19/09/2026
📌📌স্বামীর কোটি টাকার সম্পত্তি, ফ্ল্যাট-গাড়ি, সবই আছে! তবুও এই গরমের মধ্যে নদীর মাঝখানে নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে ব্যবসার জন্য তাজা ইলিশ সংগ্রহ করেন এই নারী! 😮
সাধারণত কনটেন্ট ক্রিয়েটর নারীদের বিউটি পার্লার, বুটিক হাউস কিংবা তেলের ব্যবসা করতে বেশি দেখা যায়। কিন্তু ‘প্লাউ আপু’ (ফাতেমা) যেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম এক পথ বেছে নিয়েছেন। তাঁর অনলাইন পেজ ‘ফাতেমার তাজা বাজার’-এ বগুড়ার বিখ্যাত সরা দই, দেশি হাঁস-মুরগি, ডিম থেকে শুরু করে চাঁদপুরের আসল তাজা ইলিশ পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।
যাঁর স্বামী কোটিপতি, টাকা-পয়সা কিংবা আরাম-আয়েশের কোনো কমতি নেই, তাঁর পক্ষে তো ঘরে বসে রাজরানীর মতো দিন কাটানোই স্বাভাবিক। অথচ আজ শুক্রবার, স্বামীর ছুটির দিনেও স্বামীকে বিশ্রাম করতে না দিয়ে উল্টো স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন! উদ্দেশ্য, জেলেদের নৌকা থেকে নিজের হাতে তাজা ইলিশ সংগ্রহ করে গ্রাহকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া।
কিছুদিন আগে বগুড়ার সরা দইয়ের সর যাওয়া নিয়ে এক গ্রাহক নেগেটিভ রিভিউ দেওয়ায় প্লাউ আপু একটি ভিডিও বানিয়ে বলেছিলেন, “আপনার দইয়ে সমস্যা হলে আমাকে বলতেন, চেঞ্জ করে আরেকটা পাঠাতাম। আমি ফাতেমা বুঝছেন, টাকার জন্য ব্যবসা করি না, মানুষকে খাঁটি জিনিস পৌঁছে দেওয়ার জন্যই ব্যবসায় নেমেছি।”
সেদিন অনেকেই হয়তো তাঁর এই কথাটিকে কথার কথা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ কোটিপতি স্বামীর সঙ্গে নদীর বুকে এই হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর পণ্যের কোয়ালিটি ধরে রাখার এমন জেদ দেখে মনে হচ্ছে, ভদ্রমহিলা সত্যিই শুধু টাকার পেছনে ছুটছেন না।
মানুষ যেন না ঠকে, খাঁটি জিনিসটা যেন পায়, এই জেদটাই হয়তো তাঁকে দিয়ে এত পরিশ্রম করাচ্ছে। টাকা-পয়সার কোনো অভাব নেই, তারপরও শৌখিন জীবন বাদ দিয়ে পণ্যের পেছনে এভাবে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা, বিষয়টা সত্যিই ভাবার মতো।
টাকার পাহাড় থাকার পরও এ ধরনের কষ্টসাধ্য অনলাইন বিজনেসের প্রতি ভদ্রমহিলার এই অসম্ভব ডেডিকেশন কি শুধুই প্যাশন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে? 🤔