Md. Al-Amin

Md. Al-Amin Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Al-Amin, Bakery, Dhaka.

28/05/2025

ব্যর্থ সমাজ চিনবেন কিভাবে? ১২ টি লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি ব্যর্থ সমাজ চিনতে পারবেন:

১. ব্যর্থ সমাজে মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে জেগে ওঠে না, জেগে ওঠে হুজুগে। সেখানে বই পড়া, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানচর্চার অভ্যাস কম থাকে।

২. ব্যর্থ সমাজে মানুষ অর্থহীন সস্তা বিনোদনের পিছনে ছোটে। ফলে সস্তা বিনোদন দিয়েও এক শ্রেণীর মানুষ রাতারাতি প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়।

৩. ব্যর্থ সমাজে দুর্নীতিবাজদের সবচেয়ে সফল মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। লোকের চোখে তারাই রোল মডেল।

৪. ব্যর্থ সমাজে অশিক্ষিতরা আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করার দায়িত্ব নেয়। মানুষ শিক্ষাকে কম, টাকা আর ক্ষমতাকে বেশি মূল্যায়ন করে।

৫. ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে হাজার হাজার বোকার হদ্দ থাকে এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে শত শত পচনশীল শব্দ।

৬. ব্যর্থ সমাজে উদ্যোক্তার চেয়ে চাকরিজীবীর দাম বেশি হয়। সেখানে উদ্যোক্তাদের কেউ সম্মান করে না।

৭. ব্যর্থ সমাজে চিন্তাশীল ব্যক্তির মূল্য বা ওজন কেউ বোঝে না। যে কঠিন সত্য বলে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে তাকে কেউ গ্রহণ করে না।

৮. ব্যর্থ সমাজে তরুণ প্রজন্মের সামনে মহৎ কোনো লক্ষ্য থাকে না। যুবসমাজ সেখানে শর্টকাটে বড়লোক হবার রাস্তা খোঁজে।

৯. ব্যর্থ সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হয় নির্বোধ। সমাজের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ আলোচনায় মেতে থাকে, মূল টপিকগুলো হারিয়ে যায়।

১০. ব্যর্থ সমাজে অর্থহীন তত্ত্ব দিয়ে মানুষকে দিনের পর দিন নেশাগ্রস্ত করে রাখা হয়। লোকজন এই নেশা কাটিয়ে উঠে সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ করতে পারে না।

১১. ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবার একটি করে মতামত থাকে, কারণ সবাই সেখানে সবজান্তা!

১২. ব্যর্থ সমাজে মানুষ সমস্যার উপর দিয়ে ভেসে বেড়ায়, কিন্তু গভীরে প্রবেশ করতে পারে না। সমস্যা সমাধানের চেয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাতে সবাই বেশি সিদ্ধহস্ত হয়।

সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করেছেন, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ৩৭% থেকে...
03/04/2025

সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করেছেন, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ৩৭% থেকে ৭৪% পর্যন্ত উন্নীত হয়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়; বরং তিনি প্রায় সব দেশের আমদানি পণ্যের উপর শুল্ক প্রায় দ্বিগুণ করেছেন। সাধারণত, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নিজের দেশের উৎপাদিত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য এবং আমদানি নিরুৎসাহিত করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করার কৌশল হিসেবে।

তবে এ নিয়ে বাংলাদেশের কিছু মানুষের যুক্তির শেষ নেই। অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু আমাদের দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত, যা আসলে সঠিক নয়। আমদানি শুল্ক বাড়ানো কোনো একক দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং এটি ট্রাম্পের সামগ্রিক বাণিজ্য নীতির অংশ, যা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারকে সুরক্ষিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।

আমাদের দেশেও আমদানি শুল্কের একটি কাঠামো রয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই অত্যন্ত উচ্চ হারে নির্ধারিত। যেমন—
✅ সিগারেটের উপর শুল্ক ৬৭%
✅ গাড়ি আমদানির শুল্ক ২০০% থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০০% পর্যন্ত

অর্থাৎ, আমদানিকৃত পণ্যের উপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করা কেবল ট্রাম্পের নীতি নয়; বরং বিশ্বের বহু দেশ নিজেদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা ও দেশীয় শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।

এ ধরনের নীতি দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেয় এবং আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনীতির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে বাণিজ্য নীতির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নের উপর।

23/03/2025

বাজেট কত টাকা?"—একটি অপ্রয়োজনীয় এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতা

সম্প্রতি ফেসবুকে "বাজেট কত টাকা?" নিয়ে একটি ট্রেন্ড চলছে। যারা এ ধরনের প্রশ্ন করছে, তাদের সাধারণ বোধশক্তি নিয়ে সন্দেহ হয়। আর যারা হাসতে হাসতে লাখ লাখ টাকার গল্প শোনাচ্ছে, তারা নিঃসন্দেহে এক ধরনের মানসিক অসংগতিতে ভুগছে। তারা আসলে রোজা বা ঈদের প্রকৃত অর্থই বোঝে না।

ঈদ মানে আনন্দ, ভালোবাসা আর পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো। এটি কখনোই বিলাসিতার প্রতিযোগিতা বা অর্থের অহংকার দেখানোর উপলক্ষ নয়। অথচ, এই ট্রেন্ড দেখে মনে হয়, অনেকে ঈদের মূল শিক্ষা ভুলে গিয়ে শুধু খরচের হিসাবেই আনন্দ খুঁজছে।

তারা একবারও ভাবছে না, এসব প্রশ্ন ও গল্প দেখে কত মানুষ কষ্ট পায়। অনেকেই সীমিত আয়েও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছে, অথচ এই অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা তাদের মনে এক ধরনের চাপ তৈরি করে।

ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য টাকা-পয়সার মধ্যে নয়, বরং আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বিনিময়ে। তাই আমাদের উচিত অহংকারের প্রতিযোগিতা না করে ঈদের প্রকৃত শিক্ষা—সংযম, দানশীলতা ও মানবিকতা—গভীরভাবে উপলব্ধি করা।

20/03/2025

আজকাল ফেসবুকে ঢুকলেই দেখি অনেকে লিখে— "আল্লাহ, আমার বাবা-মাকে জান্নাত দাও," "আমার হজ কবুল করো," "আমার দোয়া কবুল করো," ইত্যাদি। যেন ফেসবুক দোয়া চাওয়ার কোনো মাধ্যম হয়ে গেছে!

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ফরজ ইবাদত যেমন নামাজ, হজ ইত্যাদির পরেও মানুষ দোয়ার জন্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়— "আল্লাহ, আমাদের হজ কবুল করো," "এইমাত্র তাহাজ্জুদ পড়লাম, আল্লাহ কবুল করুন," ইত্যাদি! অথচ আমাদের জানা উচিত, দোয়া করার আসল স্থান সিজদা, নামাজের পর, কিংবা একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে।

ফিলিস্তিনের জন্য সত্যিই দোয়া করতে চান? তাহলে ফেসবুকে পোস্ট না দিয়ে তাহাজ্জুদের সময় উঠুন, নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে হাত তুলুন। রমজান মাস, কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি—তাই দোয়ার সময়টাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়, আল্লাহর দরবারে ব্যয় করা উচিত।

আসুন, আমাদের আমল গোপন রাখার অভ্যাস করি। কারণ আল্লাহ গোপন আমলকে বেশি ভালোবাসেন।

09/11/2024

প্রিয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম,

আপনারা আমাদের জন্য জাতীয় দলের এমন দুইজন খেলোয়াড়, যাদের দেখে আমরা ভরসা পাই, আনন্দে চিৎকার করি, আবার হারলে চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা করে। মাহমুদুল্লাহ ভাই, আপনার সাইলেন্ট কিলিং স্টাইল আর মুশফিক ভাই, আপনার ডিপেন্ডেবল স্বভাবের কারণে আমাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত শান্তি কাজ করে—যেন দুইজনই মাঠে থাকলে যেকোনো ম্যাচ বাঁচিয়ে নেবেন। তবে অনেক দিন তো খেলে ফেললেন! এটা কি আর কোনো ভাইয়ের জন্য রাখলেন না?

অনেক পরিশ্রম করেছেন, অনেক মজা দেখিয়েছেন, অনেক ম্যাচ বাঁচিয়েছেন, এখন মনে হচ্ছে ড্রেসিং রুমে চা-নাস্তা খেয়ে আরাম করাটাই উচিত। এই সিরিজের পর অবসর নিয়ে আপনাদেরও একটু বিশ্রাম দরকার, আর আমাদেরও একটু বুক চাপড়ে বলতে দিন, “ইয়ং স্টাররা কেমন খেলতে পারে দেখো তো!”

সত্যি বলতে, আমাদের সব সময় আপনাদের জন্য গর্বিত থাকবো। তবে বিদায়ের আগে একটুখানি মজা আর হেসে-খেলে দিনটাকে রঙিন করে তুলুন।

19/09/2024

চুরি করলেও হত্যা করা যায় না, কোন আইনে চুরির বিচার হত্যা নাই। ইসলাম যেখানে চুরির সর্বোচ্চ শাস্তি হাত কেটে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেখানে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হল মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীকে।

06/09/2024

Kodak কোম্পানীকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানীতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পূর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারিকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানী তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানীগুলোর মধ্যে কারোরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

UBER কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল UBER.

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

সামনের 20 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

সংগৃহীত!

25/08/2024

জাতির এমন ক্রান্তিলগ্নে যারা বিদ্রোহ করতে পারে তারা মানুষ নয় শু**। বিদ্রোহীদের সাথে কোন আপোষ নয়।

23/08/2024

হঠাৎ করে কি যেন হয়েছে আমাদের দেশের মানুষের । কিছুদিন আগেও কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে কিছু ব্যক্তি বা সংস্থাকে এগিয়ে আসতে দেখেছি আর এখন দলমত নির্বিশেষে সবাই এক হয়ে গেছে। দেশের কোন প্রান্তে সমস্যা হলেই নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে সবাই ঝাপিয়ে পরে । এ যেন এক নতুন বাংলাদেশ। আজকে দেখলাম যে সকল বাচ্চারা বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য রাস্তায় রাস্তায় দাড়িয়েছে তারা হয়তো জীবনে তার বাবা মার কাছেও কোন কিছু চায়নি। আমার দেশের মানুষ উদ্ধারকাজের জন্য নৌকা, স্পিডবোট, গাড়ি, হেলিকপ্টার ফ্রি দিয়ে দিচ্ছে। তেলের দাম নিচ্ছে না, মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করে দিয়েছে সরকার , বিভিন্ন জায়গা থেকে খাবার এবং সাহায্য আসছে, সবাই সবার সর্বাত্মক দিয়ে দেশের এই বিপদের সময় পাশে থাকার চেষ্টা করছে।জাতির এমন বন্ধন যেন সারা জীবন থাকে এটাই শুধু চাওয়া, তাহলে এই জাতিকে কেউ দাবায় রাখতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।

04/06/2024

একজন পুরুষ মানুষ কোন কাজে ব্যর্থ হলে তাকে প্রথমে অবহেলা এবং অপমানিত করে তার প্রিয় মানুষ গুলোই। ব্যর্থতার কারণে তাকে নিয়ে ট্রল করে উপহাস করে থাকে।ব্যর্থতার সময়ে তার পাশে এসে তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোন মানুষ থাকে না। এটাই হচ্ছে সমাজের বাস্তবতা। জীবনে ব্যর্থতার গল্প সে কাউকে বলতে পারে না। কারণ ব্যর্থতার গল্প যাকে বলে সেই সান্ত্বনা না দিয়ে উল্টো তাকে দোষারোপ করে। তাইতো পুরুষ মানুষ প্রিয় মানুষ গুলোর মাঝে সব সময় মিথ্যা অভিনয় করে থাকে‌। আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজন সবারই মাঝে সেই মুখের হাসি দিয়ে ভালো থাকার অভিনয় করে। কারণ পুরুষ মানুষের জানে তার ব্যর্থতা এবং কষ্টের গল্প শুনলে কেউ তাকে সান্তনা দিবে না। আরেকটা ব্যাপার হলো আপনি একটা সময় বুঝতে পারবেন পুরুষ মানুষের নিজের বলতে কোন কিছুই নেই দিন শেষে সে একজন কুলুর বলদ।

18/04/2024

Collected :
- - - - - - - - - - - - - -
আমার ভাই রোডস অ্যান্ড হাইওয়েতে আছে। ৩ কোটি টাকা দিয়ে আমাদের গ্রামের বাড়িতে বাড়ি করছে!

আমি বললাম, আপনার ভাইয়ের বেতন কত?
গর্বে ভরা চেহারাটা মুহূর্তে ছাই হয়ে গেলো।

দোস্তো বলিস না, এই শালা ট্রাফিক পুলিশ, শালারা দুই টাকারও ঘুষ খায়!

দোস্তো, তোদের ফ্লাটে কত খরচ পড়েছে?
-এই সব মিলে ৯৭ লাখ।

তোর বাবা তো ট্যাক্সে আছে, বেতন কত? চেহারা আবারও ছাই।

ওদিকে লায়লা তার বয়ফ্রেন্ডকে বলছে, কাবিন কিন্তু ৩০ লাখ টাকা হতে হবে। (বয়ফ্রেন্ড ২৮ হাজার টাকার বেতনের চাকুরি করে!) না হলে আমার প্রেস্টিজ পাংকচার! ফেবুতে পোস্ট দিয়েছে, "যে ছেলে যৌতুক চায়, তাদের না বলুন!"

এদিকে মেয়ের জন্য বিয়ের প্রস্তাব এসেছে। ছেলে কলেজের টিচার, আরেকজন পিডাব্লিউতে চাকুরি করে। মেয়ের বাবা পরেরজনে মত দেয়ায় মেয়ে বলছে, " বাবা তোমার পছন্দ সেরা"!

এক আত্মীয়ের বাসায় গেলাম। সারা জীবন সততার বুলি আউড়িয়েছেন। মেয়ের জামাই চাকুরি করেন সিটি কর্পোরেশনে। খুব গর্ব করে বলছেন, তার মেয়ে ঘরের ফার্নিচার ৪/৫ বছর পরেই পাল্টায়। মেয়ে খুব সৌখিন। ৮০ লাখ টাকায় ফ্লাট কিনে আরও ৫০ লাখ টাকা খরচ করছে ইন্টেরিয়র কাজে!

জিজ্ঞেস করলাম, ভাইজান, জামাইয়ের বেতন কতো?

অফিসে বসে আছি। একটা ছেলে সালাম দিয়ে ট্রেনের সময় জানতে চাইল। কথায় কথায় বলল তার ভাইও রেলওয়েতে জব করে।
-জিগ্যেস করলাম কোন পোস্ট?

ও বলল ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা। তার ভাই নাকি ৬/৭বছরে অনেক কিছু করেছে।

জিগ্যেস করলাম,তোমার ভাইয়ের বেতন কত?
আর কোন উত্তর নাই...।

আমরা এত নষ্ট হয়েছি, এত নষ্ট হয়েছি যে, আমাদের কোন লজ্জা নেই। ঘুষ আমার অধিকার, কিন্তু কন্ডাকটর ১৫ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই, "এগুলা মানুষ না। এই টাকা খেয়ে এরা কিছুই করতে পারে না। মানুষের টাকা মেরে কিছুই করতে পারে না।" অথচ একটু আগেই বাসে মোবাইলে আলাপ করছিল, একটা বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরির জন্য ৯ লাখ আর ১০ লাখের ঘুষের আলাপ!!

কন্ডাকটর গলা কাটছে। গলা কাটছে শিক্ষিত দুর্বৃত্তরাও। শিক্ষিতদের গলাকাটা বড় নির্মম, দেশটাকে এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয়।
কন্ডাকটররা একটা নিদারুণ সত্যি কথা বলে,
"আফনেরা যে কলমের খোচায় কুটি কুটি টাকা মাইরা খান, হেই হিসাব তো আমরা নেই না!"

কথা সত্যি এবং নিদারুণ সত্যি।

কিছু অসভ্য শ্রমিকদের দেখলাম অ্যাম্বুলেন্সেও কালি দিচ্ছে, আটকাচ্ছে।

সেই অ্যাম্বুলেন্স দেখে মনে পড়ে গেলো এর চেয়ে ভয়াবহ অসভ্য গোষ্ঠীর কথা। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির দালালদের কথা, যারা অতি উচ্চ শিক্ষিত ডাক্তার এবং যাদের পেছনে রাষ্ট্রের কোটি টাকা খরচ হয়। মেয়াদউত্তীর্ণ ঔষধ, আইসিইউতে রেখে গলা কাটার সেই সব অমানুষদের কথা।

মানুষ হয়তো আছে। সংখ্যাটা কম।
মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে।
তা কোথায় হলো, ছেলে কী করে?
যদি ঘুষের ডিপার্টমেন্টের হয়,
দেখবেন মেয়ের বাবা মা, ভাই বোন আর মেয়ের চেহারা খুশিতে কেমন চকচক করে!!

অথচ এই যে অরাজকতা, এই যে ভেজাল জিনিস, এই যে উচ্চমূল্য, এই যে গলাকাটা সেবা, এই যে পেনশনের টাকা তুলতে ফাইলের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে জুতার তলা ক্ষয় হয়ে যাওয়া, এই যে পরীক্ষায় ভালো করলেও চাকুরি না হওয়া, এই সবের মূলে তো ওই যে যেখান থেকে বিয়ের প্রস্তাব এলে জিহবা চকচক করে, চেহারায় (নোংরা) খুশির ঢেউ উঠে, সেই দুর্নীতিবাজদের কারণে।

বিখ্যাত এক অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন, "শুয়োরের বাচ্চাদের অর্থনীতি"! এই শুয়োরের বাচ্চারা কারা?

এই লেখা পড়ে পরে যাদের চেহারায় চপেটাঘাত পড়বে, ছাই হয়ে যাবে, তারা..... আর কি বলতে হবে তারা কি?

13/10/2023

বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা দেখার পর কয়েকদিন সময় লাগবে আপনাকে এটা বুঝতে যে আপনি কেন বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা দেখেন! এই খেলা নিয়ে আমাদের মত সাধারণ মানুষের কোন চাওয়া পাওয়া নাই। আপনার আমার আবেক নিয়ে ক্রিকেট খেলোয়ার বা খেলার সাথে সম্পৃক্ত কারো কোন কিছু যায় আসে না,আমার মনে হয় তারা জিতল না হারলো এগুলো নিয়ে কোন প্রকার এনালাইসিসও করে না। আমার এটাও মাযে মাঝে মনে হয় তারা জিতার চেষ্টাও করে না। শুধু শুধু আমারা ক্রিকেট নিয়ে মাথা গামাচ্ছি৷ ফুটবল খেলাটাও একসময় বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনেক আবেগের জায়গা ছিল এখন ফুটবল ধ্বংস। আর বাংলাদেশর মানুষ এদেশের ফুটবল নিয়ে চিন্তাও করে না। বিশ্বকাপের সময় অন্য দেশের পতাকা দিয়ে দেশ বরে ফেলে। নিজের দেশের খেলোয়ারের নাম না জানলেও অন্য দেশের খেলোয়ারের চৌদ্দ গুস্ঠি চিনে।ক্রিকেটে খেলোয়ার সহ এর সাথে সম্পৃক্ত সবাই এখনো যদি খেলা নিয়ে সিরিয়াস না হয় সেদিন বেশি দেরি নাই যেদিন ক্রিকেট বিশ্বকাপেও ফুটবলের মত আমাদের অন্যান্য দেশকে সমথর্ন করতে হবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Al-Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category