11/07/2025
মায়ের কাছে সন্তান নিরাপধ নয় কেন = তাহলে কি হরমুনের দোষ?
এই অবুঝ শিশুটির নাম = ময়না
মেয়েটির বয়স = ৯ বছর, ৫ম শ্রেনীতে পড়তো
ময়নার বাবার নাম = আব্দুর রাজ্জাক
ঘটনাটি ঘটেছে = ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার - সরাইল উপজেলার - শাহবাজপুর ইউনিয়নে
মেয়েটির বাবা বিদেশে ( বাহরাইন) থাকে - সেই সুযোগে মেয়েটির চাচার সাথে তার মা পরকিয়া করেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় একদিন মেয়েটি স্কুল থেকে বাড়ীতে এসে দেখেন দরজা লাগানো - ধাক্কা দিয়েও যখন খোলে না, তখন জানালা দিয়ে মাকে ডাকতে যান কিন্তু জানালা দিয়ে দেখেন তার চাচা আর মা খারাপ কাজ করতেছে - মেয়েটি লজ্জা পায়, তখন আর ডাকা ডাকি না করে ঘরের পাশেই অপেক্ষা করতে থাকেন -
কিছুক্ষন পর তার চাচা তাদের ঘর থেকে বের হয়ে যায় - এরপর একটু পর তার মা বের হয়, তখন মেয়েটি ঘরের কাছে যায়, মা জিঙ্গেস করে কখন এলি, মেয়েটি বলে এখনই -
একদিন সকালে মেয়েটির বাবা বিদেশ থেকে ফোন দেয়, তার মায়ের সাথে বলা শেষ হলে মেয়েটির সাথে কথা বলে - মেয়েটি তার বাবাকে বলে আব্বু তুমি তাড়াতাড়ি বাড়ী চলে আসো - এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে মেয়ের হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নেয় এবং লাইন কেটে দেয় - এরপর মেয়েটির বাবা বার বার ফোন দিলেও ধরে নাই - তখন থেকেই মেয়েটির বাবার সন্দেহ হয় -
আরেক দিন মেয়েটি স্কুল থেকে এসে ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে দেখে - তার মা আর চাচা উলঙ্গ অবস্হায় খারাপ কাজ করছে, মেয়েটি চাচা তড়িঘড়ি করে লঙ্গি পরে ঘর থেকে বের হয়ে যায়, আর তার মা লেংটা অবস্হায় মেয়ের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে -
এই ঘটনার পরেই মেয়েটিকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে, এই কাহিনী প্রায় ৩ মাস ধরেই চলছে - রাতের বেলা মেয়েটির চাচা আসে আর ঘুমন্ত মেয়েটিকে - প্রথমে তার মা বটি দিয়ে কান কেটে দেয় এরপর মাথাটি ওলের সঙ্গে বাড়ি মাতে থাকে, মেয়েটি যেন চিৎকার না দিতে পারে, তাই পেছন থেকে হাত বাঁধে এবং মুখে কাপড় গোজে দেয়, তাতেও যখন মেয়েটির মৃত্যু না হয় তখন মেয়েটির চাচা মেয়েটির লজ্জা স্হানে রড় ঢুকে দেয়, তখন মেয়েটির অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরন হয়ে মেয়ে মারা যান -
তখন ঐ রাতেই মেয়েটির লাশটি পাশেই মসজিদের ২য় তলাতে রেখে দেয় -
তারপর - পরের দিন মেয়েটির মা চিৎকার করে কাঁদতে থাকে আমার মেয়ে ময়নাকে খুঁজে পাচ্ছি না, এরপর একদিন পর মেয়েটি লাশ মসজিদের ছাঁদে পাওয়া যায়, তখনই মেয়েটির মা চিৎকার করে বলে মসজিদের - ইমাম আর মোয়াজ্জেম আর মেয়েকে ধর্ষন করে মেরে ফেলেছে, ব্যাস পুলিশ এসে মসজিদের ইমাম আর মোয়াজ্জেমকে এ্যারেস্ট করে এবং মেয়েটির লাশ নিয়ে চলে যায় ময়না তদন্তের জন্য -
ফরেনসিক রিপোটে কিছু পাওয়া যায়নি - তখন আদালত ইমাম মোয়াজ্জেমকে ছেড়ে দেয় কিন্তু মেয়েটির মা পুলিশ পুলিশের কাছে অনুরোধ করলে - ইমাম আর মোয়াজ্জেমকে রিমান্ডে নেন কিন্তু কোন লাভ হয় না, তখন তাদের ছেড়ে দেয় -
এ দিকে পাবলিক রিপোটে পুলিশ জানতে পারে মেয়েটির মায়ের সঙাগে তার চাচার পরকিয়া আছে, ব্যাস তখনই মেয়েটির মাকে পুলিশ এ্যারেস্ট করে এবং উত্তম মাধ্যম দিলে সব ঘটনা খুলে বলে -
এরই মধ্যে মেয়েটির মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে বাড়ীতে চলে আসেন - বর্তমানে মেয়েটির চাচা পলাতক আর মা জেল হাজতে - এবং সেই সাথে ময়নার বাবার চাচাতো ২জন ভাইকেও আটক করেছে পুলিশ -
আমি কিছু দিন আগে একটি পোস্ট করেছিলাম - আমি সেই পোস্টে লিখেছিলাম - পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ছেলে মেয়েদের হরমুন খুবই পাওয়ার ফুল - যে কারনেই বাংলাদেশে অন্যান্য দেশের তুলনায় খুন ধর্ষন বেশী হয় - আমার এই পোস্টে অনেকেই পক্ষে এবং অনেকে বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন
পরিশেষে আমার কথাটাই সত্