07/02/2026
গবেষণায় দেখা গেছে, কলই শাক (যা অনেক এলাকায় খেসারির শাক নামেও পরিচিত) পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি শাক। আপনি যদি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এটি রাখেন, তবে শরীরের বেশ কিছু উপকার হয়।
নিচে কলই শাকের প্রধান উপকারিতাগুলো দেওয়া হলো:
রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করে: কলই শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। এটি শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা রক্তাল্পতায় ভোগা রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
হাড় মজবুত করে: এই শাকে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় এবং দাঁত শক্ত রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে বাড়ন্ত শিশু এবং বয়স্কদের হাড়ের ক্ষয় রোধে এটি বেশ কার্যকর।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: এতে উচ্চমাত্রায় ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে। এই আঁশ হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে: কলই শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা চোখের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা: এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের টক্সিন বের করে দেয়, যা ত্বককে সতেজ রাখে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে ভূমিকা রাখে।
⚠️একটি ছোট সতর্কতা:⚠️
সবকিছুরই যেমন ভালো দিক আছে, কিছু সতর্কতাও প্রয়োজন। কলই শাক বা খেসারির ডালে 'বোয়া' (BOAA) নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। যদি কেউ দীর্ঘ সময় ধরে, টানা অন্য কোনো খাবার না খেয়ে শুধু এই শাক বা ডাল প্রচুর পরিমাণে খায়, তবে 'ল্যাথারিজম' (এক ধরণের প্যারালাইসিস) হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে ভাতের সাথে পরিমিত পরিমাণে খেলে ভয়ের কোনো কারণ নেই।