Life with Ivaan

Life with Ivaan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life with Ivaan, Uttara, Gazipur.

For proper homeplan contact
➤01636511958(WhatsApp)
A little space where i share our parenting journey— fun activities, learning moments & all the love in between❤️
Parenting tips | Montessori activities| Early childhood education | kids food and recipes😊

রিপোস্ট :"Different" concept part-1স্পেশাল এডুকেশন এ আগে সেম কনসেপ্ট এর ২ টা পার্ট শেয়ার করেছি। যখন সেম কনসেপ্ট ক্লিয়ার ...
21/04/2026

রিপোস্ট :
"Different" concept part-1

স্পেশাল এডুকেশন এ আগে সেম কনসেপ্ট এর ২ টা পার্ট শেয়ার করেছি। যখন সেম কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়ে যাবে তারপর ডিফারেন্ট কনসেপ্ট শুরু করতে পারেন।

প্রথমে শেখাবেন এক পেজে একটা করে ডিফারেন্ট এর অব্জেক্ট নিয়ে। কারণ এক পেজে অনেকগুলো থাকলে বাচ্চার ফোকাস এক জায়গায় রাখতে অসুবিধা হয়।
যেমন - প্রথম পেজে একটা বালতি তিনটা ছাতা আছে। আপনি প্রশ্ন করবেন সার্কেল অড ওয়ান, অথবা যেটা ভিন্ন/আলাদা সেটা সারকেল করো, অথবা ডিফারেন্ট কোনটা সেটা সারকেল করো।
কিন্তু বাচ্চা তো পারবে না তখন আপনি ওর হাতটা ধরে সারকেল করিয়ে দিবেন একবারে ফিজিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে। ধীরে ধীরে ফিজিক্যাল সাপোর্ট সরিয়ে যেটা ওড সেটা আপনি আংগুল দিয়ে পয়েন্ট করে দেখিয়ে দিবেন বাচ্চা নিজে সারকেল করবে।
এরপর ধীরে ধীরে আপনি পয়েন্ট করা বন্ধ করে দিবেন বাচ্চা নিজে বেছে নিবে কোনটা অড। না পারলে আবার সাহায্য করবেন।

যখন একটা করে অব্জেক্ট এর টা শিখে যাবে এরপর এক পেজে কয়েকটি করে থাকবে সেটা তে যাবেন।
সেখানে আপনি আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিবেন এই লাইনে কোনটা ওড সেটা সারকেল করো।
আসলে প্রশ্ন কি করবেন যেটা আপনি আপনার বাচ্চার আন্ডারস্ট্যান্ডিং অনুযায়ী করবেন।

জেনারেলাইজেশন :
যখন ওয়ার্কশীট এ শিখে যাবে এরপর বাচ্চাকে সেটা জেনারেলাইজড করাবেন। বাচ্চার সামনে ৩/৪ টা আলু আর একটা টমেটো রেখে বলবেন। ডিফারেন্ট কোনটা সেটা দেও।
আবার চামচ, বাটি, গ্লাস, পেয়াজ, রশুন সহ ঘরে থাকা যেকোনো জিনিস দিয়েই করিয়ে এটা জেনারেলাইজড করাতে পারেন।



#ডিফারেন্টকনসেপ্টপার্ট১

Boundaries aren’t rude, they are necessary. আমি অনেক অনেক মায়েদের পোস্ট বা কমেন্ট দেখি যে তারা তাদের বাচ্চাদের জন্য এখনক...
20/04/2026

Boundaries aren’t rude, they are necessary.

আমি অনেক অনেক মায়েদের পোস্ট বা কমেন্ট দেখি যে তারা তাদের বাচ্চাদের জন্য এখনকার পপুলার যেই প্যারেন্টিং স্টাইল, পজিটিভ প্যারেন্টিং সেটা ফলো করতে গিয়ে সবার সাথে ঝামেলা হয়ে যাচ্ছে। আর এটা আমার সাথেও হয় আমাদের আগের জেনারেশন যেভাবে চলেছে আমাদের উপরও সেই একই সাইকেল বজায় রাখতে চায়।
আমরা বেশিরভাগই এমন প্যারেন্টিং এ বড় হয়েছি যেখানে আরেকজনের বাউন্ডারি, প্রাইভেসি এগুলো রেস্পেক্ট করা তো হয় না বরং আদৌ বাউন্ডারি বা প্রাইভেসি যে মানুষের থাকতে পারে সেটাই মানতে নারাজ।

এখন এই আপনি বা আমি যেই বাউন্ডারি নিজেদের জন্য বা বাচ্চাদের জন্য সেট করেছি সেটা কিভাবে অন্যদের স্পেশালি জাস্ট নিজের এল্ডার ফ্যামিলি মেম্বার দের সম্মান করতে শেখাবো?
এই ব্যাপারে পারমিতার প্রতিদিন আপুর চমৎকার একটা লেখা পড়েছি।
সেটার সারসংক্ষেপ টা এরকম যে আপনার সেট করা বাউন্ডারি সবার আগে আপনাকে রেস্পেক্ট করতে হবে। আপনি নিজেই যদি নিজের বাউন্ডারিকে রেস্পেক্ট না অন্য কেউও করবে না। আর নিজে না করে অন্যদের থেকে আশা করাটাও বোকামি।
যেমন - ধরেন আপনি বাচ্চাকে চিপস দেন না। এটা আপনার বাউন্ডারি কিন্তু দাদা নানা রা তো আদর করে দিয়ে দেয় একটু মিষ্টি খাইয়ে দেয়। প্রথম প্রথম আপনার বুঝাতে অনেক কষ্ট হবে। আর এতো বুঝাতে যাওয়ারও দরকার নেই। আপনি ভুলেও সেই জিনিস ওনাদের সামনে বাচ্চাকে দিবেন না মানে একদম বাচ্চা ট্যান্ট্রামস করে আপনাকে অসহ্য বানিয়ে ফেলছে তাও দিবেন না। কারন আপনি যদি এই রুল ব্রেক করেন তাহলে ওনারা বুঝবে আচ্ছা ওর মা তো দিচ্ছেই তাহলে দেওয়াই যায়।
আপনি যদি রাত ৯ টা ঘুমেত সময় ফিক্স করেন তাহলে ঠিক ওই সময়ই ঘুম পাড়ান। কোনো তর্ক করা বা কথারই দরকার নাই জাস্ট বাচ্চাকে ঘুমাতে নিয়ে যাবেন।
যখন অন্যরা দেখবে যে নাহ যত যাই হোক ওর মা তো এটা ফলো করছে বা এটাতে বাচ্চাটার ভালোই হচ্ছে তাহলে অটোমেটিকেলি ওরা আপনার বাউন্ডারিকে রেস্পেক্ট করতে শুরু করবে। আর কথা বাড়াবে না।

ঠিক তেমনি আপনি নিজেকে ভালো না বাসলে অন্যের থেকে ভালোবাসা পাবেন এটা আশা করাই উচিত না। আবার আমি যদি কাউকে মন ভরে ভালোবাসতে চাই সেটার জন্যও আগে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। কারণ আমরা নিজেরা ভালো না থাকলে অন্যকেও ভালো রাখতে পারবো না।
আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এটা প্রযোজ্য তুমি আগে নিজে ভালো কাজ করো এরপর অন্যকে উপদেশ দেও। এমন কিছুর উপদেশ অন্য কাউকে দিও না যেটা তুমি নিজেই পালন করো না। এবার এটা যতই ভালো কাজ হোক।

picture - (collected)

স্পিচ থেরাপির ২য় ধাপে আন্ডারস্ট্যান্ডিং নিয়ে আমার ডিটেইলস পোস্ট আছে। সেটার ২য় ধাপ হিসেবে এই পোস্ট। যখন বাচ্চার মোটামুটি ...
20/04/2026

স্পিচ থেরাপির ২য় ধাপে আন্ডারস্ট্যান্ডিং নিয়ে আমার ডিটেইলস পোস্ট আছে। সেটার ২য় ধাপ হিসেবে এই পোস্ট।
যখন বাচ্চার মোটামুটি আইডেন্টিফিকেশন হয়ে যাবে। সিংগেল অ্যাকশান ওয়ার্ড বুঝতে শিখবে, সিংগেল কমান্ড ফলো করবে তারপর আপনারা শুরু করবেন সেই নাউনের ফাংশন শেখানো। আর সেই ফাংশন শেখানো তে বা শেখানো হয়ে গেলে প্র‍্যাক্টিস এর জন্য এই ওয়ার্কশীট গুলো দারুণ সাহায্য করবে।

আমি বেশ কয়েকবার শেয়ার করেছি সামনেই আমার এক্সাম এই জন্য ইভানকে সময় দিয়ে নিজের পড়া পড়ে আর কোনো সময় পাই না। পেজে কোন কিছুই ...
19/04/2026

আমি বেশ কয়েকবার শেয়ার করেছি সামনেই আমার এক্সাম এই জন্য ইভানকে সময় দিয়ে নিজের পড়া পড়ে আর কোনো সময় পাই না। পেজে কোন কিছুই শেয়ার করতে পারছি না।
আমার প্রথম এবং প্রধান প্রায়োরিটি ইভান। এরপর আমার দুনিয়ার অন্য কিছু আসে। এখন এক্সাম হওয়াতে সেদিকে একটু ফোকাস দিচ্ছি কারণ আমি আর কোনো রিটেক রাখতে চাচ্ছি না একবারেই যেন কম্পলিট করে ফেলতে পারি।

এখন এসবের মাঝে আমি ইভানের বাবার সাথে রাগারাগি করে ফেলি। তো সে ব্যাপার টা বুঝতে পেরে বুঝালো যে আসলে তুমি যেরকম ভাবছো ব্যাপার টা একদমই সেরকম না।
তুমি ভেবো না এত কাজে তুমি স্ট্রেস। তুমি এই টা ভাবো যে এই কাজ গুলো না থাকলে তুমি কতটা স্টেস থাকবা। কাজের মধ্যে স্ট্রেস আবার কি জিনিস সবটাই তোমার মাইন্ডসেটআপ। তুমি যেকোনো জিনিসকে যেই এংগেলে দেখবা পুরো ইউনিভার্স তোমার হয়ে কাজ করবে ওই জিনিস টা কে তোমাকে ঠিক সেইভাবে দেখাতে।
তুমি মোটেও স্ট্রেস নয় তুমি আসলে ইমব্যালেন্সড হয়ে আছো। তুমি একভাবে কাজ করে গেছো এখন এক্সামের জন্য সব কিছুতে টাইম ম্যানেজমেন্ট উল্টাপাল্টা হয়ে গেছে তাই এমন মনে হচ্ছে।
তুমি চিন্তা করো তুমি যা যা করছো কোন জিনিস টা তোমার লাইফে কতটা ভ্যালু এড করবে, তুমিও সেভাবেই তোমার সময় সেই জিনিসে ইনভেস্ট করবা।
এই মূহুর্তে তোমার যে যে কাজ হাতে আছে সেগুলো লিস্ট করে দেখো কোন টা তোমার জন্য কতটা হেল্পফুল সেই মতো সেটাতে সময় দেও। তুমি এমন ভাবে বিজি থাকবা যেন হায় আমি ডিপ্রেসড, আমি স্ট্রেসড এগুলো নিয়ে হায়হুতাশের সময় না থাকে।

আসলেই তাই জীবন টা আসলে সুন্দর আমরা সেটার প্রপার ইউটিলাইজ করতে পারি না।
আমার পছন্দের একজন দেখলাম পোস্ট করলো আপনি বাচ্চাকে খাওয়ানোতে সময় ইনভেস্ট করবেন না, সময় ইনভেস্ট করবেন বাচ্চার খাবার রান্নাতে।
আমাদের এই এক দোষ আমরা বলি এতো সময় কই পাবো এতো কিছু বাচ্চার জন্য রান্না করার সেই একই মানুষ আবার বাচ্চাকে খাওয়াতে গিয়ে অনায়াসে ২/৩ ঘন্টা দিয়ে ফেলি সেটাকে মোটেই সময় নষ্ট মনে করি না।

আমরা কাজের চেয়ে অকাজে স্ট্রেস নিয়ে ফেলি বেশি। আর কাজ যেগুলো করি সেগুলোতেও ব্যালেন্স রাখতে পারি না। ব্যালেন্সিং এক অসাধারণ গুণ মনে হয় আমার কাছে। যেটা এখনো আমার মধ্যেও নাই চেষ্টা করছি।

আমি ওয়ার্কশীট শেয়ার করার পর যারা জানতে পেরেছেন আমি ইভানকে হোমস্কুলিং করাচ্ছি বেশিরভাগই জানতে চেয়েছেন রুটিন টা কিভাবে করে...
17/04/2026

আমি ওয়ার্কশীট শেয়ার করার পর যারা জানতে পেরেছেন আমি ইভানকে হোমস্কুলিং করাচ্ছি বেশিরভাগই জানতে চেয়েছেন রুটিন টা কিভাবে করেছি?
আপনারা হয়তো নতুন এসেছেন আমার পেজে তাই অনেকেই হয়তো জানেন না ইভান স্পেশাল নীডেড যদিও আলহামদুলিল্লাহ এখন দেখে বুঝা যায় না।

আমি ওর সাথে এক্টিভিটি শুরু করি ২২ মাস বয়স থেকে। তখন আমি কাগজে কলমে কিছুই করি নি। প্রচুর খেলেছি ১২ ঘন্টা ঘুম বাদে বাকি ১২ ঘন্টা আমি ইভানকেই দিয়েছি। সেই সবই কিন্তু হোমস্কুলিং এর অংশ। হোমস্কুলিং মানে এই না যে কেবল লেখা পড়া শেখানো। আমি আমার ছেলেকে সময় দিয়ে যা যা শিখিয়েছি আমি মনে করি পুরোটাই একটা হোমস্কুলিং এর মধ্যে পরে।
তবে আমি একাডেমিক ভাবে কিছুই করাই নি। ইভানের বয়স ৩ হওয়ার পর থেকে আমি ঠিকঠাক ভাবে হোমস্কুলিং শুরু করি ওর এক্টিভিটিসে একাডেমিক পার্ট টা শুরু করি।

ইভানের ফিজিক্যাল এক্টিভিটির রুটিন আছে কোন সপ্তাহে কি কি ফিজিক্যাল এক্টিভিটি করাই। এগুলোর মধ্যে আছে ফাইন মোটর এক্টিভিটি, গ্রস মোটর এক্টিভিটি, সেন্সুরি এক্টিভিটি, ইয়োগা।
আবার সিটিং এক্টিভিটিরও রুটিন আছে আমাদের সেখানে আছে ব্রেইন জিম, বাই লিটারেল কোওর্ডিনেশন, লজিক্যাল ওয়ার্কশীট, একাডেমিক পার্ট।
সপ্তাহে একদিন আমরা মেসি প্লে করি, একদিন পেইন্টিং করি, একদিন আউটিং।
আর সাথে একটা করে স্কিল ডেভেলপ করাই। এতো দিনে সে ইলেকট্রিক মোটর বাইক এর ব্যালেন্সিং শিখেছে। পরশু থেকে স্কুটার শুরু করবো এরপর সাইকেলিং।
এটার জন্য প্রতিদিন বিকেলে ১ ঘন্টার মতো রাস্তায় শিখে।

নিচের ছবিতে আমি শুধু প্রথম সপ্তাহের একাডেমিক পার্ট টা শেয়ার করেছি। এভাবে প্রতি সপ্তাহে আমাদের টপিক চেঞ্জ হয়। আমি শুধু ধারণার জন্য একটা সপ্তাহের একটা পার্ট এর টপিক শেয়ার করেছি। প্রতিটা বাচ্চা আলাদা তাদের ইন্টারেস্ট আলাদা আপনি আপনার বাচ্চার ইন্টারেস্ট অনুযায়ী চলবেন।
এগুলো করতে গিয়ে কিছু আমি নিজেই হাতে একে ওয়ার্কশীট বানাই আবার কিছু প্রিন্ট করে করাই।

এই হচ্ছে আমাদের পুরো হোমস্কুলিং এর রুটিন।

আমার ছেলে ন্যাচারাল লারনার না। ওকে সব কিছু আমি হাতে ধরে শেখাতে হয় এই জন্য আমি আমার রুটিন শেয়ার করতে চাই না কারন আমাদের রুটিনে এমন জিনিসও আছে যেগুলো দেড়, দুই বছরের বাচ্চারাও ইজিলি করতে পারে।
হোমস্কুলিং হচ্ছে নিজের বাচ্চাকে বুঝে নিজে প্লান সাজানো অন্যকে ফলো করা নয়।

আমি অনেককেই কথা দিয়েছি হোমস্কুলিং সম্পর্কে যা জানি লিখবো কিন্তু আমার সুযোগ হয় না। সময়ের বড্ড অভাব সামনে চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল। সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য।

যারা দেখতে চেয়েছিলেন কিভাবে শুরু করেছি। আমি ইভানের সাথে সঠিকভাবে খেলার মাধ্যমে শিখাতে শুরু করেছি ২২ মাসের পর। এই বয়সে এস...
09/04/2026

যারা দেখতে চেয়েছিলেন কিভাবে শুরু করেছি। আমি ইভানের সাথে সঠিকভাবে খেলার মাধ্যমে শিখাতে শুরু করেছি ২২ মাসের পর। এই বয়সে এসে মূলত সে বসতে চাইতো না নিজের মতো ঘুরতো নিজের মন মতো যা খুশি খেলতে চাইতো। সে আমার সংগ পছন্দ করতো না।
ওই যে প্রেমিক যেভাবে পিছনে পিছনে ঘুরে প্রেমিকাকে পটায় আমার অবস্থাও ছিল একই। ওর মন মতো ওর পিছনে থেকে থেকে একটু করে ইন্টারেস্ট বাড়িয়েছি।

তখন আমি কোনো প্যাটার্নই ফলো করি নি। যেহেতু সে ন্যাচারাল লারনার না আমার মাথায় ছিল সব আমাকে হাতে ধরে শেখাতে হবে সেই থেকে আমি ম্যাচিং দিয়ে শুরু করি।
আলহামদুলিল্লাহ ধীরে ধীরে ইভানও ইন্টারেস্ট দেখাতে থাকে। তখন সিলেবাস করে রুটিন করে কিছুই করাই নি যা যা শেখানোর দরকার সব শিখিয়েছি ম্যাচিং এর মাধ্যমে। আগে সব ওয়ার্কশীট করেছি কারণ ইভান ওয়ার্কশীট ছাড়া আর কোনো কিছু পছন্দ করতো না।
এটাই হোমস্কুলিং এর মজা আপনি আপনার বাচ্চার লারনিং স্টাইল অনুযায়ী আপনার লেসন প্লান রেডি করতে পারবেন।

ইভানের বয়স তিন এর পর আমি এই ফেব্রুয়ারী থেকে রুটিন করে টপিক ধরে ধরে করানো শুরু করি। কিন্তু এক মাস পরেই রোজার মধ্যে সব উল্টো হয়ে যায় আবার শুরু করলাম ইদের পর।
আলহামদুলিল্লাহ একটু করে আগাচ্ছি। এখন আমাদের লারনিং এ অনেক ভ্যারাইটি এসেছে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

আমি অনেক বাবুদের চিনি ওরা ১৮ মাসেই ফনিক্স শিখে গেছে, আড়াই এর মধ্যে ব্লেন্ডিং শুরু করে দিয়েছে।
আমি কখনো কোন প্রতিযোগিতায় নামি নি আমার প্রতিযোগিতা আমার নিজের সাথে। আগের দিন যা করেছি পরের দিন সেটাকে আরেকটু ভালো করে করতে হবে।

আপনাদের টপিক ওয়াইজ পিডিএফ লাগলে ইনবক্স করতে পারেন।
আর ছবি গুলো এক বছর আগের অনেক আকিভুকি করা কিছু মনে করবেন না। খুজে খুজে কিছু টা পেয়েছি আরও অনেক গুলো অন্য অনেক বাচ্চাদের দিয়েছি যেগুলো নষ্ট হয় নি।


09/04/2026

শীতে এমন কুটুস ভালু বানিয়ে রাখি❤️

যারা ওয়ার্কশীট প্রিন্ট করতে পারেন না সেই সুযোগ হয় না তারা হ্যান্ডমেড বানিয়ে নিতে পারেন। আমি স্পেশাল এডুকেশনে নতুন কিছু এ...
08/04/2026

যারা ওয়ার্কশীট প্রিন্ট করতে পারেন না সেই সুযোগ হয় না তারা হ্যান্ডমেড বানিয়ে নিতে পারেন। আমি স্পেশাল এডুকেশনে নতুন কিছু এড করে শুরু করলে অবশ্যই ওয়ার্কশীট প্রিন্ট করে শুরু করি।
কিন্তু মোটামুটি ধারণার পর রেগুলার প্রেক্টিসের জন্য সব হাতে করা ওয়ার্কশীটে করাই।
ভাবছি আমার হোমস্কুলিং এর হাতে করা ওয়ার্কশীট গুলো একটা এলবামে দিব যদি আপনারা ইন্টারেস্টেড হোন বা যদি কাজে লাগে।
কারন এমনি রেন্ডমলি দিলে সেগুলো পরে আর কারব কাজে আসে না।

এগুলো আজকের করা আমাদের হিজিবিজি হোমস্কুলিং এর অংশ ❤️


#ইভান_হোমস্কুলিং

08/04/2026

Yes, now I live in my dream.
সুখ জিনিস টা বড্ড আপেক্ষিক। একেকজনের কাছে এর সংজ্ঞা একেক রকম ❤️

রিপোস্ট : গতকালের পোস্ট দেখে অনেকে মেন্টাল এইজ এর পোস্ট টা শেয়ার করার জন্য বলেছেন। বাচ্চার সাথে কাজ করার প্রথম এবং প্রধা...
08/04/2026

রিপোস্ট : গতকালের পোস্ট দেখে অনেকে মেন্টাল এইজ এর পোস্ট টা শেয়ার করার জন্য বলেছেন। বাচ্চার সাথে কাজ করার প্রথম এবং প্রধান পদক্ষেপ এটা।

আমি যখন ইভানের আইইপি প্ল্যান এর পোস্ট শেয়ার করি তখন অনেকেই সেটা দেখতে চেয়েছিলেন কারণ আমি সেটা ব্লার করে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমি সেটা শেয়ার করতে পারি নি কারণ সেটা একান্তই আমার ছেলের ইন্ডিভিজুয়াল প্ল্যান। তারপর আমি কয়েকজনকে এটা বলেছি যে আমি বয়স অনুযায়ী একটা জেনারেল প্ল্যান বানিয়েও শেয়ার করবো। কিন্তু আমি সেটা লিখে প্রকাশ করার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখি সেটা সবাই বুঝতে পারবে না হয়তো। সেটার জন্য একটা ভিডিও করে বুঝালে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে। কিন্তু এই মূহুর্তে আমার সেই ক্যাপাবিলিটি নেই। পরে অবশ্যই শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।
সেজন্য আমি ভাবলাম অনেকেই হয়তো প্রসেস টা বুঝতে পারলে নিজের বাচ্চার প্লানিং নিজেই করতে পারবেন। কারন প্রতি টা মা তার বাচ্চার জন্য সব চেয়ে সেরা টাই করতে পারে।

একদম প্রথম ধাপ হচ্ছে বাচ্চার মানসিক বয়স টা বের করা। এটা অনেক থেরাপিস্ট, ডাক্তার বা চাইল্ড সাইকোলজিস্ট করে থাকেন। অনেককে হয়তো বলেছেও যে আপনার বাচ্চার মানসিক বয়স এতো। কিন্তু আমরা হয়তো এই প্রশ্ন করি না কখনো যে স্যার এটা বের করলেন কিভাবে? বা এই যে মানসিক বয়স টা জানলাম এটা আমাকে কিভাবে কাজে হেল্প করবে?

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা : আমি এখনো ইভানকে কোনো চাইল্ড সাইকোলজিস্ট কে দেখাই নি আর যেই থেরাপিস্ট এর কাছে এসেসমেন্ট করাই উনিও এসব কিছুই জানান নি। এগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত পড়াশুনা।
প্রথমেই একটা গুগল থেকে বয়স অনুযায়ী মাইলস্টোন এর একটা চার্ট বের করবেন। সেখানে একদম জিরো মাস থেকে সব বয়স এর সব গুলো স্কিলের মাইলস্টোন থাকে। সেখানে গ্রস মোটর, ফাইন মোটর, ল্যাংগুয়েজ, কগনিটিভ, প্লে স্কিল সহ সকল এরিয়ার একটা জেনারেল মাইলস্টোন লেখা থাকে।
মনে করেন আপনার বাচ্চার বয়স পাচঁ বছর। তাহলে আমরা কিভাবে ওর মানসিক বয়স টা বের করবো? প্রথমে ওই চার্ট থেকে ৫ বছরের বাচ্চাদের মাইলস্টোন গুলো চেক করবো কি ওর মধ্যে ওই স্কিল গুলো আছে কি না। যদি না থাকে তাহলে আমি এক বছর পিছিয়ে ৪ এর গুলো চেক করবো। এরপর আসবো ৩ এ এরপর ২ এ এভাবে আমি আমার বাচ্চার প্রয়োজনে আমাকে ১ বছরের মাইলস্টোন গুলো ও চেক করতে হতে পারে।এখন একটা বাচ্চার সব গুলো মাইলস্টোন কিন্ত একই বয়সের সাথে নাও মিলতে পারে। যেমন সে হয়তো ল্যাংগুয়েজ এর ক্ষেত্রে ২ বছরের বাচ্চাদের সমান, ফাইন মোটর এর ক্ষেত্রে ৪ বছর আবার গ্রস মোটর এর জন্য এইজ এপ্রোপ্রিয়েট। তাহলে ওর মেন্টাল এইজ টা একেক স্কিল এর ক্ষেত্রে একেক রকম হবে এবং সে কথা মাথায় রেখেই ওর আইইপি প্ল্যান টা আপনাকে সাজাতে হবে।

কিন্তু গোল টা কিভাবে সেটা করবো?
আমাদের আল্টিমেট গোল হচ্ছে বাচ্চাকে সব এরিয়াতে ওর এইজ সমান স্কিল্ড করা। ধরেন বাচ্চা লাংগুয়েজে পিছিয়ে আছে ২ বছর যেমন ওর বয়স ৫ কিন্তু কিন্তু স্কিল ৩ বছরের মতো। তাহলে একবারে কিন্তু আমরা ২ বছরের টার্গেট নিয়ে ফেলবো না। প্রথমে টার্গেট নিব ৬ মাসের মানে ২.৬ এর একটা বাচ্চার ল্যাংগুয়েজ স্কিল টা। এখন সেটা যত দ্রুত বা যত সময় লাগুক সেটা এচিভ করার পর গোল সেট করবো ৩ বছরের বাচ্চাদের টা। এভাবে ধীরে ধীরে ওর একচুয়্যাল এইজের কাছে পৌঁছাবো। এটার জন্য মূল চাবি কাঠি হলো ধৈর্য্য, নিয়মিত রুটিন মাফিক কাজ বা থেরাপি, প্রপার ডায়েট মেইনটেইন করা, আল্লাহর সাহায্য চাওয়া, বাচ্চার জন্য দোয়া করা।

বি:দ্র: আমি কমেন্ট বক্সে বয়স অনুযায়ী মাইলস্টোন এর একটা চার্টের ছবি দিয়ে দিব। যাদের লাগবে দেখতে পারেন আবার চাইলে নিজেরাও গুগল করতে পারেন।





Address

Uttara
Gazipur

Telephone

+8801979268778

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life with Ivaan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share