হঠাৎ তোমার জন্য

হঠাৎ তোমার জন্য Connected with us for special post.

We are trying to giving most important information to the community peoples.That will improve their knowledge.Its the store house of entertainment for all peoples.Stay with us for Entertainment.Thank you.

24/06/2018

যে তোমাকে বুঝতে চায় না, তার কাছে নিজেকে বার বার প্রকাশ করতে যাওয়া উচিৎ না। কারন, তোমার জন্য তার মনে কোনো ভালোবাসা নেই।
_হুমায়ুন আহমেদ

24/06/2018

তুমি যদি না দেখা দাও,
কর আমায় হেলা,
কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা।
~রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর~

02/06/2018

তখনই খুব কষ্ট হয়,
:)
যখন প্রিয় মানুষটা অনলাইনে থাকার পরও মেসেজ Seen করে না, রিপ্লাইও দেয়না। ;)

01/06/2018

ভালবাসা মানে-

আজ পবিত্র শব-ই-মেরাজআজ মহাপবিত্র মহিমান্বিত লাইলাতুল মেরাজ। এ রাতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়...
14/04/2018

আজ পবিত্র শব-ই-মেরাজ
আজ মহাপবিত্র মহিমান্বিত লাইলাতুল মেরাজ। এ রাতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম হযরত জিব্রাঈল আলাহিস্সালামের সঙ্গে পবিত্র কাবা শরীফ হতে ভূমধ্য সাগরের পূর্ব তীর ফিলিস্তিনে অবস্থিত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে সপ্তাকাশের উপর সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে সত্তর হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন।
মে’রাজ শব্দটি আরবি, অর্থ ঊর্ধ্বারোহণ। বড়দাগে এর অর্থ দাঁড়ায়-সপ্তম আসমান, সিদরাতুল মুনতাহা, জান্নাত-জাহান্নাম পরিদর্শন ও ধনুক কিংবা তার চেয়ে কম দূরত্ব পরিমাণ আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য পর্যন্ত ভ্রমণ।
পারিভাষিক অর্থে নবুওয়াতের একাদশ সালের ২৭ রজবের বিশেষ রাতের শেষ প্রহরে হযরত মুহাম্মদ (সা.) হযরত জিব্রাঈলের (আ.) সঙ্গে আল্লাহর নির্দেশে তার খাস রহমতে বায়তুল্লাহ হতে বায়তুল মুক্বাদ্দাস পর্যন্ত ‘বোরাক্বে’ ভ্রমণ, অতঃপর সেখান থেকে অলৌকিক সিঁড়ির মাধ্যমে সপ্ত আসমান পেরিয়ে আরশে আল্লাহর সান্নিধ্যে গমন ও পুনরায় বায়তুল মুক্বাদ্দাস হয়ে বোরাক্বে আরোহন করে প্রভাতের আগেই মক্কায় নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তনের ঘটনাকে মে’রাজ বলা হয়।

01/05/2017

মনের বনে বৃষ্টি ভীষণ বৃষ্টি মানে ঝুম
আয় রে আয় আমার চোখের কোনে তুই
হয়ে যা ঘুম
দিন গড়িয়ে সন্ধ্যে ছুঁয়ে রাত … হলো
নিঝুম
আয় রে আমার চোখের কোনে তুই হয়ে
যা ঘুম।
ঢেউ ভোলা ঐ নদীর বুকেও
জল করে থই থই
আমার বুকে আষাঢ় শ্রাবন .. তুই হারালি
কই???
ইচ্ছে করে ভাবতে থাকি আকাশ…আর
কুসুম
আয় রে আমার চোখের কোনে তুই হয়ে
যা ঘুম।
আজকে রাতে উষ্ণ হাতে তুই আমাকে
ছুলে
আরো কিছু ভালো লাগা জুটবে কদম
ফুলে
ইচ্ছে করে ভাবতে থাকি আকাশ…আর
কুসুম
আয় রে আমার চোখের কোনে তুই হয়ে
যা ঘুম
মনের বনে বৃষ্টি ভীষন বৃষ্টি মানে ঝুম
আয় রে আমার চোখের কোনে তুই হয়ে
যা ঘুম
দিন গড়িয়ে সন্ধ্যে ছুঁয়ে রাত … হলো
নিঝুম
আয় রে আমার চোখের কোনে তুই হয়ে
যা ঘুম……।

14/03/2017

আপনি ছ্যাকা খেয়ে
বেকা হয়ে
গেছেন?
:
খুবকষ্ট হয় আপনার?
:
মরে যেতে ইচ্ছে করে?
:
নেশা করেন?
:
লেখা পড়া ছেড়ে
দিয়েছেন?
:
মন খারাপ করে থাকেন?
:
আপনি আপনার
জীবনটা নিয়ে খুব
বোরিং?
:
খুব হতাশাগ্রস্থ
আপনি?
:
জীবনটিকে তিলে
তিলে শেষ
করে দিচ্ছেন?
:
আপনার উত্তর যদি
হ্যাঁ হয়,
:
তবে আপনাকে বলছি।................ তুই ছেলেই হ আর
মেয়েই
হ........... .
:
থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফেলে
দিবো
। :
কি পাইছিস কি?
:
জীবনটাকে দু টাকার
নোট
ভেবেছিস?
:
তুই কি জানিস ,
:
তুই কতটা প্রিয় তোর
বাবার
কাছে?
:
তুই কি জানিস তুই
তোর মায়ের
কাছে
সাত রাজার ধন?
:
তুই কি জানিস একটি
সন্তান জন্ম
হওয়ার
জন্য, মাকে কতটা
ব্যাথা সহ্য
করতে হয়?
:
তুই কি জানিস তোর
মা তোকে
দশ মাস,
দশ দিন গর্ভে ধারণ
করে
রেখেছিলো?
:
কে না কে তোকে ছেড়ে
গেছে,
:
তাতে তুই কষ্ট পাবি?
:
এত মূল্যবান একটা
জীবন নষ্ট করবি?
:
কেনো তুই এত অবুঝ?
:
যে গেছে তো গেছে।
:
ও গেছে আরেকজন
আসবে।
:
এত ভাবিস কেনো? তুই
কি আর
লাইলী-
মজনু শিরি-ফরহাদের
যুগে জন্ম
নিয়েছিস?
:
তুই ডিজিটাল যুগে
এসে যদি এত
বোকামী করিস তবে
রাগ তো
হবেই
আমার?
:
এই জামানায় প্রেমের
শোকের
আয়ু
বড় জোড় কয়েক
সেকেন্ড।
:
এটা এই জামানায় বেঁচে
থাকার মূল
মন্ত্র।
:
আচ্ছা তুই যদি মরে
যাস তবে যে
তোকে ছেড়ে গেছে সে
তো
দূর
থেকে বলবে,
:
বাব্বা বেঁচে গেছি
অল্পের
জন্য। :
আর যদি তুই বড় মানুষ
হোস তবে,
দেখবি
সে দূর থেকে আফসোস
করে
বলবে, :
ইস কেনো যে ওকে
ছেড়ে
এলাম?
কিছু করে দেখাও বস!!!

19/01/2017

কিভাবে যৌন শক্তি বাড়ানো যায়
খেজুর ও খুরমা ঃ
যৌন শক্তির সঙ্গে খোরমা ও খেজুরের
বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ কারনেই
বিবাহ-শাদীতে খোরমা-খেজুর
বিলি করার আদিম রীতি চলে আসছে।
খোরমা খেজুর চুষলে পিপাসা দমন হয়।
অধিকাংশ হালুয়া তৈরীতে এ
কারণেই খোরমা ও খেজুর ব্যাবহার করা
হয়। চিকিতসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন
গ্রন্থেও খোরমা ব্যবহার যৌন শক্তির
জন্য উপকারী বলা হয়েছে। “মা জুনে
আরদে খোরমা” ইউনানী চিকিতসার
একটি প্রসিদ্ধ হালুয়া।
খেজুরের উপকারিতার কথা পূর্বেও
উলেখ করা হয়েছে। প্রসূতির জন্য তাজা
খেজুরের ন্যায় উত্তম খাদ্য আর নেই।
তাজা খেজুর না পাওয়া গেলে শুস্ক
খেজুরই যথেষ্ট।
খেজুরের চেয়ে আর কোন উত্তম জিনিষ
থাকলে আল্লাহ তা’আলা মরিয়াম
(আঃ) কে ঈসা (আঃ) এর জন্মের পর তাই
খাওয়াতেন। কুরআনে কারীমের সূরা
মরইয়মে আল্লাহ তা’আলা হযরত মরইয়ম
(আঃ) কে নির্দেশ দিয়েছেন যে,
খেজুরের ডাল ধরে নাড়া দাও, তুমি
তরতাজা সুপক্ক খেজুর পেয়ে যাবে।
এতে প্রমাণিত হয় যে, প্রসূতির জন্য
খেজুরের চেয়ে উত্তম খাবার
দ্বিতীয়টি আর নেই। হাকীমগন
লিখেছেন, খেজুর খেলে নেফাসের
রক্ত যদ্বারা দেহের ভিতরের আবর্জনা
বের হয়ে যায় -তা অধিক পরিমানে
নির্গত হয় এবং স্ত্রীর স্বভাবে উত্তাপ
সৃষ্টি হয় ও দৈনিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
খেজুর দেহের শিরা কোমল করে এবং
প্রসবের ফলে শিরায় খিচুনির ফলে
“আকটান পেইন” নামক যে ব্যাথা সৃষ্টি
হয় তা দূর করে।মধুঃ-
আবু নাঈম হযরত আয়েশা (রায়িঃ)
থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর
নিকট মধু খুব বেশী প্রিয় ছিল।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের নিকট মধু এ জন্য বেশী
প্রিয়ছিল যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন,
এর মধ্যে মানব জাতির রোগ নিরাময়
রয়েছে। হাকীমগণ মধুর অসংখ্য
উপকারিতা লিপিবদ্ধ করেছেন।
সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা
মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী
পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত
পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়,
পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়,
মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক
তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়,
মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব
স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা
বাড়ায়। প্যারালাইসিসের জন্যও মধু
উপকারী।
মধু এবং দুধ হাজারো রকম ফুল ও দানার
নির্যাস। দুনিয়ার সকল ডাক্তার একত্র
হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলে
কখনোও পারবে না। এটা শুধু মহান
আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি
বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ
উপকারী নির্যাস পয়দা করে
দিয়েছেন।দুধ ঃ-
আবু নাঈম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস
(রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,
রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর কাছে পানীয়
দ্রব্যের মধ্যে দুধ সবচেয়ে বেশী প্রিয়
ছিল।
আলেমগন লিখেন, এর রহস্য হলো এই যে,
দুধ রতিশক্তি সৃষ্টি করে দেহের শুস্কতা
দূর করে এবং দ্রুত হজম হয়ে খাদ্যের
স্থলাভিষিক্ত হয়ে যায়, বীর্য পয়দা
করে, চেহারা লাল বর্ণকরে, দেহের
অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে
দেয় এবং মস্তিস্ক শক্তিশালী করে।রসুন ঃ-
ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী (রহঃ) “জামউল
জাওয়ামে” নামক গ্রন্থে দায়লামী
থেকে একটি বর্ণনা উদৃত করেন যে,
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, হে লোক
সকল! তোমরা রসুন খাও এবং তদ্দারা
চিকিতসা করাও। কারণ, এতে রোগ
নিরাময় হয়।
ডাক্তারদের মতেও রসুনে অনেক
উপকারিতা রয়েছে। রসুন ফোড়া
ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে,
পেশাব জারী/স্বাভাবিক করে,
পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে,
নিস্তেজ লোকদের মধ্যে যৌন ক্ষমতা
সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব
লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও
গ্রন্থর ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা
এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন
করে। তবে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য
অধিক রসুন ব্যাবহার ক্ষতিকর। এই রসুনকে
আবে হায়াত বলেও আখ্যা দেয়া হয়।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কাঁচা রসুন
খেয়ে মসজিদে যেতে নিষেধ
করেছেন।
যাফরান ঃ-
পাকস্থলী, হৃদপিন্ড, ও যকৃতের কার্যমতা
বৃদ্ধি করে। অন্যান্য ঔষধের সঙ্গে
যাফরান মিশ্রণ করলে ঔষধের কার্যমতা
বৃদ্ধি পায়। এটা দারুন রতিবর্ধক। মন-
মস্তিস্ক এবং দৃষ্টি শক্তির জন্যও
যাফরানের জুড়ি নাই।
জয়ফল যত্রিক ও দারুচিনি ঃ-
অত্যাধিক রতিশক্তি বর্ধক। বৃদ্ধদের জন্য
বিশেষভাবে বার্ধক্যে লাঠির কাজ
দেয়। মাংস পেশী ও গিরার ব্যাথায়
উপকার সাধন করে।
লম্বা মরিচ ঃ-
একে ছোট পিপুলও বলা হয়। মস্তিস্কের
শক্তি বর্ধক, পাকস্থলী ও রতিশক্তি বর্ধক,
দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে ও কফের দোষ দূর
করে। পিপুল দুধের সাথে জোশ দিয়ে
পান করা উপকারী।

19/01/2017

দেশি খাঁটি ঘিয়ের বিস্ময়কর
৫ গুণ
অনলাইন ডেস্ক | ১৮ জানুয়ারি ২০১৭,
১৬:৩০
এই শীতে শরীর সুস্থ রাখতে দরকার
পুষ্টিকর খাবার। খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে
বিস্ময়কর কিছু গুণ; যা এই শীতে শরীরের
জন্য দারুণ উপকারী। এটি স্যাচুরেটেড
ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির উৎস। যদিও ঘি
খাওয়ার বিষয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে,
তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘি স্বাস্থ্যের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বর্ণনা করা
হয়েছে।
সর্দি-কাশি সারাতে, দুর্বলতা
কাটাতে, ত্বকের সমস্যা দূর করতে ঘি
ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ঘিয়ে পেঁয়াজ
ভেজে খেলে গলা ব্যথা সারে।
চ্যবনপ্রাশ তৈরির অন্যতম উপকরণ এটি।
‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিকেল
রিসার্চ’ এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন
প্রকাশ করেছে।
ভারতের প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ সন্ধ্যা
গুগনানির মতে, শীতকালই ঘি খাওয়ার
উপযুক্ত সময়। এ সময় এটি সহজে হজম হয় ও
শরীর গরম রাখে। এতে ভিটামিন এ,
ডি, ই ও কে আছে।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার
পাশাপাশি পেশি সুগঠিত রাখতে ঘি
কার্যকর। এ ছাড়া শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে
যাওয়া ঠেকাতে পারে ঘি।
প্রতিদিন সকালে এক বা দুই চা-চামচ
ঘি খাওয়া যেতে পারে। এরপর গ্রিন
টি বা সাধারণ চা ও কফি খেলে
উপকার পাওয়া যায়।
ঘি অবশ্য অল্প পরিমাণে খাওয়াই
ভালো। যাঁদের কোলস্টেরলের সমস্যা
আছে তাঁদের ঘি এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রতিদিন কেন এক চামচ ঘি খাবেন:
১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে তা আর্দ্র
রাখে।
২. ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের
জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য
উপকারী। এটি চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ
করে।
৩. ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়,
এতে শরীরের সন্ধিগুলো ঠিক থাকে।
৪. এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বলে
অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ
শোষণ করে শরীরকে রোগ প্রতিরোধে
সক্ষম করে তোলে।
৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ করে ঘি।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আছে ঘি খেলে
মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি
বাড়ে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।

19/01/2017

১০ ধরণের শারীরিক
সমস্যা সমাধানে
খেজুর
খেজুরের উপকারিতাগুলো-
১) হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে
প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত
জরুরী। গবেষণায় দেখা যায়
পুরোরাত খেজুর পানিতে
ভিজিয়ে সকালে পিষে
খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর
সুস্থতায় কাজ করে।
২) খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে
এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে
ঝটপট খেয়ে নিন্ন খেজুর।
তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি
সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের
তুলনা নেই।
৩) গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন
খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের
দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর
স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের
উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা
ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর
করে।
৪) খেজুর ল্যাক্সাটিভ ধরণের
খাবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের
সমস্যা রয়েছে তারা খুব সহজেই
কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে
মুক্তি পেতে পারেন। প্রতিদিন
খেজুর খাওয়ার অভ্যাসের
মাধ্যমেই এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।
৫) গবেষণায় দেখা যায়
অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের
হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা
রয়েছে খেজুরের।
৬) খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল
এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন
ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা
সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে।
এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত
সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৭) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে
পটাশিয়াম এবং খুব অল্প পরিমাণে
সোডিয়াম। এতে করে প্রতিদিন
খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের
খারাপ কলেস্টোরল কমায় এবং
ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা
বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ প্রতিদিন খেজুর
খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের
সমস্যা কমায়।
৮) খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে
বিশেষভাবে সহায়ক। এবং
প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস
রাতকানা রোগ ভালো করতেও
সাহায্য করে থাকে।
৯) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে
আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার
অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ
করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত
থেকে রক্ষা করে। যাদের এই
রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে
তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর
অভ্যাস করা উচিত।
১০) একটি গবেষণায় দেখা যায়
প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস
মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে লিপিডের
কোয়ালিটি উন্নত করতে সহায়তা
করে দেহের সুগারের মাত্রা
বাড়ানো ছাড়াই।

11/01/2017

বেশি জেলাস লাগে.. যখন দেখি
আমার বেস্ট ফ্রেন্ডটার আবার
আরেকটা বেস্ট ফ্রেন্ড আছে!

Address

কাচিহারা-Kachehara , Sirajgonj
Kazipur
6710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হঠাৎ তোমার জন্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হঠাৎ তোমার জন্য:

Share

Category