Bangla Cuisine

Bangla Cuisine Eat healthy live healthy.....
Don’t compromise with taste for health
Here you can get authentic flavors & perfect balanced combo of homemade healthy food.

ক্রীম অফ টারটার কী??? কেনো বেকিং এ ব্যবহার করা হয়??? কী কাজে ব্যবহার করা হয়???🤔১. ক্রীম অফ টারটার মূলত একটি স্ট্যাবিলাইজ...
30/12/2025

ক্রীম অফ টারটার কী??? কেনো বেকিং এ ব্যবহার করা হয়??? কী কাজে ব্যবহার করা হয়???🤔

১. ক্রীম অফ টারটার মূলত একটি স্ট্যাবিলাইজার।

২. বেকিং সোডার সাথে ক্রীম অফ টারটার এড করলে বেকিং পাউডার পেয়ে যাবেন। এবং এই বেকিং পাউডার এর মেয়াদ থাকবে অনেকদিন, যেখানে নরমালি বেকিং পাউডার এর মেয়াদ থাকে ৩-৬ মাস।

৩. ডিমের সাদা অংশ ফোম করতে টারটার ব্যবহার করুন সামান্য পরিমানে, এতে ডিমের ফোম অনেক বেশি স্টিফ থাকবে এবং শুকনো উপকরণ মিক্স করার সময় ডিমের ফোম ভেংগে যাবেনা।
এঞ্জেল ফুড কেক, ম্যাকারন কুকিজ, মেরাং এই পাই এই ধরনের রেসিপিতে ক্রীম অফ টারটার মাস্ট।

৪. এই পরিবর্তে ভিনেগার বা লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

24/12/2025
রজব ও শা‘বান: রমাদানের প্রস্তুতি মাসরমাদান কড়া নাড়ছে। রমাদানের আগেই প্রস্তুতির ডাক এসে গেছে।  আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রোড...
24/12/2025

রজব ও শা‘বান:
রমাদানের প্রস্তুতি মাস
রমাদান কড়া নাড়ছে। রমাদানের আগেই প্রস্তুতির ডাক এসে গেছে। আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রোডাক্টিব রমাদানের জন্য আগে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির মাস রেখেছেন—রজব ও শা‘বান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ রজব মাস আসলে একটি বিশেষ দোয়া করতেন—

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ وَشَعْبَانَ وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ

উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রাজাবা ওয়া শা‘বান, ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।

অর্থ:

হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শা‘বান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমাদান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

— বায়হাকি, শু‘আবুল ঈমান: ৩৫৩৪

— মু‘জামুল আওসাত, তাবারানি: ৩৯৩৯

কেন রজব ও শা‘বান রমাদানের প্রস্তুতির মাস?

১. শা‘বান মাসে আমল আল্লাহর কাছে উঠানো হয়

উসামা ইবন যায়েদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলাম: আপনি শা‘বান মাসে এত বেশি রোজা রাখেন কেন? তিনি বললেন— “এটি এমন এক মাস, যা রজব ও রমাদানের মাঝখানে পড়ে, মানুষ এ মাসের ব্যাপারে গাফেল থাকে। অথচ এ মাসেই বান্দার আমলসমূহ আল্লাহ তাআলার কাছে উঠানো হয়। আর আমি চাই, আমার আমল যেন রোজা অবস্থায় উঠানো হয়।”

— সুনান আন-নাসাঈ: ২৩৫৭

— মুসনাদ আহমাদ: ২১৭৫৩

২. রাসূল ﷺ শা‘বান মাসে বেশি নফল ইবাদাত করতেন

আয়েশা (রাঃ) বলেন— “আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে শা‘বান মাসের মতো অন্য কোনো মাসে এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি।”

— সহিহ বুখারি: ১৯৬৯

— সহিহ মুসলিম: ১১৫৬

এর উদ্দেশ্য ছিল রমাদানের জন্য নিজেকে শারীরিক ও আত্মিকভাবে প্রস্তুত করা।

রজব ও শা‘বানে আমাদের করণীয়:

রমাদান সফল করতে হলে প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে হবে—

—ফরজ নামাজে খুশু‘ ও নিয়মিততা আনা

—গুনাহ, হারাম অভ্যাস ও বদ আমল থেকে তওবা করা

—কুরআন তিলাওয়াত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা

—সকাল–সন্ধ্যার যিকর ও মাসনুন দোয়ায় অভ্যস্ত হওয়া

সূরা কাহফ মুখস্থ করার সময় ১০ম আয়াতে একটি খুবই সুন্দর দুআ আছে। নিয়মিত এটি আমল করতে পারি ইনশাআল্লাহ্। দুআর কথাগুলো কতো চমৎ...
18/12/2025

সূরা কাহফ মুখস্থ করার সময় ১০ম আয়াতে একটি খুবই সুন্দর দুআ আছে। নিয়মিত এটি আমল করতে পারি ইনশাআল্লাহ্। দুআর কথাগুলো কতো চমৎকার!

رَبَّنَآ ءَاتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

" রব্বানা- আতিনা- মিল্লা দুনকা রহমাতাও ওয়া হাইয়্যি লানা- মিন আমরিনা- রশাদা- "

‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য আমাদের কর্মকান্ড সঠিক করে দিন’। [সূরা কাহফঃ ১০]

কুরআনে যে কয়টি কবুলকৃত দুআ উল্লেখ আছে, তার মধ্যে এটি একটি। তাই বেশি বেশি এই দুআ পড়তে পারি।
ইনশাআল্লাহ্ 🤍

“যে কেউ শুক্রবারে সূরা আল-কাহফ পড়বে পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত সে নূর দ্বারা আলোকিত থাকবে।” [মুস্তাদরাকে হাকিম: ২/৩৬৮]

জুমাবারে মিস না হোক সূরা কাহফের তিলাওয়াত।

18/12/2025
তাহিয়্যাতুল অজু কী?তাহিয়্যাতুল অজু হলো অজু সম্পন্ন করার পরে আল্লাহর শোকর আদায়ে দুটি রাকাত নফল নামাজ পড়া। এটি কিছুটা ...
06/12/2025

তাহিয়্যাতুল অজু কী?

তাহিয়্যাতুল অজু হলো অজু সম্পন্ন করার পরে আল্লাহর শোকর আদায়ে দুটি রাকাত নফল নামাজ পড়া। এটি কিছুটা তাহিয়্যাতুল মসজিদ-এর মতো। যেমন মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাকাত পড়ে মসজিদকে সম্মান জানানো হয়, তেমনি অজু শেষ হলে দুই রাকাত নামাজ পড়ে অজুর নিয়ামতকে সম্মান জানানো হয়।

তাহিয়্যাতুল অজুর ফজিলত

এই আমল সম্পর্কে সবচেয়ে শক্তিশালী দলিল হলো সহিহ মুসলিমের বিখ্যাত হাদিস।
সহিহ মুসলিমে বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, রাসুলুল্লাহ (স.) বিলাল (রা.)-কে জিজ্ঞেস করেন, “বিলাল, জান্নাতে তোমার পদধ্বনি আমি আগে আগেই শুনেছি। তুমি এমন কোন আমল কর যে এতে তুমি এত উত্তম মর্যাদা পেয়েছ?”

বিলাল (রা.) বলেন, “ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে আমি কখনো অজু করলেই সেই অজুর ওপর যা আমার ভাগ্যে লেখা আছে (যতটুকু সম্ভব), দুই রাকাত নামাজ পড়ে নিই।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৪৫৮)

তাহিয়্যাতুল অজুর হুকুম কী?

সুন্নাতে মুআক্কাদাহ নয়, কিন্তু অত্যন্ত মুস্তাহাব ও গুরুত্বের সঙ্গে সুন্নাহ। অধিকাংশ ফকিহের মতে (ইমাম শাফেয়ী, আহমদ প্রমুখ), এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) আমল।

হানাফি মত অনুযায়ী, এটি নফল; করলে বিশাল সাওয়াব, না করলে গুনাহ নেই। ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, “অজু শেষ করে দুটি রাকাত পড়া নবীজির নিয়মিত সুন্নাহ।” (যাদুল মা’আদ, ১/১৯৫, দারুল ফিকর, বৈরুত, ২০০৫)

তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজ পড়ার পদ্ধতি

১. অজু সম্পন্ন করা: শুদ্ধ নিয়তে সঠিক পদ্ধতিতে অজু সম্পন্ন করতে হবে।

২. কেবল ইচ্ছা (নিয়ত) করা: মনে মনে নিয়ত করলেই যথেষ্ট যে “তাহিয়্যাতুল অজু’র দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ছি।”

৩. দুই রাকাত সাধারণ নফল নামাজ: প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহা ও ছোট একটি সুরা পড়া। দ্বিতীয় রাকাতও একইভাবে পড়া।

৪. সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করা

সহিহ হাদিসে এসেছে, “যে ব্যক্তি অজু করে সুন্দরভাবে অজু সম্পন্ন করবে, তারপর দুই রাকাত নামাজ পড়বে গভীর মনোযোগ সহকারে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩৪)

কোন সময়ে পড়া যাবে?
যেকোনো সময় পড়া যাবে, শুধু নিষিদ্ধ সময় এড়িয়ে চলতে হবে।
সূর্যোদয়ের সময়
সূর্য মধ্যগগণে থাকা অবস্থায়
সূর্য অস্ত যাওয়ার ঠিক আগে
এই তিন সময় ব্যতীত বাকি সবসময় পড়া যায়। তবে শাফেয়ী মত অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজনে এই সময়গুলোতেও পড়া যাবে, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট কারণে (অজু) সম্পর্কিত নামাজ।

নারীরা কি তাহিয়্যাতুল অজু পড়বেন?

ইবাদতে নারী-পুরুষের বিধান একই। সাহাবিয়ারাও এই নামাজ পড়তেন।

দশটি শক্তিশালী আয়াত। এই আয়াতগুলো রুকইয়াহর নিয়তে তিলাওয়াত করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহ...
06/12/2025

দশটি শক্তিশালী আয়াত। এই আয়াতগুলো রুকইয়াহর নিয়তে তিলাওয়াত করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) বলেন,

“যে ব্যক্তি সূরা আল-বাকারার দশটি আয়াত রাতে পাঠ করবে, শয়তান সেই রাতে তার ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।”

এই দশটি আয়াত হলো-

সূরার শুরু থেকে প্রথম চার আয়াত (১-৪)-

আয়াতুল কুরসি (আয়াত ২৫৫),

তার পরের দুই আয়াত (২৫৬-২৫৭), এবং

সূরার শেষ তিন আয়াত (২৮৪-২৮৬)।

আরেকটি বর্ণনায় ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) বলেন,

“তাহলে শয়তান তার বা তার পরিবারের ধারে-কাছে আসতে পারবে না, এবং কোনো অপছন্দনীয় জিনিস তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। আর যদি এই আয়াতগুলো কোনো বার্ধক্যজনিত কারণে দুর্বল ব্যক্তির ওপর পাঠ করা হয়, তবে সে সজাগ হয়ে উঠবে।”

[সূত্র: আদ-দারিমি, আশ-শা’বী (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে, সুনান আদ-দারিমি, ২:৩২২, সংক্ষিপ্ত তাফসীর ইবনে কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ), সূরা আল-বাকারা ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯৬]

© রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি

02/12/2025

📌 সাহাবীরা ভূমিকম্প হলে কী করতেন❓

ভূমিকম্প তাদের কাছে শুধু একটি প্রাকৃতিক ঘটনা ছিলো না। এটা ছিল আল্লাহর সতর্কবার্তা। তাই প্রতিক্রিয়াটাও ছিলো আমাদের চেয়ে ভিন্ন।

১) ইস্তিগফার আর তাওবাঃ
আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) সরাসরি বলতেন,
“এটা আল্লাহর সতর্কতা। তাই তাওবা করো।”
তাঁদের বিশ্বাস ছিলো— জমিন যখন কেঁপে ওঠে, সেটা মানুষের গাফিলতির দিকেই ইশারা করে।

২) সাদাকা বাড়ানোঃ
বসরার সাহাবীরা মানুষের মধ্যে ঘোষণা দিতেন,
“ভূমিকম্প এলে দান বাড়াও। গুনাহের কারণে এগুলো আসে।”
তাঁদের মতে, দান হলো আল্লাহর গজব দূর করার অন্যতম মাধ্যম।

৩) মানুষকে সতর্ক করাঃ
উমর (রা.) এমনভাবে বলতেন যাতে মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে,
“গুনাহ বাড়লে জমিন কাঁপে।”
অর্থাৎ, ভূমিকম্পের সময় মানুষ যেন নিজেদের আমল ফিরে দেখে।

৪) দোয়া ও কুরআন তিলাওয়াতঃ
উসমান (রা.) মানুষের মাঝে শান্ত থাকা, দোয়া করা, আর কুরআন পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরতেন।
কারণ বিপদের সময় মানুষের প্রথম আশ্রয় হওয়া উচিত আল্লাহ।

-আরিফুল ইসলাম

#𝐀𝐛𝐫𝐨𝐨

29/11/2025

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ فَجْأَةِ الْخَيْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فَجْأَةِ الشَّرِّ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আস'আলুকা মিন ফাজ'আতিল খায়রি ওয়া আয়ূযুবিকা মিন ফাজ'আতিশ শাররি।

হে আল্লাহ! 'হঠাৎ করে' আসা সুসংবাদগুলো চেয়ে নিচ্ছি আপনার কাছে। আর আশ্রয় ও পানাহ চাচ্ছি 'হুটকরে' চলে আসা দুঃসংবাদগুলো থেকে।

আমিন 🤲

©️

Address

Dhaka
DHAKA1216

Telephone

+8801745770996

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Cuisine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangla Cuisine:

Share

Category