08/06/2024
সালাম জানাই, তাকে সত্য বলার জন্য.....
পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমার দাদা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কোনো ভুয়া, জাস্ট সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধা না। প্রকৃতই একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১ম ছবির (পোস্টে) রেজাল্টটা ২০১৭ সালের আমার মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার। সবার বুঝার জন্য বলছি, রেজাল্টের পোস্টে Merit দেয়া। মানে হচ্ছে, আমার চান্সটা হয়েছিল মেধার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, আমি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় Freedom Fighter কোটায় এপ্লাই-ই করিনি, করলে পোস্টে FF লেখা থাকতো। এই কথা বলার কারণ হচ্ছে, এখনও মাঝে মাঝে আমাকে শুনতে হয় আমি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মেডিকেলে চান্স পেয়েছি। যেহেতু এলাকার মোটামুটি সবাই জানে দাদা মুক্তিযোদ্ধা।
পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, নিউজে দেখলাম ২০১৮ সালে যেই কোটা সিস্টেম বাতিল করা হয়েছিল, সেটা আদালত আবার বহাল করার রায় দিয়েছেন। একটা চাকরির পরীক্ষায় ৫৬% শুধু কোটার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে, ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা! ভাবা যায় এটা কি পরিমাণ বৈষম্য!
“একজন মুক্তিযোদ্ধার বংশধর হিসেবে আমি মনে করি, ১৯৭১ সালে এই দেশের মুক্তিযোদ্ধারা একটি বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্যই জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছিল। যেকোনো চাকরি পরীক্ষায়, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় কোন যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য কাউকে সুযোগ দেয়াকে আমি সম্পূর্ণরূপে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী বলে মনে করি।”
তিনি লিখেছেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে মনে প্রাণে চাই, যেকোনো ধরনের কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ বন্ধ হোক, কোটাপ্রথা বাতিল হোক, যোগ্যরাই সব জায়গায় সুযোগ করে নিক।