20/05/2026
‼️ জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন: ফজিলত, আমল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর নিকট জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কোনো দিনের আমল নেই।”
সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়?”
তিনি বললেন: “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়; তবে সেই ব্যক্তি ব্যতীত, যে নিজের জান-মাল নিয়ে বের হয়েছে এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসেনি।”
— (সহীহ বুখারী: ৯৬৯)
জিলহজ্জ মাস হজ, ত্যাগ ও কুরবানির মাস। বিশেষ করে এর প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। তাই এই সময় বেশি বেশি নেক আমল করা উচিত।
🌙 ১) যিলহজ্জ মাস কবে শুরু?
আরবি মাস চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তাই নির্ভরযোগ্য চাঁদ দেখার ঘোষণার ভিত্তিতে যিলহজ্জ মাস শুরু হবে।
🍽️ ২) রোজা রাখবো কবে?
যিলহজ্জের ১–৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা উত্তম, বিশেষ করে ৯ যিলহজ্জ (আরাফার দিন)।
তবে ১০ যিলহজ্জ (ঈদের দিন) এবং ১১, ১২, ১৩ যিলহজ্জ রোজা রাখা নিষিদ্ধ।
🕌 ৩) কতগুলো রোজা রাখবো?
১–৯ যিলহজ্জ পর্যন্ত সবগুলো রাখা উত্তম।
যদি সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত ৯ যিলহজ্জ (আরাফার দিন) রোজা রাখার চেষ্টা করুন।
এগুলো নফল রোজা; না রাখলে গুনাহ হবে না।
✂️ ৪) কুরবানিদাতার নখ-চুল কাটা প্রসঙ্গ
উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের কেউ যখন কুরবানি করার ইচ্ছা করে এবং জিলহজ্জের চাঁদ দেখা যায়, তখন সে যেন কুরবানি করা পর্যন্ত তার চুল ও নখ থেকে কিছু না কাটে।”
— (সহীহ মুসলিম: ১৯৭৭)
এটি কুরবানির নিয়তকারীর জন্য সুন্নাত আমল।
🌅 ৫) সাহরি না খেতে পারলে?
সাহরি খাওয়া সুন্নাত। ঘুমের কারণে সাহরি মিস হয়ে গেলে নিয়ত করে রোজা রাখা যাবে।
📿 ৬) বেশি বেশি এই যিকির পড়ুন:
لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর।
📖 ৭) বেশি বেশি যিকির করুন:
সুবহানাল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
🤍 ৮) বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পড়ুন।
🤲 ৯) বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন:
আস্তাগফিরুল্লাহ
আস্তাগফিরুল্লাহি ওয়া আতুবু ইলাইহ
💰 ১০) সামর্থ্য অনুযায়ী বেশি বেশি সদকা করুন।
🕋 ১১) আরাফার রোজার ফজিলত
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আরাফার দিনের রোজা পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হবে