গল্পকথা

গল্পকথা Assalamu alaikum
(11)

 #অন্ধকার-বাংলোর-রহস্যপর্ব ১: রহস্যময় চিঠিবর্ষার এক সন্ধ্যা।আকাশজুড়ে কালো মেঘ। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানিতে পুরো শহর আ...
17/06/2026

#অন্ধকার-বাংলোর-রহস্য

পর্ব ১: রহস্যময় চিঠি
বর্ষার এক সন্ধ্যা।
আকাশজুড়ে কালো মেঘ। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানিতে পুরো শহর আলোকিত হয়ে উঠছে। ঢাকার বিখ্যাত তরুণ গোয়েন্দা আরিয়ান তার অফিসে বসে আগের একটি মামলার নথি ঘাঁটছিল।
হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল।
একজন ডাকপিয়ন ভেতরে ঢুকে একটি পুরনো খাম তার হাতে দিল।
— "আপনার নামে এসেছে।"
আরিয়ান খামটি হাতে নিয়ে অবাক হলো। খামটি খুব পুরনো ধরনের। উপরে কোনো প্রেরকের নাম নেই।
খাম খুলে ভেতরের চিঠিটি বের করল সে।
চিঠিতে কাঁপা হাতে লেখা—
"গোয়েন্দা আরিয়ান,
আমি খুব বড় বিপদে আছি। আমার চারপাশে এমন কিছু ঘটছে যা কাউকে বিশ্বাস করাতে পারছি না। সবাই আমাকে পাগল ভাবছে। কিন্তু আমি জানি কেউ একজন আমাকে অনুসরণ করছে।
দয়া করে যত দ্রুত সম্ভব চলে আসুন। যদি তিন দিনের মধ্যে না আসেন, হয়তো আমাকে আর জীবিত পাবেন না।
— মেহেরুন নাহার"
নিচে একটি গ্রামের ঠিকানা।
চিঠিটি পড়ে আরিয়ানের মনে কৌতূহল জাগল। সাধারণত মানুষ সরাসরি ফোন করে সাহায্য চায়। কিন্তু এই নারী কেন চিঠি পাঠিয়েছেন?
চিঠির তারিখ দেখে সে আরও অবাক হলো।
চিঠিটি পাঁচ দিন আগে লেখা।
অর্থাৎ ইতিমধ্যে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।
সেই রাতেই আরিয়ান যাত্রার প্রস্তুতি নিল।
পরদিন সকালে সে রওনা হলো উত্তরবঙ্গের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের উদ্দেশ্যে।
চার ঘণ্টার পথ পেরিয়ে সে পৌঁছাল গ্রামটিতে।
গ্রামের প্রবেশমুখে একটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে সে বাংলোর খোঁজ জানতে চাইল।
দোকানদার তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাল।
— "আপনি কি ওই অভিশপ্ত বাংলোর কথা বলছেন?"
— "অভিশপ্ত?"
— "হ্যাঁ। রাত হলে ওখানে কেউ যায় না।"
— "কেন?"
— "মানুষ বলে সেখানে মৃত মানুষের ছায়া দেখা যায়।"
আরিয়ান হালকা হেসে বলল—
— "আমি ভূতে বিশ্বাস করি না।"
দোকানদার উত্তর দিল—
— "আমরাও করতাম না। কিন্তু গত এক বছরে যারা ওখানে রাত কাটিয়েছে, তারা সবাই ভয়ে পালিয়েছে।"
কথাগুলো শুনে আরিয়ানের আগ্রহ আরও বেড়ে গেল।
বিকেলের দিকে সে বাংলোর সামনে এসে দাঁড়াল।
বিশাল দোতলা বাড়ি।
চারপাশে বড় বড় গাছ।
বাড়িটা দেখে মনে হয় বহু বছরের পুরনো।
জানালার কিছু কাচ ভাঙা।
দেয়ালের রং উঠে গেছে।
কিন্তু বাড়িটির মধ্যে একটা অদ্ভুত ভয়ংকর নীরবতা আছে।
হঠাৎ পিছন থেকে একজন বৃদ্ধের কণ্ঠ ভেসে এলো—
— "আপনি কি গোয়েন্দা আরিয়ান?"
আরিয়ান ঘুরে দাঁড়াল।
সাদা দাড়িওয়ালা একজন বৃদ্ধ।
— "জি।"
বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
— "আপনি দেরি করে ফেলেছেন।"
— "মানে?"
— "মেহেরুন নাহার তিন দিন আগে নিখোঁজ হয়েছেন।"
আরিয়ানের বুকের ভেতর কেমন যেন ধাক্কা লাগল।
— "নিখোঁজ?"
— "হ্যাঁ। নিজের ঘর থেকে।"
— "কেউ কিছু দেখেনি?"
— "না।"
— "পুলিশ?"
— "তদন্ত করেছে। কিন্তু কোনো সূত্র পায়নি।"
আরিয়ান বাংলোর দিকে তাকাল।
বাতাসে গাছের ডাল নড়ছে।
মনে হলো যেন বাড়িটা তার দিকে তাকিয়ে আছে।
তার অভিজ্ঞতা বলছে—
এই বাড়ির ভেতরে এমন একটি রহস্য লুকিয়ে আছে, যা সাধারণ কোনো নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নয়।
সে তখনও জানত না, এই তদন্ত তার জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক মামলায় পরিণত হতে যাচ্ছে...
চলবে...

(পর্ব ২-এ: বন্ধ ঘরের ভেতরে রক্তের দাগ, ভাঙা ফুলদানি এবং অসম্ভব এক রহস্যের শুরু।)

আমার স্বামী যখন ভিখারি ছিলপর্ব–০১বিয়ের আগে সবাই আমাকে বলেছিল,"মৌ, ছেলেটার কিছুই নেই। না বাড়ি, না গাড়ি, না টাকা।"কিন্তু আ...
17/06/2026

আমার স্বামী যখন ভিখারি ছিল
পর্ব–০১
বিয়ের আগে সবাই আমাকে বলেছিল,
"মৌ, ছেলেটার কিছুই নেই। না বাড়ি, না গাড়ি, না টাকা।"
কিন্তু আমি কাউকে শুনিনি।
কারণ আমি ভালোবেসেছিলাম আরিফকে।
একজন সাধারণ মানুষ, যে একটি ছোট দোকানে কাজ করত।
বিয়ের পর আমরা একটি ছোট ভাড়া বাসায় উঠলাম। সংসার খুব কষ্টে চলত। কখনো মাসের শেষ সপ্তাহে ডাল-ভাত খেয়েই দিন পার করতে হতো।
তবুও আমি সুখী ছিলাম।
কারণ আরিফ আমাকে ভালোবাসত।
কিন্তু বিয়ের তিন বছর পর সব বদলে গেল।
হঠাৎ করেই আরিফের ব্যবসা দাঁড়িয়ে গেল। কয়েক বছরের মধ্যে সে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেল।
বড় বাড়ি, দামি গাড়ি, চাকর-বাকর—সবকিছু চলে এলো আমাদের জীবনে।
আর ঠিক তখনই আমি লক্ষ্য করলাম, আরিফও বদলাতে শুরু করেছে।
আগে অফিস থেকে ফিরেই আমার খোঁজ নিত।
এখন রাত করে বাসায় ফেরে।
আগে আমার হাত ধরে হাঁটত।
এখন ফোনে ব্যস্ত থাকে।
একদিন রাতে তার ফোনে একটি মেসেজ দেখলাম।
"কাল দেখা হবে, জান।"
আমার হাত কাঁপতে লাগল।
আমি পুরো রাত ঘুমাতে পারিনি।
পরদিন আরিফকে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।
বরং চুপচাপ তাকে অনুসরণ করলাম।
আর যা দেখলাম...
আমার পুরো পৃথিবী যেন ভেঙে পড়ল।
একটি রেস্টুরেন্টে বসে আরিফ একটি মেয়ের হাত ধরে হাসছে।
সেই হাসিটা একসময় শুধু আমার জন্য ছিল।
আমার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল।
কিন্তু আমি কাঁদিনি।
আমি শুধু একটা ছবি তুললাম।
তারপর ধীরে ধীরে ফিরে এলাম।
কারণ সেদিন আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
যে মানুষটার পাশে দাঁড়িয়ে আমি তার সবচেয়ে খারাপ সময় পার করেছি...
এবার তাকে তার সবচেয়ে বড় শিক্ষা আমি নিজেই দেব।
চলবে...

আমি চাকরানি নইপর্ব–০২পরদিন সকাল।আমি ইচ্ছে করেই একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠলাম।তিন বছর ধরে প্রতিদিন সবার আগে উঠে নাস্তা বানিয়...
17/06/2026

আমি চাকরানি নই
পর্ব–০২
পরদিন সকাল।
আমি ইচ্ছে করেই একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠলাম।
তিন বছর ধরে প্রতিদিন সবার আগে উঠে নাস্তা বানিয়েছি। শাশুড়ির চা, নুসরাতের পছন্দের অমলেট, ইয়াসিনের টিফিন—সবকিছু আমার দায়িত্ব ছিল।
কিন্তু সেদিন আমি বিছানা ছাড়লাম সকাল নয়টায়।
ঘর থেকে বের হতেই শুনলাম রান্নাঘরে বিশাল হইচই।
"চা কোথায়?"
"নাস্তা কে বানাবে?"
"এই মেয়েটা এখনও ঘুমাচ্ছে?"
আমি শান্তভাবে ওয়াশরুমে গিয়ে মুখ ধুয়ে অফিসের জন্য প্রস্তুত হতে লাগলাম।
শাশুড়ি রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন।
"তুমি কি ভাবছ? এই বাড়িতে নিয়ম নেই?"
আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে বললাম,
"আজ থেকে যার ক্ষুধা লাগবে, সে নিজে রান্না করবে।"
তিনি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না।
"কি বললে?"
আমি ঘুরে তাকালাম।
"আমি এই বাড়ির বউ, চাকরানি না।"
এক মুহূর্তে পুরো ঘর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
ইয়াসিন সোফা থেকে উঠে বলল,
"মিশু, এত বাড়াবাড়ি করছ কেন?"
আমি তার দিকে তাকালাম।
"বাড়াবাড়ি আমি করছি? নাকি তিন বছর ধরে তোমরা করছ?"
কেউ উত্তর দিল না।
আমি ব্যাগ তুলে দরজার দিকে হাঁটলাম।
ঠিক তখনই শাশুড়ি বললেন,
"আজ বাজারের টাকা দিয়ে যেও।"
আমি থামলাম।
মুচকি হেসে বললাম,
"ব্যাংক ট্রান্সফার বন্ধ করে দিয়েছি।"
তার মুখের রঙ পাল্টে গেল।
"মানে?"
"মানে আজ থেকে প্রত্যেকে নিজের খরচ নিজে চালাবে।"
আমি আর এক মুহূর্তও দাঁড়ালাম না।
বাইরে বের হয়ে গাড়িতে উঠলাম।
প্রথমবারের মতো আমার বুকটা হালকা লাগছিল।
কিন্তু আমি জানতাম...
আসল ঝড় এখনও শুরুই হয়নি।
চলবে...

১৫ ঘণ্টা কাজ করার পর স্ত্রী ভিজে ভিজে বাড়ি ফিরলেন এবং দেখলেন, রাতের খাবারের নামে টেবিলে পড়ে আছে শুধু কাঁটা দেওয়া একটুখান...
17/06/2026

১৫ ঘণ্টা কাজ করার পর স্ত্রী ভিজে ভিজে বাড়ি ফিরলেন এবং দেখলেন, রাতের খাবারের নামে টেবিলে পড়ে আছে শুধু কাঁটা দেওয়া একটুখানি খাবার। যখন তিনি সম্মান চাইলেন, শাশুড়ি রেগে বললেন, এখানে পরিবারের সবাই আগে খায়।

“এটা কি আমার রাতের খাবার… নাকি কুকুরের জন্য যা বাকি আছে?”

রাত প্রায় সাড়ে দশটা। আমি অবশেষে বাড়ি ফিরলাম—পা ফুলে গেছে, গলা শুকিয়ে গেছে, শরীর ব্যথায় ভেঙে পড়ছে প্রায় পনেরো ঘণ্টা কাজ করার পর।

তখনই কথাগুলো আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো।

আমার নাম মিশু। আমার বয়স সাতাশ বছর, আমি ঢাকার একটি বড় বিতরণ কোম্পানির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা।

সেদিন আমি ব্যস্ত এক সভা শেষ করে যানজট, হর্নের শব্দ আর বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে শহরের অর্ধেক পথ পেরিয়ে এসেছিলাম—শুধু এই ভেবে যে, বাড়ি ফিরে জুতা খুলে একটু গরম খাবার খাব।

কিন্তু যখন আমি দরজা খুললাম, কেউ আমার দিকে তাকাল না। টেলিভিশনের শব্দ চলছে।

আমার স্বামী, মিস্টার ইয়াসিন, সোফায় হেলান দিয়ে মোবাইল স্ক্রল করছিলেন। তার বোন নুসরাত ডাইনিং টেবিলে বসে ভিডিও কল করছিল, যেন কোনো ইনফ্লুয়েন্সার। আর শাশুড়ি, মিসেস শারমিন, নির্বিকারভাবে সিরিয়াল দেখছিলেন। কেউ “হ্যালো” বলল না।

কেউ জিজ্ঞেস করল না আমি খেয়েছি কিনা।
কেউ খেয়াল করল না আমি ভিজে গেছি।

আমি ব্যাগটা চেয়ারে রেখে রান্নাঘরে ঢুকলাম।
ঠিক তখনই আমার বুকের ভেতরটা ঠান্ডা হয়ে গেল।

চুলায় কোনো খাবার নেই। টেবিলে শুধু পড়ে আছে শুকনো ভাত, অর্ধেক খাওয়া মাছের কাঁটা আর পাতলা ডাল যেটাকে খাবারের চেয়ে পানি বলাই ভালো।

আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।
আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম না। আমি অপমানিত ছিলাম।

আমি প্লেটটা তুলে নিয়ে বসার ঘরে গেলাম এবং শাশুড়ির সামনে রেখে দিলাম।
“তাহলে এটাই আমার জন্য রাখা হয়েছে?”

তিনি একটুও নড়লেন না। শুধু আমাকে উপর-নিচ তাকিয়ে দেখলেন, ঠোঁটে সেই পরিচিত তাচ্ছিল্যের হাসি।

“তুমি দেরি করে এসেছ। এই বাড়িতে সবাই আগে খায়।”

মিস্টার ইয়াসিন গেমের শব্দ কমালেন, কিন্তু কিছু বললেন না। নুসরাত ফিসফিস করে হেসে উঠল।

“আর যদি তোমার এতই টাকা থাকে, বাইরে থেকে অর্ডার করো। নাটক কোরো না।”

আমার ভেতরে কিছু একটা ভেঙে পড়ছিল।

কারণ এই বাড়ি, এই টিভি, এই ইন্টারনেট, এমনকি সবার খরচ—সবকিছুই আমার টাকায় চলত।

মিস্টার ইয়াসিন নিজে ছোট একটি দোকানে কাজ করেন, নিজের খরচ চালান। আমি কখনো তাকে ছোট করে দেখিনি। আমি ভেবেছিলাম, আমরা একটি পরিবার।

কিন্তু ধীরে ধীরে আমি শুধু একজন স্ত্রী না থেকে তাদের “ব্যাংক অ্যাকাউন্ট” হয়ে গেছি।

শাশুড়ি প্রথমে অল্পদিনের জন্য এসেছিলেন। তারপর আর ফেরেননি।
নুসরাতও “কিছুদিন থাকবে” বলে এসে স্থায়ী হয়ে গেল।

আমি শুরুতে সব সহ্য করেছি। রান্না করেছি, বিল দিয়েছি, সব সামলেছি। কিন্তু সেই রাতে আমি বুঝলাম—তারা কৃতজ্ঞ নয়। তারা অধিকার দাবি করছে।

“ইয়াসিন,” আমি স্বামীর দিকে তাকালাম, “তুমি কিছু বলবে না?” তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন,

“আমার মা তোমার চাকরানি নন।”
এই কথাটা আমার গায়ে আগুনের মতো লাগল।

আমি চাকরানি ছিলাম না। কিন্তু তিন বছর ধরে আমাকে তাই বানানো হয়েছে।

শাশুড়ি উঠে দাঁড়িয়ে প্লেটটা ঠেলে দিলেন। “পছন্দ না হলে খেও না। আমার বাড়িতে এসে নাটক কোরো না।”

আমি স্থির চোখে তাকালাম।
“আপনার বাড়ি?” তিনি হাসলেন।
“এটা আমার ছেলের বাড়ি। তাই আমারও।”

ইয়াসিন কিছু বললেন না। আমি কিছু বললাম না। না কাঁদলাম, না চিৎকার করলাম।

শুধু বললাম, “ঠিক আছে।” আমি ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলাম। সেই রাতে আমি কিছুই খেলাম না।

দেয়ালের ওপাশে তাদের হাসি শোনা যাচ্ছিল। আর ইয়াসিন বলছিল,
“সে শান্ত হয়ে যাবে। সবসময়ই তো হয়।”

কিন্তু এবার আমি আর আগের মতো থাকব না।

আমি ব্যাংক অ্যাপ খুললাম। প্রতিটি খরচ দেখলাম—বাড়ির খরচ, বাজার, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, এমনকি শাশুড়ির ওষুধ পর্যন্ত। এক এক করে সব অটো পেমেন্ট বন্ধ করে দিলাম।

তারপর একটি ফোল্ডার খুললাম, যা তারা কেউ জানত না বাড়ির মালিকানার কাগজপত্র, ব্যাংক ডকুমেন্ট।

আমি গভীর শ্বাস নিলাম। এবার আমার ভেতরে ভয় ছিল না। ছিল সিদ্ধান্ত। দরজার ওপাশে শাশুড়ির কণ্ঠ ভেসে এলো, “দেখা যাক, এই মেয়েটা কত দূর যেতে পারে।”

আমি ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করলাম। কারণ তারা শুধু আমার টাকা নেয়নি তারা আমার ধৈর্য, আমার সম্মান, আমার অস্তিত্ব—সব নিয়ে নিয়েছিল।

আর এবার… গল্পটা আর তাদের হাতে থাকবে না।

চলবে..?

#আমি_চাকরানি_নই
পর্ব-০১

🥰🥰🥰🥰
29/10/2023

🥰🥰🥰🥰

05/10/2023
22/09/2023

🥰🥰🥰🥰
22/09/2023

🥰🥰🥰🥰

11/09/2023

এক পাউন্ড এর একটি চকলেট কেক ডেকোরেশন ❤❤❤





Address

Debidwar
BRAHMANBARIA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গল্পকথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গল্পকথা:

Share