12/03/2026
সূরা আদ দোহা যেদিন নাজিল হয় সেদিন একটা চমৎকার ঘটনা ঘটে।
জিবরাইল (আঃ) যখন নবী (সঃ) কে শিখাচ্ছিলেন-
ওয়া লাছাওফা ইউ‘তীকা রাব্বুকা ফাতারদা।
তখন নবী (সঃ) থেমে গেলেন। কোরআন নাজিলের সময় তিনি খুব কষ্ট পেতেন। ওনার উপর অনেক প্রেসার পড়ত। তিনি ঘেমে যেতেন। আরবে তখন অনেক বেশি গরম ছিল। এত কষ্টের মাঝেও তিনি জিবরাইল (আঃ) কে বললেন,
এই জিবরাইল থাম।থাম। আমার কিছু কথা আছে। তুমি সাক্ষী। আল্লাহ্ বলেছেন তিনি আমাকে খুশি করে ছাড়বেন। তাই আমি আল্লাহ্র কাছে কিছু চাইতে চাই।
জিবরাইল (আঃ) অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন,হে নবী আপনি কি চান আল্লাহ্র কাছে?
তখন তিনি বললেন, তোমাকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই,আমার একজন উম্মতও যদি জাহান্নামে থাকে তাহলে আমি আল্লাহ্র উপর খুশি হব না। না না না। সবাইকে জান্নাতে না নেয়া পর্যন্ত আমি আল্লাহ্র উপর খুশী হব না।
তিনি এমন এক সৃষ্টি যিনি এই উম্মতের জন্য অসীম মায়া নিয়ে দুনিয়ায় এসেছেন।
মারা যাবার আগে ওনার চোখে পানি। আজরাইল (আঃ) ওনার বুকে হাত দেয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন।নবী(সঃ) এর অনুমতি ছাড়া জান কবজ করতে আল্লাহ্ নিষেধ করে দিছেন।
জিবরাইল (আঃ) তখন নবী(সঃ) কে বললেন, হে নবী,আল্লাহ আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।আপনি কি যেতে চান না?
তখন তিনি বললেন,না।আগে আল্লাহ্কে জিজ্ঞেস কর আমি না থাকলে আমার উম্মতকে দেখে রাখবে কে?
তখন আল্লাহ্ জিবরাইল(আঃ) কে বললেন, আমার নবীকে বল আমি তার উম্মতকে একা রাখবো না।। আমি তাদেরকে দেখে রাখবো। আমি তাদেরকে আগলে রাখবো।
আল্লাহ্ তাঁকে যে ওয়াদা করেছেন তা আজও আছে। হাশরের মাঠেও থাকবে।
আল্লাহ্ আমাদের একা রাখেন নাই। যে কোন বিপদে তিনি আমাদের ছায়া দেন।
জীবনে কত ঝামেলায় পড়লাম। কত কি গেল জীবনের উপর দিয়ে। কিন্তু আল্লাহ্ কোন না কোন ভাবে একটা উপায় বের করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে একা করেন নি। তিনি আমাকে নিঃস্ব করেন নি। আলহামদুলিল্লাহ্।
- Md Toukir Hossain