Bloom With Tasfiya

Bloom With Tasfiya follow my page

09/02/2026

সামনে ইলেকশন; আজ আমাদের হেল্পিং হ্যান্ড কাকি এসে বললেন,

"মা, সবাই বুলছে গণভোট দিতে, হ্যা নাকি না! আমি তো কিছুতেই বুঝতে পারছি না মা এইটা কি? হ্যা দিব নাকি না দিব? এইটা কি? কি করব বল তো!"

এইবার একটা গণভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে এইটা তো মোটামুটি সবাই জানেন। সেখানে ৮৪টা প্রস্তাবিত বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আপনাকে "হ্যা" ভোট অথবা "না" ভোট দিতে হবে।
এবং আমার ধারণা বেশিরভাগ মানুষই এই বিষয়ে অবগত নন যে কিসের ভিত্তিতে হ্যা বা না ভোট দিচ্ছেন।
তাই জনস্বার্থে কিছু ঘাটাঘাটি করে খুব সহজ ভাষায় ৮৪টা প্রস্তাবিত পয়েন্ট এর তালিকা দিলাম আপনাদের।

কারণ কিসে ভোট দিচ্ছেন সেটা অন্তত জেনেশুনে দিতে হবে তো!
নাহলে গনতন্ত্রের স্বার্থকতা আর থাকল কোথায়?

✔️গণভোটে "হ্যা" ভোট জিতলে প্রস্তাবিত ৮৪ দফা সংস্কার (সম্পূর্ণ তালিকা)

🌿সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত দফা (১–৪৭)

★রাষ্ট্র ও পরিচয়

১. রাষ্ট্রের নাগরিক পরিচয় হবে “বাংলাদেশি”
২. জাতিগত বা ধর্মীয় পরিচয় রাষ্ট্রীয় নাগরিকত্বে ব্যবহার হবে না
৩. সংখ্যালঘু জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি
৪. আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণ
৫. রাষ্ট্রীয় নীতিতে বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি:
( সহজ ভাষায় বললে, রাষ্ট্র তার নীতি, আইন ও সিদ্ধান্তে স্বীকার করবে যে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে রয়েছে:
বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও নৃগোষ্ঠী, বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি,
বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাস, ভিন্ন ভিন্ন জীবনধারা ও ঐতিহ্য
এবং রাষ্ট্র এই বৈচিত্র্যকে সমস্যা নয়, শক্তি হিসেবে দেখবে।)

★ভাষা ও সংস্কৃতি

৬. বাংলা রাষ্ট্রভাষা থাকবে
৭. অন্যান্য মাতৃভাষার সাংবিধানিক সুরক্ষা
৮. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ
৯. ভাষাভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ
১০. সাংস্কৃতিক অধিকার মৌলিক অধিকারের অংশ

★মৌলিক অধিকার

১১. ইন্টারনেট ব্যবহার মৌলিক অধিকার
১২. ডিজিটাল গোপনীয়তার অধিকার
১৩.ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা
১৪. মতপ্রকাশের স্বাধীনতা শক্তিশালীকরণ
১৫. শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার
১৬. মানব মর্যাদা নিশ্চিতকরণ
১৭. সামাজিক ন্যায়বিচার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব

★ধর্ম ও রাষ্ট্র

১৮. ধর্মীয় স্বাধীনতা পূর্ণ সুরক্ষা
১৯. ধর্মীয় বিদ্বেষ নিষিদ্ধ
২০. রাষ্ট্রীয় সম্প্রীতি রক্ষা
২১. ধর্মের নামে বৈষম্য নিষিদ্ধ

★প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী ক্ষমতা

২২. প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ ১০ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন
২৩. প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রধান হতে পারবেন না
২৪. মন্ত্রিসভায় ক্ষমতার ভারসাম্য :
(প্রধানমন্ত্রী এককভাবে বড় সিদ্ধান্ত নেন
মন্ত্রিসভা অনেক সময় শুধু আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়
দফা ২৪ বলছে:
👉 রাষ্ট্র পরিচালনা হবে একজনের ইচ্ছায় নয়,
👉 বরং সম্মিলিত নেতৃত্বে /collective leadership এর মাধ্যমে)

২৫. একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সীমিতকরণ
(এই দফা বলছে: দেশের বড় সিদ্ধান্ত আর একজনের ইচ্ছায় হবে না। সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রতিষ্ঠানগতভাবে, নিয়ম মেনে, যৌথ আলোচনার মাধ্যমে।)

সংসদ

২৬. দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ চালু (সহজ করে বললে
👉 এখন যেমন একটাই সংসদ,
👉 ভবিষ্যতে হবে দুটি কক্ষ—
★নিম্নকক্ষ (Lower House) – জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত
★উচ্চকক্ষ (Upper House / Senate) – ভিন্ন পদ্ধতিতে গঠিত (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব)

২৭. নিম্নকক্ষ সরাসরি নির্বাচিত
২৮. উচ্চকক্ষ আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বে গঠিত
২৯. উচ্চকক্ষে ১০০ সদস্য
৩০. সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বৃদ্ধি
৩১. সংসদে বিরোধী দলের শক্ত ভূমিকা
৩২. নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি

★নির্বাচন ব্যবস্থা

৩৩. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল
৩৪. নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ প্রশাসন
৩৫. ভোটগ্রহণে সেনা মোতায়েনের বিধান
৩৬. নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক স্বাধীনতা
৩৭. EC (Election Commission) নিয়োগে বহুপক্ষীয় কমিটি

★জরুরি অবস্থা

৩৮. জরুরি অবস্থা ঘোষণায় সীমাবদ্ধতা
৩৯. সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক
৪০. মৌলিক অধিকার স্থগিত সীমিতকরণ (আগে অনেক সময় দেখা গেছে জরুরি অবস্থা ঘোষণা হলেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সমাবেশের অধিকার সবকিছু একসাথে স্থগিত হয়ে যেত। দফা ৪০ বলছে:
জরুরি অবস্থা মানে নাগরিক অধিকার “বন্ধ” নয়,
বরং সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যতিক্রম।)

★বিচার বিভাগ

৪১.বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা
৪২. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল শক্তিশালীকরণ
৪৩. বিচারক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব নিষিদ্ধ
৪৪. বিচার বিভাগের বাজেট স্বায়ত্তশাসন

★সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া

৪৫. দুই-তৃতীয়াংশ সংসদীয় ভোট বাধ্যতামূলক
৪৬. গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনে গণভোট
৪৭. সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অপরিবর্তনীয়

🌿আইন ও প্রশাসনিক সংস্কার (৪৮–৮৪)

★ন্যায়পাল ও জবাবদিহিতা

৪৮. স্বাধীন ন্যায়পাল (Ombudsman) প্রতিষ্ঠা
(ন্যায়পাল হলো একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, যার কাজ হলো
👉 সরকার, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নাগরিকদের অভিযোগ তদন্ত করা
এবং
👉 ক্ষমতার অপব্যবহার হলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
সহজ করে বললে ন্যায়পাল হল সাধারণ মানুষের পক্ষে দাঁড়ানো রাষ্ট্রীয় পাহারাদার)

৪৯. ন্যায়পাল নিয়োগে স্বচ্ছ পদ্ধতি
৫০. সরকারি দুর্নীতির তদন্ত ক্ষমতা
৫১. ন্যায়পালের সুপারিশ বাধ্যতামূলক
৫২. নাগরিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা

★দুর্নীতি দমন

৫৩. দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা
৫৪. ACC (Anti- Corruption Commission/ দুর্নীতি দমন কমিশন) নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব নিষিদ্ধ
৫৫. দুর্নীতির মামলায় দ্রুত বিচার
৫৬. সম্পদ ঘোষণার বাধ্যবাধকতা

★গণমাধ্যম

৫৭. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার
৫৮. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে বিধিনিষেধ
৫৯. গণমাধ্যমের সেন্সরশিপ বাতিল (সহজ করে বললে
👉 সরকার বা কোনো কর্তৃপক্ষ আর আগে থেকে সংবাদ আটকাতে পারবে না।
👉 কী প্রকাশ হবে আর কী হবে না সেটা নির্ধারণ করবে আইন ও আদালত, কোনো প্রশাসনিক আদেশ নয়।)
৬০. তথ্য অধিকার আইন শক্তিশালী

★মানবাধিকার

৬১. মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা
৬২. কমিশনের নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা
৬৩. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা
৬৪. গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার নিষেধাজ্ঞা
৬৫. ভুক্তভোগী সুরক্ষা আইন

★সিভিল সার্ভিস

৬৬. নিয়োগে মেধাভিত্তিক পদ্ধতি
৬৭. পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাব নিষিদ্ধ
৬৮. প্রশাসনে দলীয়করণ বন্ধ
৬৯. সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা
৭০. আমলাতান্ত্রিক সংস্কার

★স্থানীয় সরকার

৭১. স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বৃদ্ধি
৭২. স্থানীয় সরকারের বাজেট স্বায়ত্তশাসন
৭৩. জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা বৃদ্ধি
৭৪. কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ কমানো
৭৫. স্থানীয় নির্বাচন স্বাধীনভাবে আয়োজন

★অর্থনীতি ও ব্যাংকিং

৭৬. বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা
৭৭. আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বন্ধ
৭৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সংস্কার
৭৯. বাজেট ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা
৮০. সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা

★নির্বাচনী এলাকা

৮১. নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ
৮২. স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিশন
৮৩. গেরিম্যান্ডারিং নিষিদ্ধ
(গেরিম্যান্ডারিং মানে ক্ষমতাসীন দল নিজেদের জেতার সুবিধার জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা কৌশলে বদলে ফেলা।
এই দফার উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী এলাকা (আসন) ইচ্ছামতো কেটেছেঁটে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়া বন্ধ করা।)

৮৪. জনসংখ্যা ভিত্তিক আসন বণ্টন
(সহজ করে বললে যেখানে মানুষ বেশি, সেখানে সংসদের প্রতিনিধিও বেশি থাকবে। যেখানে মানুষ কম, সেখানে প্রতিনিধি কম থাকবে।
অর্থাৎ একজন ভোটারের মূল্য আরেকজনের চেয়ে কম বা বেশি হবে না।)

বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ বর্তমান সংবিধানের মূলনীতি। তবে গণভোটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে সংবিধানের মূলনীতি হবে: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সম্প্রীতি।

এটাই হচ্ছে সারমর্ম।
ভোট কাকে দিচ্ছেন বা কিসে দিবেন এটা আপনার সিদ্ধান্ত। তবে অনুরোধ রইল, অন্ধের মত কারো কথা অনুসরণ না করে নিজে জেনেশুনে ভালমন্দ বুঝে সিদ্ধান্ত নিবেন।
পোস্ট শেয়ার করতে পারেন, বা কপি করে যত বেশি মানুষকে সম্ভব জানানোর চেষ্টা করবেন অনুরোধ রইলো।

And remember, sometimes it's all about choosing the lesser evil.

সবাই ভাল থাকবেন♥️

©অনিমা চৌধুরী

06/02/2026
28/12/2025
05/12/2025
03/12/2025

এইযুগের মেয়েরা পিঠা বানাতে পারে না কেনো এইসব প্রশ্ন করার আগে, মাঠে যেয়ে লুঙ্গিতে কোচ মে%*রে ধান চাষ করে,
বাড়িতে ধান উঠিয়ে,খেজুরগাছে উঠে কলসিটা নামিয়ে এনে পিঠার জিনিস নিয়ে আয় ভাই।🌝

এরপর গামছাটা শক্ত করে কোমরে বেধে পুকুরে গিয়ে জাল মে%*রে একটা রুই ধরে আন।
আমি ঠিক ই রান্না করে খাওয়াতে পারব।কারন নানি দাদিরা আমাকে শিখিয়েছে😏
আর

যদি বলো, চালের গুড়া,খেজুরের রস তো বাজারেও পাওয়া যায়।
তোদের জন্য উত্তর, পিঠাও বাজারে পাওয়া যায়,কিনে খা ফকি%*ন্নি ব্যাটা😤

30/11/2025

Address

Jamalpur
Jamalpur Sadar Upazila

Opening Hours

09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bloom With Tasfiya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category