কেক এক্সপ্রেস

কেক এক্সপ্রেস Welcome to our baking page, where we celebrate the joy and satisfaction of creating delicious dessert
(1)

14/03/2026

রাসূল ﷺ বলেছেন:

*“আমাদের রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন— কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করব; কে আছে যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব; কে আছে যে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।”*

— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম

14/03/2026

বারবার রমাদান এসে আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয় শয়তানের চেয়েও আমাদের নফস অনেক বেশি ভয়ংকর.!

শয়তান তো বাইরে থেকে কুমন্ত্রণা দেয়,কিন্তু নফস থাকে আমাদের নিজের ভেতরেই! নীরবে,অজান্তেই সে আমাদেরকে টেনে নেয় গুনাহের দিকে,আমাদের রবের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে বড় জিহাদ।

যে নিজের নফসকে দমন করতে পারে,সে-ই সত্যিকার অর্থে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। রমাদান তাই শুধু রোজা রাখার মাস নয়,এটা নিজের নফসকে শুদ্ধ করার মাস,
নিজেকে বদলে ফেলার মাস,আর আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার এক অপূর্ব সুযোগ।

নফস থেকে বাঁচার দোয়া:—

اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাকওয়াহা,ওয়া যাক্কিহা;আনতা খাইরু মান যাক্কাহা,আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলাহা।

অর্থ:হে আল্লাহ! আমার নফসকে তাকওয়া দান করুন এবং তাকে পবিত্র করুন। আপনিই সর্বোত্তম পবিত্রকারী। আপনিই তার অভিভাবক ও রব।

11/03/2026

নবীজির ﷺ যুগে দুজন মহিলা রোজা রেখে তীব্র পিপাসার কারণে মৃত্যুর উপক্রম হয়ে যায়।

নবীজির নিকট তাদের অবস্থা বর্ণনা করা হলে তিনি তাদের ডেকে পাঠান।

তারা আসলে তিনি তাদের ইচ্ছাকৃত বমি করতে বলেন। এরপর তারা পাত্র ভর্তি পুঁজ, রক্ত ও তাজা গোশত বমি করে।

তখন রাসুল বলেন এরা দুইজন বৈধ জিনিস থেকে রোজা রেখেছে( তথা বিরত থেকেছে) আর হারাম জিনিস দিয়ে রোজা ভেঙেছে। একজন অন্যজনের সাথে বসে মানুষের গোশত খেয়েছে তথা গীবত করেছে।

মুসনাদু আহমাদ: ৫/৪৩১

রমাদানে সর্বাবস্থায় যা হালাল সেটাই সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত যেমন না খেয়ে থাকা,স্ত্রী সহবাস হারাম। এসব যতটা সহজেই অভ্যাসগত কারণে ত্যাগ করা যায়, সর্বাবস্থায় যা হারাম যেমন মিথ্যা,গীবত তুহমত চুগোলখোরি ইত্যাদি বর্জন ততটাই কঠিন।

আপনার রোজার কোয়ালিটি কেমন তা আপনার চোখ জিহবা আর কানই সবচে উত্তম মাপকাঠি হতে পারে৷

নিজেই পরখ করে নিবেন।

11/03/2026

রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা ।

১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।

এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)

এখানে আমলের যে হিসাবগুলো দেওয়া হয়েছে, তা মূলত আমাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য। লাইলাতুল কদর যেহেতু 'হাজার মাসের চেয়েও উত্তম', তাই এই সময়ে সামান্য আমলও বিশাল সওয়াবের কারণ হতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, এগুলো কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নয়। আমরা যত বেশি সম্ভব দান-সদকা করব, নফল নামাজ পড়ব এবং কোরআন তেলাওয়াত করব, সওয়াবের পাল্লা তত বেশি ভারী হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই বরকতময় রাতগুলোতে সর্বোচ্চ ইবাদত করার তৌফিক দিন। আমিন।"

আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

10/03/2026

লাইলাতুল কদর পরিপূর্ণ গাইডলাইন :

শেষ দশকের যেকোনো একটা রাতেই হয়ে যেতে পারে লাইলাতুলকদর। আজ মাগরিব থেকেই কদর তালাশের জন্য কোমর বেঁধে কাজ শুরু করতে হবে।

তাই আজ থেকেই,

♦️ এই ৩টা পয়েন্ট ভালো ভাবে মাথায় রাখবো ♦️

➡️ কম আমল করবো কিন্তু খুবই কোয়ালিটিফুল ভাবে করবো।
➡️ গুনাহ কোনোভাবেই করা যাবে না।
➡️ ডিস্ট্র‍্যাক্ট করবে এমন কিছু করা যাবে না।

♦️রুটিন যেভাবে সাজাতে পারি♦️

🕛 সময়: ৬:১০-৮:০০ টা

➡️ ইফতার, মাগরীব, রেস্ট

🕛 সময়: ৮:০০-১০:০০ টা
➡️ এশা, তারাবীহ খুবই মনযোগসহকারে পড়ে ফেলা।

🕛 সময়: ১০:০০-১১:০০ টা

➡️ খাবার খাওয়া, ঘরের কাজকর্ম সেরে ফেলা, রেস্ট নেওয়া।

🕛 ১১টার পর থেকে সাহরির আগ পর্যন্ত যা কিছু করা যেতে পারে :

*১১:০০-১১:৩০:
🔴 অন্তত দুই রাকাত নফল নামাজ খুবই যত্নসহকারে। সিজদাহ্ তে অনেক অনেক সময় নিয়ে দুয়া করতে পারি।

১১:৩০: ১২:০০:
🔴 সলাতের পর কিছুক্ষণ যিকির:
নিজের ইচ্ছামতো যিকির করতে পারেন। তবে আবারও বলছি কম আমল কিন্তু কোয়ালিটিফুলভাবে করবো।

তাই, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেটা শিখিয়ে দিয়েছেন। আমরা শুধু সেটাই করতে পারি। অনেক বুঝে বুঝে, অন্তর থেকে উপলব্ধি করে।

হজরত আয়েশা (রা.) নবীজিকে (সা.) জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, যদি আমি জানতে পারি আজ লাইলাতুল কদর তাহলে আমি কী দোয়া করতে পারি?

নবীজি (সা.) বললেন, তুমি বলো, اللّهُمّ إِنّكَ عُفُوّ تُحِبّ الْعَفْوَ ।فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আননি।
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি : ৩৫১৩)

এছাড়াও, দুরুদ ইস্তিগফারসহ নিজের ইচ্ছামতো যিকির করা যেতে পারে।

১২:০০-১২:৩০:
🔴 দু'আ : আগামী এক বছরের মধ্যেই আমরা যা যা প্রয়োজন সেগুলোসহ আখিরাতের আমার যা যা দরকার তা চাইবো। এজন্য আমরা একটা রুটিন করতে পারি যে একটা নির্দিষ্ট সময়ে শুধু আখিরাতের সকল জিনিসগুলো চাইবো। আবার কিছুক্ষণ ব্রেক নিয়ে পরবর্তীতে আমার দুনিয়াবি জরুরতগুলোর জন্য দুয়া করতে পারি।

১২:৩০-১:০০ঃ
🔴 ব্রেক : কিছুক্ষণের জন্য ব্রেক নেয়া যেতে পারে। চাইলে হালকা করে ৩০ মিনিটের একটা ন্যাপ নিতে পারেন।

১:০০-২:০০ঃ
🔴 কুরআন তিলাওয়াত - সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, তিন কূল, আয়াতুল কুরসি পড়তে পারি। এছাড়াও নিজের ইচ্ছামতো একটা স্পেসিফিক টার্গেট ফিক্সড করে নিতে পারি ইনশাআল্লাহ।

🔴 তাদাব্বুর -- শেষ দশ রাতের জন্য আমরা বাংলা অর্থ পড়ার জন্য কুরআনের শেষ পাড়াটা টার্গেট নিতে পারি।

২:০০-২:৩০:
আবারও দুই রাকাত নামাজ
২:৩০-৩:০০:
যিকর
৩:০০-৪:০০ঃ
দুয়া
তিলাওয়াত / তাদাব্বুর

সর্বপরি আমরা আমাদের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেদের সাধ্যে মতো ইবাদত করবো, ফরজ ইবাদতগুলোর পর আর কিছু পারি বা না পারি যিকির, দুয়া এবং সাদাকা সর্বাবস্থায় করতে পারি ইনশাআল্লাহ।

(হে আল্লাহ, আমাকে এমন তাওবা দিন যা আমার জীবন বদলে দেয়, আর আমাকে আর কখনো গুনাহের পথে ফিরতে না হয়)ইয়া তাওয়্যাব, ইয়া গফফার,...
09/03/2026

(হে আল্লাহ, আমাকে এমন তাওবা দিন যা আমার জীবন বদলে দেয়, আর আমাকে আর কখনো গুনাহের পথে ফিরতে না হয়)

ইয়া তাওয়্যাব, ইয়া গফফার, ইয়া রহীম...

আমি আপনার দরজায় এসেছি এক ভাঙা মন নিয়ে, এক অপরাধবোধে ভরা হৃদয় নিয়ে। আমার মুখে লজ্জা, অন্তরে কান্না-কারণ আমি জানি, আমি আপনাকে কতবার অসন্তুষ্ট করেছি, কতবার আপনার দেওয়া নিয়ামত ব্যবহার করেছি গুনাহের পথে। আপনি আমাকে কত হাজার বার সুযোগ দিয়েছেন, আমি আবারও ভুল করেছি। আপনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন, আমি ফেরার আগেই যেন গাফেলতায় ডুবে গিয়েছি। হে আল্লাহ, আমি আর পারছি না। আমি সত্যিই ফিরতে চাই। এবার এমনভাবে ফিরতে চাই, যেন আর কখনো পেছনে তাকাতে না হয়। এমন তাওবা চাই, যা আমার আত্মাকে নতুন করে গড়ে তোলে।

ইয়া মালিকুল মূলক, ইয়া লতীফ, ইয়া হালীম...

আপনি তো জানেন আমার অতীত। আপনি জানেন আমি কেমন ছিলাম, এবং এখন কেমন হতে চাই। আমি নিজের ভেতরের অন্ধকারের কথা কাউকে বলতে পারি না, কিন্তু আপনি সবকিছু জানেন। আপনি জানেন আমার সেই গোপন গুনাহগুলো, যেগুলোর কথা আমি ভুলেও কাউকে জানাতে পারি না, অথচ আপনি জানেন, দেখেছেন, আপনি আমার সীমা লঙ্ঘন সহ্য করেছেন। আজ সেই বোঝা কাঁধে নিয়ে আমি এসেছি আপনার দরবারে-নিজের গুনাহের বোঝা হালকা করতে, নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার করতে, ক্ষমা চাইতে, নিজেকে ভেঙে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে। হে আল্লাহ, আমাকে নতুন করে গড়ে তুলুন।

আমাকে সত্যের পথে শক্ত রাখুন। গুনাহ এবং সময় নষ্টকে বানিয়ে দিন আমার চোখের বিষের মতন অপছন্দনীয়। বিষয় যেন আমার নাফস গুনাহের দোটানায় সময় নষ্ট না করে।

আমাকে হালকা করে দিন। আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমাকে ফিরিয়ে নিন।

ইয়া নূর, ইয়া হাদি, ইয়া কারীম...

আপনি আমাকে এমন একটি হৃদয় দিন, যা গুনাহের চিন্তাতেই কাঁপে, যা তাওবার সুখে ভরে ওঠে। আমাকে এমন একজন বান্দা করে দিন, যে আপনার ভালোবাসার ভয়ে গুনাহ থেকে দূরে থাকে, শুধু জাহান্নামের ভয় নয় বরং আপনাকে কষ্ট না দেওয়ার ভয়েই কান্না করে। আমার অন্তরে আপনার ভয়, আপনার ভালোবাসা, আর আপনাকে হারানোর আতঙ্ক এমনভাবে গেঁথে দিন-যেন শয়তানের কোনো ধোঁকা আর আমাকে টানতে না পারে। হে আল্লাহ, আমি চাই না আপনি আমার প্রতি বিরক্ত থাকুন। আমি চাই না আপনি আমাকে দূরে ঠেলে দিন। বরং আপনি আমাকে এতটা ভালোবাসুন-যেন সেই ভালোবাসাই আমাকে সব গুনাহ থেকে সরে যেতে বাধ্য করে।

হে রহমানুর রাহিম...

আমি জানি, এই পৃথিবীটা ধোঁকার জায়গা। এখানকার গ্ল্যামার, লোভ, প্রশংসা, চাহিদা, হিংসা, অহংকার-সব আমাকে আবারও গুনাহের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাই আমি চাই আপনি আমার চারপাশে এমন একটা রহমতের প্রাচীর গড়ে দিন-যা আমাকে আবারও পেছনের অন্ধকারে ডুবতে না দেয়। আপনি আমার সময়গুলো এমন ভালো কাজে ভরিয়ে দিন-যেন গুনাহের সুযোগই না থাকে। আপনি আমাকে এমন বন্ধু দিন, এমন সঙ্গ দিন, এমন পরিবেশ দিন, যেগুলো আমাকে আপনার কাছেই নিয়ে যায়। আপনি আমার জীবনকে এক তাওবাহকারীর জীবন বানিয়ে দিন-যেন মাসুম বাচ্চার মত পবিত্র।

اللَّهُمَّ اجْعَلْ تَوْبَتِي نَصُوحًا، وَاجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ الْأَوَّابِينَ، وَلَا تَجْعَلْنِي مِمَّنْ يَعُودُ بَعْدَ الْإِنَابَةِ، وَاغْسِلْ قَلْبِيْ مِنْ آثَارِ الذَنْبِ، يَا غَفُوْرُ، يَا تَوَّاب

আল্লাহুম্মাজ'আল তাওবাতী নাসূহা, ওয়াজ'আলনী মিনাত্ তাওয়াবীনাল আউয়াবীন, ওয়া লা তাজ'আলনী মিম্মান ইয়াঊদু বা'দাল ইনাবাহ্, ওয়াগসিল ক্বালবী মিন আছারিয যাম্ব, ইয়া গাফূর, ইয়া তাওয়্যাব।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার তাওবাকে পরিপূর্ণ করুন। আমাকে তাওবাকারী ও বারবার আপনার দিকে ফিরে আসা বান্দাদের মধ্যে রাখুন। আমাকে এমন করে দিন যে তাওবা করার পর আর ফিরেও না তাকায়। আমার হৃদয় থেকে গুনাহর ছায়াগুলো ধুয়ে দিন-হে ক্ষমাশীল, হে তাওবা কবুলকারী।

আমিন, ইয়া রাব্বি।

- 'আমার প্রিয় দুআর ডায়েরি বই' থেকে

02/03/2026

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি ঘটনা তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।

আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!

আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল...?

কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-

▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু

অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-

▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।

অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-

▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।

অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-

▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহান আল্লাহ "

27/02/2026

আজ আরেকটা সিক্রেট বলি। দুআ কবুলের সিক্রেট।

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ একবার এক শহরে গেলেন। সেখানে যেতে যেতে রাত হয়ে যায়। তিনি একটা মসজিদে শুয়ে পড়লেন। কিন্তু মসজিদের দারোয়ান এসে ইমামকে না চিনে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে। কিন্তু ইমাম অনুরোধ করলেন রাতটা কাটাতে দেয়ার। সে শুনল না। এমনকি ইমাম আহমাদকে টেনেহিঁচড়ে মসজিদ থেকে বের করে মসজিদে তালা লাগিয়ে দিলো। অগত্যা তিনি এক রুটির দোকানে গিয়ে দোকান মালিকের কাছে অনুমতি চেয়ে সেখানে শুয়ে পড়লেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল হঠাৎ খেয়াল করলেন রুটিওয়ালা প্রত্যেকটা রুটি বেলে হাতে থাবা দিয়ে তন্দুরে লাগাতে লাগাতে বলছে: *আস্তাগফিরুল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ!*

ইমাম অবাক হলেন। যদিও তিনি এই হাদিস জানেনই যে ইস্তিগফার পড়লে শুধু গুনাহ মাফ হয় তা না। ছোটবড় যাবতীয় দুআও কবুল হয়। তাই তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমাকে দেখলাম অনেক ইস্তিগফার পড়ছো। ভাই! তুমি কি তোমার অত্যাধিক ইস্তিগফারের ফসল পেয়েছো?

রুটিওয়ালা খুবই সাধারণ ভঙ্গিতেই উত্তর দিলো: হ্যাঁ জনাব! আমি যত দুআ করেছি এই পর্যন্ত সব দুআই আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। শুধু একটা দুআ এখনো বাকী।

ইমাম জানতে চাইলেন: কী সেই দুআ?

এরপর রুটিওয়ালা যা বলল তা পড়ে আমি আম্মারুল হক বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছি 'আল্লাহু আকবার' বলে। রুটিওয়ালা কী বললেন জানেন? সে বলল: সেই দুআটা হলো: ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে যেন আল্লাহ পাক আমার এই দুই চোখ দিয়ে দেখায়।

ইয়া সুবহান! আল্লাহু আকবার! ইমাম বললেন: আমিই আহমাদ ইবনে হাম্বল।

আল্লাহ তায়ালা তার এক রুটিওয়ালা বান্দার ইস্তিগফারের পুরষ্কার দিয়ে তার দুআ কবুল করাতে কি আয়োজনটাই না করলেন! ইমাম আহমাদকে সেই শহরে এনে মসজিদ থেকে দারোয়ানকে দিয়ে বের করিয়ে রুটিওয়ালার দোকানে এনে শোয়ালেন। চিন্তা করা যায়!

এজন্যই তো হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

مَن لَزِمَ الاستغفارَ ، جعل اللهُ له من كلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا ، ومن كلِّ هَمٍّ فَرَجًا، ورَزَقَهُ من حيثُ لا يَحْتَسِبُ

*যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে আবশ্যিক করে নেবে আল্লাহ তায়ালা তাকে সমস্ত পেরেশানী থেকে উদ্ধার করবেন। সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে শান্তি দেবেন। এমন জায়গা থেকে রিযিক দিবেন যা সে ধারণাও করে না।*

[আবু দাউদ ১৫১৮]

26/02/2026

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!

প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি।

কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন : “কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!” [সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯০]

তারা কারা? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন : “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহিহ বুখারী : ১৯০৩]

অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না।
অথচ আমরা অহরহই এমন করি।

বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়।

আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন : “যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।” [সুনানে আবু দাউদ : ৪৮০০]

24/02/2026

*সুন্দর* হওয়া একটি পরীক্ষা আর *কম সুন্দর* হওয়াও একটি পরীক্ষা। তবে আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, তা *নিশ্চয়ই বৃথা নয়*।

*"নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সর্বোত্তম গঠনে সৃষ্টি করেছি"*।

> _সূরা আত-তীন, আয়াত ৪

24/02/2026

জান্নাতের দরজা খোলা পেয়েও রমাদ্বানে যাদের দুনিয়াবি ব্যস্ততা বেড়ে যায় নিঃসন্দেহে শয়তান তাদের আমীর এবং তারা শয়তানের ডাই-হার্ড ফ্যান।

কেননা নেতা বন্দী হলে একমাত্র খাস,একনিষ্ঠ ভক্ত-অনুরক্তদেরকেই মূল্যবান রত্নভান্ডারের দরজা খুলে দিলেও কনভিন্স করা যায়না।
তারা প্রতিবাদের নামে নানা আয়োজনে ব্যস্তই হয়না শুধু ; এই বুঝি জীবনটাই বের হয়ে যাবে মিছিল মিটিংয়ে এমন হাঁক-ডাক ছাড়ে।

অনুরূপ শয়তানের খাস শাগরেদগুলোর আধ্যাত্মিক প্রতিবাদ হচ্ছে, জান্নাতের দরজা খোলা পেয়েও ব্যবসায় ডুবে যাওয়া, শপিং (করতে করতে ক্লান্তিতে জিভ বের হয়ে আসে), রান্না-খাওয়া(এতো বেশি যে হাসফাস করে) ইত্যাদি অহেতুক নানা আয়োজন-অনুষ্ঠানে ব্যতিব্যস্ত হওয়া।

আমার প্রিয় বোনেরা!
জান্নাত কেনার ভরপুর মৌসুমে দুনিয়া কিনবেন না।
"রমাদ্বানে শপিং না"

ঈদ উদযাপনের শপিং হবে রজব মাসে কিংবা সর্বোচ্চ শাবানের শুরুতে। আপনারা নিজ অবস্থানে এ বিষয়ে কঠোর হলে রমাদ্বানে দুনিয়া নিয়ে ডুবে থাকার পুরো সিস্টেম চেইঞ্জ হয়ে আসতো, ব্যবসায়ী ব্যবসা করতো রজব মাসে, মালিকও তার অধীনস্থকে তখন বোনাস নামে হাদিয়া দিতো রজব মাসে, সর্বসাধারণেরও তখন এ মাসে কেনাকাটা করতে বেগ পেতে হতোনা। এভাবে ইবাদতের মাসটা ইবাদতের জন্যই খাস হয়ে যেতো, দুনিয়া কামাইয়ের হিড়িক পড়ে এ মাসের সম্মান ক্ষুন্ন হতোনা, আজীম এ মাসের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রদর্শন হতোনা।

যে মাসে প্রতিটি তাসবীহ,তাহলীলের বিনিময়ে জান্নাতে একটি যমরুদ পাথর দিয়ে বাড়ি বানানো হয় সে মাসে মৃত বকরির পচে যাওয়া ভুড়ির চেয়েও নগন্য সামগ্রী দ্বারা দুনিয়া সাজানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবেন না।

যে মাসে না খেয়ে থাকাই আপনার আমার রবের পছন্দ সে মাসে নানা আইটেমের ফাঁদে সময় নষ্ট করে ভুড়ি উষ্ণ করবেন না।

মাহবুবে হাকিকির স্মরণেপূর্ণ আয়োজন ছাড়া কোনো অনুষ্ঠান করবেন না, অহেতুক কোনো অনুষ্ঠানে যাবেনওনা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাওফিক দান করুন।

وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا مَن يُنِيبُ
اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْنا مِنْ حِزْبِ الشَّيْطَانِ

24/02/2026

*পর্দা—*
`চেহারা ঢাকা নিয়ে মতবাদ`

*পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়।* *এতে তাদের চেনা সহজ হবে। ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আহযাব : ৫৯)*

*আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা মুমিন নারীদেরকে আদেশ করেছেন যখন তারা কোনো প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে তখন যেন মাথার উপর থেকে ওড়না/চাদর টেনে স্বীয় মুখমন্ডল আবৃত করে। আর (চলাফেরার সুবিধার্থে) শুধু এক চোখ খোলা রাখে।-(ফাতহুল বারী ৮/৫৪, ৭৬, ১১৪)-*

*ইবনে সীরিন বলেন, আমি (বিখ্যাত তাবেয়ী) আবীদা (সালমানী রাহ.)কে উক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, কাপড় দ্বারা মাথা ও চেহারা আবৃত করবে এবং এক চোখ খোলা রাখবে।*

*মাহরাম কাদের বলা হয়?*

*অন্য জায়গায় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা তাঁদের (নবী পত্নীদের) নিকট কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাও। এই বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। তোমাদের কারো জন্য আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেওয়া সংগত নয় এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পত্নীদেরকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য কখনো বৈধ নয়। আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা ঘোরতর অপরাধ। -(সূরা আহযাব (৩৩) : ৫৩)*

*পর্দা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ*ব *ফরজ বিধান। তবে নারী-পুরুষদের* *জন্য নির্দিষ্ট কিছু মানুষের সাথে পর্দার বিধান নেই।* *তাদের সঙ্গে দেখা করার বিধান* *রয়েছে। এই মানুষদের মাহরাম বলা* *হয়। ইসলামী পরিভাষায়* *মাহরাম বলা হয়, যাদেরকে বিবাহ করা হারাম বা অবৈধ এবং দেখা করা বা দেখা দেওয়া জায়েয বা বৈধ।*

Address

South Khulshi, Road No #1
Chittagong

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:31
Thursday 08:00 - 23:55
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 08:00 - 11:40
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801812346243

Website

https://www.facebook.com/CakeEx

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কেক এক্সপ্রেস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কেক এক্সপ্রেস:

Share