিয়ে ফেলতে হবে। বাকি কাজটা হুইস্ক অথবা স্পেচুলা দিয়ে করতে হবে।
-মাখন ডিম এর মিশ্রনে, প্রথমে চেলে রাখা ময়দার অর্ধেক ছড়িয়ে দিয়ে হুইস্ক দিয়ে মেশাতে হবে। ময়দা মিশে গেলে আধা কাপ কমলার রস দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে। তারপর আবার বাকি ময়দা দিয়ে হালকা ভাবে ,ভালো করে মিশাতে হবে যেন ময়দা ভালো ভাবে মিশে যায় এবং কোনো দানা না থাকে। ময়দা মিশানোর সময় খুব জোরে ফেটা যাবে না।
-এখন কাপকেকের প্যানে রাখা লাইনারের মধ্যে চামচ দিয়ে কেকের মিশ্রন অল্প অল্প করে সব গুলো লাইনারে দিতে হবে। একদম ভরে দেয়া যাবে না। ৪ ভাগ এর ৩ ভাগ ভরতে হবে ,আর এক ভাগ খালি রাখতে হবে।
-প্রি হিট করা ওভেন এর মাঝের তাকে কেকের এর প্যান রেখে ২০-২৫ মিনিট বেক করতে হবে। উপরে হালকা সোনালী রং হলেই নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। মাঝারি সাইজের ১৮-২০ টি কাপকেক হবে।
-বাটার ক্রিম এর সব উপকরণ একটা বাটিতে নিয়ে বিটার দিয়ে খুব ভালো ভাবে ৭-৮ মিনিট বিট করলেই বাটার ক্রিম তৈরী।
-কেক গুলো ঠান্ডা হলে ,প্রতিটা কেকের এর মাঝের অংশ একটা ছুরি দিয়ে গোল করে কেটে তুলে ফেলতে হবে। এখন গোল করে কাটা অংশ গুলোর প্রতিটাকে কেটে আবার দুই ভাগ করে নিতে হবে। কাটা অংশ গুলো দেখতে ছোট অর্ধ চন্দ্রের মত শেপ হবে। এই গুলি হবে প্রজাপতির ডানা।
-এখন পাইপিং ব্যাগে যে কোনো ডিজাইন এর নজেল লাগিয়ে নিয়ে ,এর মধ্যে বাটার ক্রিম ভরে নিন। তারপর কেকের মাঝে ফাঁকা জায়গায় ক্রিম দিয়ে ডিজাইন করে ঢেকে দিন।
-এখন যে গোল অংশগুলোকে দুই ভাগ করে কাটা হয়েছিল ,সেই দুই ভাগ কেকেএর টুকরাকে কেকে এ লাগানো ক্রিম এর ঠিক উপরে উল্টা করে পাশাপাশি বসিয়ে দিতে হবে। বাঁকা দিক দুইটা পাশাপাশি থাকবে। হয়ে গেল প্রজাপতির ডানা। এখন চাইলে প্রজাপতির দুই ডানার মাঝে একটু লম্বা করে ক্রিম দিয়ে দেয়া যায়।
-তৈরী হয়ে গেল মজাদার অরেঞ্জ বাটারফ্লাই কাপকেক। দেখতেও অনেক সুন্দর এবং খেতেও অনেক সুস্বাদু।

চকলেট কেক তৈরির পারফেক্ট রেসিপিআজ থাকছে আপনাদের জন্য মজাদার বাটার দিয়ে তৈরি চকলেট কেক রেসিপি । চলুন জেনে নেই কিভাবে বানা...
21/12/2021

চকলেট কেক তৈরির পারফেক্ট রেসিপি
আজ থাকছে আপনাদের জন্য মজাদার বাটার দিয়ে তৈরি চকলেট কেক রেসিপি । চলুন জেনে নেই কিভাবে বানাবেন ঘরোয়া উপায়ে চকলেট কেক ।

উপকরণঃ

- ময়দা ১-১/২ কাপ,
- তেল ১ কাপ,
- ডিম ৪টা,
- চিনি ১ কাপ,
- বেকিং পাওডার ১ চা চামচ,
- কোকো পাওডার হাফ কাপ,
- ভেনিলা এসেন্স ১ চা চামচ,
- চকলেট এসেন্স হাফ চা চামচ,
- দুধ হাফ কাপ ( হালকা গরম)।

প্রনালীঃ

– ডিমের কুসুম আলাদা করে সাদা অংশটা কে প্রথমে বিট করে নিতে হবে। ফোম ফোম হয়ে আসলে কুসুম গুলা একটা একটা করে দিয়ে দিতে হবে।

– তারপর অল্প অল্প করে চিনি মেশাতে হবে। চিনি সম্পুর্ন ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স, চকলেট এসেন্স আর তেল মিশাতে হবে।

– এখন শুকনা উপকরনগুলাকে আলাদা করে চেলে নিতে হবে। তারপর ডিমের মিশ্রনে অল্প অল্প করে হাতে মিশাতে হবে বিটার দিয়ে না।

– সব কিছু মিশানো হয়ে গেলে হাফ কাপ দুধ দিয়ে ভাল করে আস্তে আস্তে আবার দুধকে মিক্সড করে নিতে হবে।

– ওভেন ১৫ মিনিট ২০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় প্রি-হিট করে নিতে হবে। তারপর ১৮০ ডিগ্রি দিয়ে ১৫ মিনিট বেক করতে হবে। ১৫ মিনিট পর একটা কাঠি দিয়ে চেক করে নিতে হবে। যদি না হয় তাহলে আরো কিছু সময় ওভেনে রেখে নামিয়ে ফেলতে হবে।

– ১০ মিনিট পর ঠান্ডা করে মোল্ড থেকে কেক নামিয়ে বাটার ক্রিম দিয়ে ইচ্ছা মত ডেকোরেশন করে পরিবেশন করুন দারুন মজার এই চকলেট কেক।

ভ্যানিলা / ভ্যানিলিন এর সুবিধা কী?ভ্যানিলা এর বৈজ্ঞানিক নাম ভ্যানিলা প্ল্যানিফোলিয়া এবং এর ইংরেজি নাম ভ্যানিলা। এই bষধি...
21/12/2021

ভ্যানিলা / ভ্যানিলিন এর সুবিধা কী?
ভ্যানিলা এর বৈজ্ঞানিক নাম ভ্যানিলা প্ল্যানিফোলিয়া এবং এর ইংরেজি নাম ভ্যানিলা। এই bষধিটি অর্কিডেসিয়া (অর্কিড) পরিবারের অন্তর্গত এবং অনেক গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশে জন্মায়। এর জন্মভূমিটি মেক্সিকো, জাভা, অ্যান্টিলিস এবং মাদাগাস্তারের দ্বীপপুঞ্জ হিসাবে অনুমান করা হয়। এটি বিশ্বের জাফরান গাছগুলির পরে সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক মূল্যবান উদ্ভিদ।

প্রাচীন উদ্ভিদে মেক্সিকান স্থানীয়দের দ্বারা ধূপ হিসাবে ব্যবহৃত এই উদ্ভিদ সময়ের সাথে সাথে মূল্যবান পুষ্টিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় 150 টি প্রজাতি রয়েছে এবং বাণিজ্যিকভাবে ভ্যানিলা প্রকারের নাম হ'ল বোর্বান, তাহিতি এবং ভারতীয় ভ্যানিলা।

প্রথমত, ভ্যানিলা খুব শক্তিশালী medicষধি প্রভাব দেয় না। তবে এটি স্নায়ুতন্ত্র এবং পেটে তার উদ্দীপক প্রভাব এবং এর সুগন্ধযুক্ত গন্ধের কারণে এর শিথিল প্রভাব সম্পর্কে উল্লেখ করা যেতে পারে। কিছু উত্সে, স্ট্রেস এবং হতাশার বিরুদ্ধে ইতিবাচক প্রভাব, হজমের সহজলভ্যতা, পেটের অসুস্থতার জন্য ভাল, অ্যান্টিপাইরেটিক প্রভাব, কাশির বিরুদ্ধে প্রভাবের মতো প্রভাব উল্লেখ করা হয়েছে।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি আপনার খাদ্যতালিকাগুলির ভুল পছন্দ ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার নিদর্শনগুলির ফলে আপনার শরীরে ফ্রি র‌্যাডিকাল বা ক্ষতিকারক টক্সিনগুলি নির্মূল করে। ভ্যানিলা অপরিহার্য তেল একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলগুলির প্রভাবটিকে চূড়ান্তভাবে নির্মূল করে, শেষ পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করে elim অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার প্রক্রিয়াটি আপনার কোষ এবং জীবন্ত টিস্যুর ক্ষতি হ্রাস করতে সহায়তা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির সাহায্যে, আপনি নিজের দেহকে নিজে মেরামত করার ক্ষমতা বাড়াতে এবং নির্দিষ্ট কিছু রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারেন।
পিসিএটি মাসিক বিলম্ব এবং ব্যথার জন্য এক হাজার উপকার সরবরাহ করে যা মহিলাদের ভীতিজনক স্বপ্ন। ট্রান্সপন্ডারে বিক্রি হওয়া ভ্যানিলা প্লান্ট থেকে 100 গ্রাম জলে সিদ্ধ করে পান করুন। ভ্যানিলা চা বার্ষিকী নিয়ন্ত্রণ করে, প্রচন্ড ব্যথা উপশম করে।

ফুড কালারবাড়িতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ২টি ফুড কালার তৈরির পদ্ধতিবিভিন্ন খাবার ও ডেজার্ট আইটেম এর সব সময় ফুড কালা...
21/12/2021

ফুড কালার
বাড়িতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ২টি ফুড কালার তৈরির পদ্ধতি

বিভিন্ন খাবার ও ডেজার্ট আইটেম এর সব সময় ফুড কালার ব্যবহার করে থাকি। পোলাও, সবজির আইটেম, পুডিং, কেক, জর্দা, পায়েস ইত্যাদিতে। আর এই জন্য বাজার থেকে কিনে আনতে হয় এই ফুড কালার। তবে বাজার থেকে কেনা ফুড কালার কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তাই ঘরে বসে খুব সহজে ফুড কালার তৈরি করতে পারেন। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে আর দেরি নয়, এখনই চলুন জেনে নেয়া যাক দুই ধরনের ফুড কালার তৈরীর পদ্ধতি-

আরো পড়ুনঃ সন্ধ্যাবেলার ব্যায়াম শরীরের জন্য বেশি উপকারী!

১. যা যা লাগবেঃ

- বিটরুট চারটি

যেভাবে তৈরি করবেনঃ প্রথমে বিটরুট গুলো খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ধোয়া হয়ে গেলে ছোট ছোট করে কুচি করে নিন। এবার একটি স্টিলের প্লেট এর রোদে শুকিয়ে নিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে আবারো ব্লেড করে নিন। ব্যাস হয়ে গেল ঘরে তৈরি ফুড কালার।

২. যা যা লাগবেঃ

- গাজর ৪-৬ টি।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে গাজরগুলো খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ধোয়া হয়ে গেলে ছোট ছোট করে কুচি করে নিন। এবার একটি স্টিলের প্লেট এর রোদে শুকিয়ে নিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে আবারো ব্লেড করে নিন। ব্যাস হয়ে গেল ঘরে তৈরি ফুড কালার।

আরো পড়ুনঃ কাঁচা হলুদ এবং মধু খেলে কি কি উপকার পাবেন জেনে নিন

সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ মুখ বন্ধ বায়ামে অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন। চাইলে ফ্রিজে রেখে ও প্রয়োজনমতো খাবারে ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারের আগে পানিতে গুলে নিন।

কোকো পাউডার রেসিপিপ্রো এর মত চিন্তা করুনজেমস দাড়ি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্যাস্ট্রি শেফ ডোমিনিক অ্যানসেল তার প্রথম অনলাইন ক্লা...
20/12/2021

কোকো পাউডার রেসিপি
প্রো এর মত চিন্তা করুন
জেমস দাড়ি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্যাস্ট্রি শেফ ডোমিনিক অ্যানসেল তার প্রথম অনলাইন ক্লাসে সুস্বাদু পেস্ট্রি এবং মিষ্টি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কৌশলগুলি শেখায়।

ক্লাস দেখুন
ঘরে তৈরি হট কোকো বা হট চকোলেট রেসিপি । হ্যাঁ, একটি পার্থক্য আছে! গরম কোকো ঠিক কোকো পাউডার থেকে তৈরি করা হয়, যেখানে গরম চকোলেট (দুজনের মধ্যে আরও সমৃদ্ধ) গলিত চকোলেট এবং কোকো পাউডার মাত্র একটি ড্যাশ দিয়ে তৈরি করা হয়। গরম কোকো জন্য সেরা কোকো পাউডার ডাচ প্রক্রিয়াজাত হয়, একটি স্বাদযুক্ত, মিষ্টি কাপ জন্য তৈরি। একটি ব্যাচ তৈরি করতে, কাপ কাপ কোকো পাউডারটি ½ কাপ গুঁড়ো চিনি এবং এক টুকরো লবণের সাথে মিশ্রিত করুন। এক কাপতে 4 কাপ দুধ আনুন, তারপরে আলতো করে শুকনো মিশ্রণটি সিল্কি এবং সমানভাবে সংযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত। মার্শমালো বা হুইপড ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন!
কোকো কলা রুটি রেসিপি । চকোলেট চিপসের চেয়ে কম দৃষ্টিনন্দন এমন একটি উত্কৃষ্ট চকোলেট সূক্ষ্মতার জন্য আপনার প্রিয় কলা রুটির রেসিপিটিতে কাপের প্রাকৃতিক আনসবিটিনযুক্ত কোকো পাউডার যুক্ত করুন।
ক্যাকো পাউডার স্মুথির রেসিপি । কাঁচা ক্যাকো'র ঘাতক গন্ধ এবং মেজাজ-উত্সাহিত সুবিধাগুলির সদ্ব্যবহার করুন এবং হিমায়িত কলা, বাদামের মাখন এবং একটি ব্লেন্ডারে একটি চামচ বা দু'টি মিশ্রণ করুন and কাজু দুধ ।
শেফ ডোমিনিক আনসেলের চকোলেট কেক রেসিপি । শেফ ডোমিনিকের সুনির্দিষ্ট চকোলেট কেকটি দেখার জন্য আশ্চর্য — এবং আপনার পরবর্তী ডিনার পার্টিতে শোস্টোপার হিসাবে ব্যবহার করার জন্য একটি দুর্দান্ত কেক তৈরি করবে। তার চকোলেট কেকের রেসিপিটি এখানে সন্ধান করুন

আজকে আমি বেসিক ইস্ট ডো নিয়ে আলোচনা করবো. সাথে একটা Nutella rose bread'র রেসিপি ফ্রি!  হাহাহাহা! বেসিক ইস্ট ডো বিভিন্ন ধর...
20/12/2021

আজকে আমি বেসিক ইস্ট ডো নিয়ে আলোচনা করবো. সাথে একটা Nutella rose bread'র রেসিপি ফ্রি! হাহাহাহা! বেসিক ইস্ট ডো বিভিন্ন ধরনের বান ,ব্রেড,স্টাফড ব্রেড বা বান ,স্যাভরি এবং সুইট সব ধরনের ব্রেড বা বান যেমন চিকেন বন থেকে শুরু করে বাটার বান ,দেশি স্টাইল পিজ্জা থেকে সিনামন রোলস ,মোটামুটি সব ক্ষেত্রে প্রজোয্য ডো আর এ ব্যাপারে টেক্নিক গুলো নিয়ে আলোচনা করব.
বেসিক ইস্ট ডো বলা হচ্ছে কারন এই ডো গুলো ইস্টের মাধ্যমে ফারমেন্ট করে করা হয়ে থাকে. প্রথমে আলোচনা করা যাক ইস্ট নিয়ে.

ইস্ট একধরনের ছত্রাক যা গরমে এক্টিভেটেড হয় বা কাজ করে. তাই ইস্ট দিয়ে তৈরী রেসিপিতে দেখা যায় ডো প্রস্তুত করার সময় হালকা গরম পানি এবং ডো বা খামির টাকে বন্ধ বক্সে রেখে গরম কোন জায়গায় রাখার কথা বলা হয় যাতে খামির টা ফুলে উঠে আয়তনে দ্বিগুন হয়ে যায়. এই দ্বিগুন করে ফুলে উঠানোর কাজ করে এই ইস্ট .
ইস্ট ব্যাবহারের কিছু বেসিক জানতে হবে;

১. ইস্টের জন্য গরম পানি বা লিকুইড দরকার হলেও তা যেনো কখনো আগুন গরম না হয় বা খুব বেশি গরম না হয়. খুব গরম পানিতে ইস্ট মরে যায় ফলে আর কাজ করতে পারবে না.
এখন একদম ঠান্ডা বা রুম টেম্পেরেচারের পানি বা লিকুইডেও ইস্ট রাইজ করবে না. কোন কাজই করবে না.
তাই সব সময় হালকা গরম পানি ব্যাবহার করতে হবে.
২. লবন ইস্টের শত্রু.লবনের সংস্পর্সে আসার সাথে সাথে যেমন ইস্ট মরে যায়, ঠিক তেমনি মিষ্টি জাতীয় জিনিষের সংস্পর্শে ইস্ট দ্রুত কাজ করতে পারে .
তাই ডো টা করার সময় লবনের সরাসরি সংস্পর্শে যেনো ইস্ট না আসে. আবার ডোতে তাই কিছু চিনি বা অন্য কোন মিষ্টি (যেমন মধু) উপাদান থাকে.
সরাসরি সংস্পর্শ এড়ানোর জন্য ময়দার সাথে প্রথমেই লবন মিশিয়ে নেয়া ভাল.

৩. বর্তমানে মোটামুটি সবাই ইন্সট্যান্ট ড্রাই ইস্ট ব্যাবহার করি. তাই আলাদা করে ইস্ট কাজ করে কিনা ,তা পরীক্ষার দরকার নেই. সরাসরি ব্যাবহার করা হয়.
তবে যদি ড্রাই ইন্সট্যান্ট ইস্ট না হয় তবে সরাসরি ময়দার সাথে না মিশিয়ে আলাদা করে এক্টিভেইট করতে হয়.
এক্ষেত্রে একটি পাত্রে অল্প হালকা গরম পানি ,চিনি আর ইস্ট মিশিয়ে ঢেকে রাখতে হবে. গরম কোন জায়গায় রাখলে ভাল.১০-১৫ পরে ফুলে উঠলে বুঝতে হবে ,ইস্ট কাজ করছে.
যে ক্ষেত্রে, যেমন ইস্ট পুরোনো হয়ে গেলে ,কাজ করছে কিনা বলে সন্দেহ থাকলে এই টেস্ট করে নিশ্চিত হওয়া যায়.

৪ . আগেই বলেছি,পুরোনো ইস্টের কার্য ক্ষমতা কমতে থাকে . তাই খুব বেশি পুরোনো ইস্ট ব্যাবহার না করাই ভাল.

আমি যেই ডো এর রেসিপি দিব তা আসলে রিচ ডো মানে ময়দা,চিনি,লবন আর ফ্যাট ছাড়াও এই ডো টা ডিম,কিছু বাড়তি ফ্যাট এবং ডেইরি, যেমন দুধের কারনে রিচ.
যেকোন ব্রেড ,বান তৈরীর সময় পর্যায়গুলো মাথায় রাখা দরকার.

১. মিক্সিং (mixing): সব উপকরন সুন্দর ভাবে,দরকারি জিনিষ গুলো মাথায় রেখে মিক্স করা উচিত. যেমন লবন যেন সরাসরি ইস্টের সংস্পর্শে না আসে ,ইস্টের খাদ্য চিনি ব্যাবহার করা. ড্রাই ইন্সট্যান্ট ইস্ট না হলে বা পুরোনো ইস্ট নিয়ে সন্দেহ থাকলে আগে ইস্ট এক্টিভেইট করে নেয়া,খুব গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যাবহার না করা ইত্যাদি. সব উপকরন সুন্দর ভাবে মিক্স করে নেয়াটা জরুরি.
ব্রেড ,বানের জন্য করা ডো বা খামির যেনো নরম হয়. শক্ত খামির এর রুটি শক্ত হয়. নরম বলতে কিন্তু একদম স্টিকি তেমন নয়. মাঝারি নরম.

২. নিডিং(kneading) বা মথে নেয়া: খুবই জরুরি. সব উপকরন মিক্স করে নিয়ে কম্পক্ষে ১২-১৫মিনিট মথে নিলে সব চেয়ে ভাল. যত ভাল মথা হবে তত নরম ব্রেড বা বান.
কখন বুঝবেন ,ভাল মথা হয়েছে? ডো টা বেশ চকচকে ,নরম লাগবে. আংুলের ডগা দিয়ে হালকা চাপ দিলে জায়গাটা বসে গিয়ে আবার ফিরে আসবে.যেটাকে ইংরেজিতে বলে spring back.

৩. প্রুফিং (proofing): খামির বা ডোয়ের বলটাকে হালকা তেল মাখিয়ে একটা গ্রিজড মানে তেল মাখানো এয়ার টাইট বক্সে করে দিগুন হয়ে ফুলে উঠার জন্য কিছুটা গরম জায়গায় রাখা হয়. একে বেকিংয়ের ভাষায় বিকে প্রুফিং.
খুব বেশি গরম জায়গায় রাখলে কিন্তু ইস্ট মরে যাবে. তাই ইংরেজিতে যাক বলে warm,এমন তাপ্নাত্রায় রাখলে ভাল.
রান্নাঘরে চুলার কাছাকাছি রাখা যেতে পারে কিন্তু তাপ যেনো সরাসরি না লাগে.
শীতের দিনে , ফুলে উঠতে সময় লাগে. গরমে দিনে যেখানে ১ ঘন্টাতেই ফুলে উঠে, সেখানে শীতের দিনে ২/৩ ঘন্টাও লাগতে পারে.
কোন সময় ওভার প্রুফিং করবেন না. এতে একটা ইস্টের গন্ধ আসে এবং রুটি ,বান,বা ব্রেড খুব ডেন্সড হয়. হালকা ব্যাপারটা থাকে না.

৪. পাঞ্চিং ডাউন ( punch down):
প্রুফিং হয়ে গেলে হাতের মুঠি দিয়ে হালকা হালকা পাঞ্চ করে ভিতরের সব বাতাস বের করে ফেলতে হয়. তাতে বান বা ব্রেডের টেক্সচার ভালো হয়,ক্লোজড ক্রাম্ব হয়. মানে বড় বড় ফুটো থাকে না. খুব মসৃন, সমান হয়.
যদিও সব রুটির বেলায় পাঞ্চিং মেথড প্রজোয্য নয়. যেমন,Ciabatta, foccacia এই রুটি গুলোর টেক্সচার হলো বড় বড় হোল বা ফুটো থাক্তে হয়, সেই সব ব্রেড এর ক্ষেত্রে ফোল্ডিং মেথড প্রজোয্য. যাক এটা এখনকার সাথে সম্পৃক্ত নয়.
আমাদের দরকার পাঞ্চ ডাউন করে সব বাতাস বের করে ফেলা.

৫. শেইপিং (shaping): পছন্দ মত শেইপ করে নিন.

৬. সেকেন্ড প্রুফিং (second proofing): শেইপ করা হয়ে গেলে বেইক করার ট্রেতে বেইক এর জন্য সাজিয়ে বেইক না করে আবার ঢেকে রেখে ,দ্বিতীয়বার ফুলে উঠার জন্য রাখা হয়. একে বলে সেকেন্ড প্রুফিং.
কতক্ষন রাখা হবে? ২০-২৫ মিনিট .এর বেশি নয়. এরপরই বেইক করতে হবে.
কেন সেকেন্ড প্রুফিং? এতে ভলিউম যেমন বেশি হয় ,তেমনি,টেক্সচার খুব ভাল আসে ,ফ্লেভার ইম্প্রুভ করে. খেয়াল রাখতে হবে ওভার প্রুফিং যেনো না হয়.

৭.বেইকিং(baking): এখন বেইক করুন. ব্রেড বা বান বেশি তাপ্নাত্রায় অল্প সময় বেইক করুন. যত বেশি বেইক করবেন, তত শক্ত এবং টাইট হয়ে যাবে.
সাধারনত ৩৮৫-৪০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে বেইক করা হয়ে থাকে.
আবারও বলছি,ওভারবেইক করবেন না. ব্রেডের সুন্দর গন্ধ বের হলেই বুঝবেন ব্রেড প্রায় তৈরী.

বেসিক ইস্ট ডো :

২ এবং ১/৪ কাপ ময়দা
২ চা চামচ ইস্ট
২ চা চামচ চিনি
১ চা চামচ লবন
১ টেবিল চামচ পাউডার মিল্ক
১ টা ফেটানো ডিম
৪ টেবিল চামচ তেল+ নরম বাটার বা ঘি (৩ টেবিল চামচ তেল+১ টেবিল চামচ নরম মাখন বা ঘি)
২/৩ থেকে ৩/৪ কাপ হালকা গরম তরল দুধ বা দুধ এবং পানি মিশানো

অন্যান্য উপকরণ :
ডিমের কুসুম এর সাথে ১ চা চামচ দুধ মিশিয়ে রাখা (এগ ওয়াশের জন্য)
কিছু তেল

প্রনালী :

১. সব উপকরন একসাথে মিশিয়ে একটা মাঝারি নরম ডো তৈরী করুন.লিকুইড একবারে ঢালবেন না. কম বেশি লাগতে পারে.

২. ভালভাবে ১০-১৫ মিনিট মথুন.

৩. একটা বল বানিয়ে ,হালকা তেল মাখিয়ে একটা তেল মাখানো এয়ার টাইট বক্সে করে গরম জায়গায় দ্বিগুন হয়ে ফোলার জন্য রাখুন.

৪. দ্বিগুন হয়ে ফুলে উঠলে হাতের মুঠি দিয়ে হালকা ভাবে পাঞ্চ করে করে সব বাতাস বের করে ফেলুন.

আমি আজকে Nutella rose bread এর রেসিপি দিচ্ছি এই জন্য,

১) ছোট ছোট অনেক গুলো বল করুন. বড় থেকে ছোট এভাবে ৪ টা বেলে নিন. সব গুলোর উপর নুটেলা স্প্রেড করুন. কেউ সিনামন স্পাইস পছন্দ করলে ছড়িয়ে দিতে পারেন. বড় থেকে ছোট প্রত্যেকটি একটি আরেকটার মাঝে বরাবর রেখে রোল করে নিন. মাঝ বরাবর কেটে অর্ধেক করুন. দুটো গোলাপ হবে.
আমি এই গোলাপ এর টিউটরিয়াল ভিডিওর লিনক দিচ্ছি.

২. এরকম ৮-৯টা গোলাপ করেন. কোন গোল প্যানে গ্রিজ করে পার্চমেন্ট পেপার বিছিয়ে নিন. গোলাপ গুলো একটু দুরে দুরে রাখুন. সেকেন্ড প্রুফিংের জন্য ফুলে উঠলে আপনা আপনি লেগে যাবে. ব্রেড গুলোর উপরে ডিমের ফেটানো কুসুম ব্রাশ করে দিন.

৩. সেকেন্ড প্রুফিংয়ের জন্য ২০-২৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন.

৪. অভেন এই সময় ৩৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে প্রিহিট হতে দিন.

৫. ২০-২৫ মিনিট বেইক করুন. ওভার বেইক করবেন না.

৬. বেইক হবার সাথে সাথে বাটার ব্রাশ করে ক্লিং ফিল্ম বা প্লাস্টিক দিয়ে প্যানটা ঢেকে রেখে দিন. কমপক্ষে আধা ঘন্টা. এতে ময়েশ্চার লক হয়ে ব্রেড গুলো ময়েস্ট থাকবে.

19/12/2021
14/10/2021

দুশ্চিন্তা দূর করার
এক নাম্বার উপায় হল
নিজেকে ব্যাস্ত রাখুন।
চাণক্য

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet Vally posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sylhet Vally:

Share